৩০তম ফোবানা সম্মেলন শুক্রবার

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে পর্দা উঠতে যাচ্ছে ৩০তম ফোবানা সম্মেলনের জমকালো আসর। শুক্রবার সন্ধ্যায় (২ সেপ্টেম্বর) এ সম্মেলনের পর্দা উঠছে।

সম্মেলনে ইয়ুথ ফোরাম, র‍্যালি, কাব্য জলসা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, সেমিনার, সায়েন্স ফেয়ার, ট্যালেন্ট শো, ব্যান্ড শো, ফ্যাশন শো, স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনা থাকছে।

আমন্ত্রিত শিল্পীদের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছেন এস আই টুটুল, ফাহমিদা নবী, শুভ্র দেব, অনিমা ডি কষ্টা, কুমার বিশ্বজিৎ, জানে আলম, বেবি নাজনীন, মাকসুদের ঢাকা ব্যান্ড, নাহিদ নাজিয়া, এম এ শোয়েব, তাজুল ইমাম, কৃষ্ণা তিথি, শাহ মাহবুব ও সামিয়া মাহবুব প্রমুখ। এ ছাড়া ভারতের কলকাতা থেকে নচিকেতা, অনুপমা মুক্তি ও শ্রেয়া গুহ ঠাকুরতা প্রমুখ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে।

ফোবানা- ‘বাংলা আর বাঙালির মুখ’ স্লোগানে সম্মেলনের মূল থিম ‘আমি হাজার বছরের বাঙালি’ এই প্রতিপাদ্যের মধ্যে দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ৪৫ মিনিটব্যাপী উদ্বোধনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী ওয়ার্দা রিহ্যাব ও তার দলের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ার্দা রিহ্যাব ও তার দল সম্মেলনের তৃতীয় দিনে সমাপনী অনুষ্ঠানেও নৃত্য পরিবেশন করবেন।

এছাড়া সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার প্রায় ৭০টি সংগঠন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫টির মতো সংগঠন অনুষ্ঠানে তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে। সম্মেলনের প্রথম দিন সন্ধ্যায় আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি শিল্পীদের সম্মানে ব্ল্যাকটাই ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

ফোবানা সম্মেলনের আয়োজন নিয়ে সম্মেলনের সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ৩০তম ফোবানা হবে একটি ঐতিহাসিক ফোবানা সম্মেলন। ওয়াশিংটনপ্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে ওয়াশিংটনের মাটিতেই ফোবানার যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৩০ বছর পর আবারও ওয়াশিংটনে ফিরে এসেছে ফোবানা সম্মেলন। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটি আজ ঐক্যবদ্ধ। সবাই আজ একটি ফোবানার ছায়াতলে এসে সমবেত হয়েছে। 

অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পর্কে ফোবানা সম্মেলনের কনভেনর এ টি এম আলম বলেন, সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে অবশেষে ওয়াশিংটনের মাটিতে একটি ঐতিহাসিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 

সম্মেলনের সদস্যসচিব নুরুল আমিন বলেন, একটি সফল সম্মেলন করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তার সবকিছুই সাধ্যমতো সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের যেকোনো ফোবানা সম্মেলনের চাইতে ওয়াশিংটনের ফোবানা সম্মেলন হবে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ফোবানা সম্মেলন।

এই সম্মেলন উপলক্ষে ইতিমধ্যেই বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, কয়েকজন গভর্নর, সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানসহ মূলধারার অন্যান্য নেতারা।

তারা ছাড়াও বাণী দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারি রডহাম ক্লিনটন। বাণীতে তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধারণ করেছে যা সত্যি প্রশংসনীয়। বিশেষ করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, কৃষিক্ষেত্রে সফলতা, মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধারণ করেছে।


ফোবানার নতুন চেয়ারম্যান আতিক, সেক্রেটারি
৩২তম ফোবানা সম্মেলনের এক্সিকিউটিভ কমিটি ২০১৭-১৮ ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন
বিস্তারিত
দুঃখে ভরা পরবাসে এক পশলা
প্রিয় মাতৃভূমি থেকে বহু দূরে, আপনজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পরবাসে
বিস্তারিত
আবর্জনা দিয়ে তৈরি স্কুল
কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে প্রতিদিন যে পরিমাণ আবর্জনা সৃষ্টি হয়, তা
বিস্তারিত
ফ্রান্সে বাংলাদেশ আ.লীগের ৬৮তম
আওয়ামী লীগ এর উদ্যোগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের নেতৃত্বকারী দল 'বাংলাদেশ
বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ায় গঠিত হল ‘বাংলা প্রেসক্লাব
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া গঠিত হল ‘বাংলা প্রেসক্লাব অস্ট্রেলিয়া ইনকর্পোরেট’ নামের একটি
বিস্তারিত
‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’র কুয়েত শাখা
জি. এম. আনিসুল হক সুমনকে সভাপতি ও মো. মেহেদী হাসানকে
বিস্তারিত