সুফফা মাদরাসা

ওহির জ্ঞানের সূতিকাগার

হজরত রাসুল (সা.) এর আবির্ভাব ঘটে একটি উম্মি জাতির মাঝে। তাঁর আগমনের সময় আরবে উল্লেখযোগ্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। কোরআন শরিফের সর্বপ্রথম নাজিলকৃত আয়াতগুলোতে শিক্ষার প্রতি বিশেষভাবে তাগিদ দেয়া হয়। ওহি নাজিলের পরবর্তী দিনগুলোতে মহানবী (সা.) মক্কার অত্যন্ত বৈরী পরিবেশে তাঁর জীবনকাল অতিবাহিত করেন। এ সময় তিনি সাফা পর্বতের পাদদেশে বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আরকাম ইবনে আবুল আরকামের (রা.) বাড়িতে সাহাবিদের অত্যন্ত গোপনে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দান করতেন। নবুয়তের একাদশ, দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ সালে হজ উপলক্ষে মদিনা থেকে আগত আউস ও খাজরাজ গোত্রের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য ইসলাম গ্রহণ করলে তাদের কোরআন ও ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়গুলো শিক্ষাদানের জন্য মহানবী (সা.) বিশিষ্ট সাহাবি হজরত মুসআব ইবনে উমায়েরকে (রা.) মোয়াল্লিম (শিক্ষক) হিসেবে মদিনায় পাঠান। এজন্য মুসআবকে (রা.) ‘মদিনার শিক্ষক’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এভাবে মদিনায় ইসলাম শিক্ষার অনুপ্রবেশ ঘটে। ৬২২ ঈসায়ী সালে মহানবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনা হিজরত করেন, এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যা মসজিদে নববি নামে প্রসিদ্ধ। এ মসজিদের উত্তর-পূর্ব কোণে মুহাজির সাহাবিদের অবস্থানের জন্য সুফফা এবং পূর্ব পার্শ্বে মহানবী (সা.) ও তাঁর পরিবারের অবস্থানের জন্য কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করা হয়। সুফফায় অবস্থানকারী সাহাবিদের কেন্দ্র করে মদিনায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সূচনা হয়।

সুফফা কী : ইসলামের প্রাথমিক যুগের হাদিস ও ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে সুফফা শব্দটির বহুল ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। সুফফা হলো ছাদ বিশিষ্ট প্রশস্ত স্থান। সুফফার আকৃতি ছিল অনেকটা মঞ্চের মতো, মূল ভূমি যার উচ্চতা ছিল প্রায় অর্ধমিটার। প্রাথমিক পর্যায়ে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১২ মিটার এবং প্রস্থ ছিল ৮ মিটার। মসজিদে নববির উত্তর-পূর্বাংশে নির্মিত সুফফার দক্ষিণ দিকে ছিল মহানবী (সা.) ও তাঁর স্ত্রীদের অবস্থানের কক্ষগুলো এবং সংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্বে ছিল মেহরাব (কারণ মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসের অবস্থান ছিল মদিনার উত্তর দিকে)। প্রাথমিকভাবে সুফফা মুহাজির সাহাবিদের অবস্থানের জন্য নির্মিত হয় বলে এটি ‘সুফফাতুল মুহাজিরিন’ নামে পরিচিতি লাভ করে। পরে এটি বাইরে থেকে আগত শিক্ষার্থী সাহাবি এবং মদিনার উদ্বাস্তু সাহাবিদের রাত্রিকালীন আবাসস্থল ও দিবাভাগে শিক্ষায়তন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বিপুল সংখ্যক সাহাবি এখানে অবস্থান করতে পারতেন। মহানবী (সা.) এখানে তাঁর বিবাহোত্তর ওয়ালিমা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এখানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় সাহাবিদের মহানবীর (সা.) পত্নীদের কক্ষগুলোতেও বসতে হতো। সাধারণত সুফফা ছিল ইসলামের প্রথম আবসিক শিক্ষায়তন, যাতে শিক্ষার্থী সাহাবিরা জ্ঞান আহরণের নিমিত্তে আগমন করতেন।
সুফফার শিক্ষা ব্যবস্থা : মদিনায় হিজরত করার আগে মহানবী (সা.) তাঁর বিশিষ্ট সাহাবি হজরত মুসআব ইবনে উমায়েরকে (রা.) মোয়াল্লিম ও মুবাল্লিগ হিসেবে মদিনায় প্রেরণ করে সেখানে জ্ঞান চর্চার পরিম-ল সৃষ্টির প্রয়াস চালান। কিন্তু হিজরত-পরবর্তী সময়ে এখানে আবাসিক শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠিত হলে সুফফায় অবস্থানকারী সাহাবিদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণদানের নিমিত্তে মহানবী (সা.) প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে আসকে (রা.) সুফফার প্রশিক্ষক নিযুক্ত করেন। হজরত উবাদাহ ইবনে সামিতও সুফফার অন্যতম প্রশিক্ষক ছিলেন। ইনি আসহাবে সুফফাকে কোরআন এবং দ্বীনের অন্যান্য বুনিয়াদি বিষয় শিক্ষা দিতেন। সুফফায় আগত শিক্ষার্থীরা অক্ষরজ্ঞান থেকে শুরু করে কোরআন, তাজবিদ, ফিকহ, আকাইদ এবং জ্ঞানের অন্যান্য শাখার ব্যুৎপত্তি অর্জনের চেষ্টা করতেন।
সুফফার সার্বিক দায়িত্বে¡ মহানবী (সা.) : সুফফার শিক্ষায়তনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন হজরত মহানবী (সা.) । তিনি শিক্ষা-দীক্ষার তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খাওয়ারও আয়োজন করতেন। অনেক শিক্ষার্থী অবসর সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে কিছু আয়-উপার্জনের চেষ্টা করতেন। পার্থিব চিন্তামুক্ত থেকে তারা সদা জ্ঞান অর্জনে ব্রতী থাকতেন। সুফফার এবতেদায়ি ও হস্তাক্ষর শিক্ষাদানের দায়িত্ব পালন করতেন নবীন স্বেচ্ছাসেবক সাহাবিরা। হজরত রাসুল (সা.) নিজে উচ্চতর শিক্ষাদান ও শাস্ত্রজ্ঞ সৃষ্টির দায়িত্ব পালন করতেন। মহানবী (সা.) সুফফায় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাহাবিদের বিভিন্ন অঞ্চলে মোয়াল্লিম ও মুবাল্লিগ হিসেবে প্রেরণ করতেন। মহানবী (সা.) কর্তৃক সুফফা নির্মাণের উল্লখযোগ্য উদ্দেশ্যগুলো হচ্ছেÑ ক. সাহাবিদের কাফেরদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করা, খ. উন্নত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দান করা, গ. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা ঘ. মুহাজির সম্প্রদায় ও দূর-দূরান্ত থেকে আগত মদিনাবাসীর থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা।
সুফফায় জ্ঞানের প্রাথমিক বুনিয়াদি বিষয় থেকে শুরু করে জটিলতার বিষয় পর্যন্ত আলোচনা হতো। অনেক সময় এখানে বিষয়ভিত্তিক পর্যালোচনা হতো। আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তরের ব্যবস্থা থাকত। মহানবী (সা.) সুফফার শৃঙ্খলা বিধান এবং বিভিন্ন সমাস্যা দেখাশোনার জন্য আবু হুরাইরাকে (রা.) আরিফ-পরিদর্শক নিযুক্ত করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সুফফার শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল মাত্র ২০ জন। এ সময় আরিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হজরত ওয়াছিলা ইবনে আল আশকা (রা.)। মহানবী (সা.) শুধু আসহাবে সুফফার তত্ত্বাবধান করেই ক্ষান্ত হতেন না, তিনি তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতেন এবং অসুস্থ হলে তাদের যতœ নিতেন। মহানবী (সা.) তাদের আদেশ-উপদেশ দিতেন, বিপদাপদে সান্ত¡না প্রদান করতেন এবং আল্লাহর জিকির, আখেরাতের কথা স্মরণ করে পার্থিব মোহ ও ভোগ-বিলাস পরিহার করার জন্য তাদের উৎসাহিত করতেন।
আসহাবে সুফফার পোশাক-পরিচ্ছদ : আসহাবে সুফফা ছিলেন ইসলামের মেহমান। তাদের কোনো ঘরবাড়ি এবং কোনো সহায়-সম্পদ ছিল না। হজরত আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রা.) বলেন, আসহাবে সুফফা ছিলেন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। তাদের আর্থিক অবস্থা এতই শোচনীয় ছিল যে, শীত নিবারণ কিংবা পুরো শরীর আবৃত করার মতো কোনো কাপড় তাদের ছিল না। এমতাবস্থায় অর্ধ আবৃত পোশাক নিয়ে তারা বাইরে আসতে লজ্জাবোধ করতেন। অন্যদিকে সুফফার চতুর্দিকে খোলা ছিল বলে অবাধে ধূলিবালি প্রবেশ করত। ফলে তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ ময়লা হয়ে যেত। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, আমি ৭০ জন আসহাবে সুফফাকে দেখেছি, তাদের গায়ে কোনো চাদর ছিল না। তাদের পরনে থাকত একখানা লুঙ্গি কিংবা একখ- কাপড় যা তারা গলদেশের সঙ্গে বেঁধে রাখতেন। আর নামাজের সময় তা হাত দিয়ে চেপে ধরতেন যেন সতর খুলে না যায়।
আসহাবে সুফফার পানাহার : আসহাবে সুফফার পানাহারের তত্ত্বাবধান করতেন হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.)। মহানবীর (সা.) কাছে কোনো সদকা এলে তিনি তা আসহাবে সুফফার জন্য পাঠিয়ে দিতেন। আর তাঁর কাছে কোনো হাদিয়া এলে তিনি তাদের সঙ্গে নিয়ে ভাগ করে খেতেন। অনেক সময় মহানবী (সা.) তাদের নিজ ঘরে দাওয়াত দিতেন, কখনও দুধ পান করাতেন আবার কখনও খেজুর, ময়দা ও মাখন মিশ্রিত খাবার এবং কখনও রুটি, গোশত ও সবজির স্যুপ দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করাতেন। আসহাবে সুফফার অন্তর্গত কোনো কোনো সাহাবি জ্ঞান সাধনার পাশাপাশি অবসর সময়ে পানি সরবরাহ করে কিংবা কাঠ বিক্রি করে কিছু আয়-উপার্জনের চেষ্টা করতেন। অর্জিত অর্থ দিয়ে খাবার ক্রয় করে নিজেও খেতেন অন্য ভাইকেও খাওয়ানোর চেষ্টা করতেন। আবার অনেক সময় তাদের উপোসও করতে হতো।
জ্ঞানের জগতে আসহাবে সুফফার অসস্থান : সুফফার শিক্ষার্থীদের মাঝে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থী ছিলেন হজরত আবু হুরাইরা (রা.)। মহানবী (সা.) বলেন, আবু হুরাইরা হলেন জ্ঞানের ভা-ার। সাহাবিদের মাঝে তিনি সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারীর মর্যাদা লাভ করেন। তার কাছ থেকে বর্ণিত হাদিস সংখ্যা ৫ হাজার ৩৭৪টি। এছাড়াও সুফফার শিক্ষার্থীদের মাঝে হাদিস শাস্ত্রে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.), কেরাত শাস্ত্রে হজরত সালিম (রা.), আধ্যাত্মিক সাধনায় হজরত আবুজর গিফারি (রা.), সুহাইব রুমি (রা.), সালমান ফারসি (রা.), আবু দারদা (রা.), আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম (রা.), হানজালা (রা.), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি শাস্ত্রে হজরত উমর (রা.), আইন ও বিচার শাস্ত্রে হজরত মুয়াজ ইবন জাবল (রা.), সামরিক বিজ্ঞানে হজরত সাদ ইবন আবি ওক্কাস (রা.) ও হুজাইফা ইবন আল ইয়ামান (রা.) বিশেষ পা-িত্যের স্বাক্ষর রাখেন।
সুফফার শিক্ষার্থী সংখ্যা : বিভিন্ন বর্ণনা মতে, সুফফার শিক্ষার্থীর সংখ্যাগত তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। মদিনার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিনিধি দলের আগমনের কারণে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেত। আবার তারা চলে গেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যেত। আল্লামা জালাল উদ্দীন সৃয়ুতি আসহাবে সুফফার সংখ্যা ৪০০ বলে উল্লেখ করেছেন। হাফেজ আবু নুয়াইম তার হিলইয়াতুল আউলিয়া গ্রন্থে সুফফার স্থায়ী বাসিন্দা ৭০ জন উল্লেখ করেছেন। আল্লামা ইদ্রিস কান্দলভি তার সারিতে মোস্তফা গ্রন্থে আসহাবে সুফফার কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন।
আসহাবে সুফফার ইসলামী মর্যাদা : হজরত ইয়াজ ইবনে গনম (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, আমার উম্মতের উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ তার নিকটতম ফেরেশতাদের মাধ্যমে এই সংবাদ পাঠান যে, এসব ব্যক্তি মহান আল্লাহর অসীম রহমতের ওপর সদা সন্তুষ্ট, তারা আজাবের ভয়ে সদা ভীত। তারা দিবারাত্রি মসজিদে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকেন। তাদের জিহ্বাগুলো আল্লাহর অসীম রহমতের প্রত্যাশী ও তাদের হৃদয়গুলো তার সাক্ষাৎ লাভের জন্য সদা ব্যাকুল। মানুষের কাছে তাদের অবস্থান খুবই নগণ্য, বাস্তবে তারা সুদৃঢ় অবস্থানের অধিকারী। পৃথিবীতে তারা ভদ্র ও নম্র মেজাজে চলেন, গর্ব-অহঙ্কারের লেশমাত্র তাদের জীবনে নেই। তাদের চলাফেরায় বিনম্রতার ছাপ বিদ্যমান। কোরআন তেলাওয়াত তাদের জিহ্বার ভূষণ, জীর্ণ-শীর্ণ বস্ত্র পরিধান তাদের দেহের ভূষণ, অথচ তারা আল্লাহর অসীম রহমতে নিমজ্জিত। পার্থিব জগতে অবস্থান করলেও তাদের চিন্তা-চেতনা সদা আখেরাতমুখী। পরকালের চিন্তা তাদের পার্থিব ভোগ-বিলাস থেকে বিরত রাখে। সবসময় তারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহে ব্যস্ত। যাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, এই ওয়াদা ওইসব ব্যক্তির জন্য যাদের হৃদয়ে আমার সম্মুখে হাজির হওয়া ও আমার শাস্তির ভয় সদা বিদ্যমান।
কোরআনে আসহাবে সুফফার স্থান : আসহাবে সুফফার প্রশংসায় মহাগ্রন্থ কোরআনে আল্লাহ বলেন, আর সাহায্য পাওয়ার অধিকারী হলো সেইসব দরিদ্র শ্রেণীর জনগোষ্ঠী, যারা আল্লাহর পথে এমনভাবে জড়িত হয়ে পড়েছে যে, তারা নিজেদের ব্যক্তিগত জীবিকা অর্জনের জন্য পৃথিবীতে চেষ্টা সাধনা করতে পারে না, অজ্ঞ লোকেরা পরমুখাপেক্ষীহীন দেখে তাদের অভাবমুক্ত মনে করে।


মনের জমিনের বিষাক্ত চারাগাছ
ফিলিস্তিনে মসজিদুল আকসা নির্মাণ করেন আল্লাহর নবী দুনিয়ার বাদশাহ হজরত
বিস্তারিত
ইসলামে মানবজীবনের দায়িত্ব
দায়িত্ব ও দায়িত্ববোধ ইসলামের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। এখানে প্রত্যেকেই তার
বিস্তারিত
মোজেজার তাৎপর্য
  মোজেজা চিরন্তন রীতিবহির্ভূত হতে হবে। অতএব কোনো ব্যক্তি যদি রাতের
বিস্তারিত
ঘোরতর অসুস্থ ব্যক্তির কালেমা পাঠের
  কালেমা অর্থ হলো ঈমান বা বিশ্বাস। যিনি আসমান, জমিন, জিন
বিস্তারিত
নবীপ্রেমের অনুসরণীয় উপমা
চুনতির শাহ হাফেজ আহমদ (রহ.) কখনও স্বাভাবিক মানুষের  মতো কথাবার্তা
বিস্তারিত
নামাজে বসার সুন্নতগুলো
নামাজের অন্যতম আমল বৈঠক বা বসা। দুই রাকাত বিশিষ্ট নামাজে
বিস্তারিত