সামাজিক মাধ্যম রাখুন নিরাপদ

ইন্টারনেট মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। দিনের বেশিরভাগ সময় মানুষ ইন্টারনেটে থাকতে পছন্দ করে। ফলে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বাড়ছে ব্যবহারকারী। ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত  ব্যবহারকারীরা। বেশিরভাগ ইউজার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কেউ চাইবেন না তার ব্যক্তিগত বিষয়টি অন্যরা জেনে যাক। সামাজিক ব্যবহার আজকাল যে হারে বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে খারাপ কাজ করার মানুষের সংখ্যাও। তবে কিছু পদ্ধতি মেনে চললে আপনি নিজেকে এবং নিজের ব্যক্তিগত বিষয় সামাজিক মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
ফেসবুক : সামাজিক মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ফেসবুক। ফেসবুকের রয়েছে ভেরিফিকেশন ফিচার। এতে আরও বেশ কয়েকটি ফিচার রয়েছে যেগুলো অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে একটি হলো ট্রাস্টেড কন্টাক্টস। সিকিউরিটি সেটিংস পেজে গিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার পাবেন সেটি হলো Where you’ve logged in. এটি অ্যাকাউন্ট লগ-আউটে সহায়তা করবে। ফেসবুক ব্যবহার করার পর লগ-আউট না করেই চলে এসেছেন। এ অবস্থায় ফিচারটি সেই ডিভাইস থেকে লগ-আউট করতে সহায়তা করবে।
হোয়াটসঅ্যাপ : ইউজারদের চ্যাটিংয়ের নিরাপত্তার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ এরই মধ্যে অ্যান্ড টু অ্যান্ড এনক্রিপশন চালু করেছে। এ ফিচারটির কারণে অন্য কেউ এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের কর্মকর্তারাও অন্য কারও চ্যাট পড়তে পারবে না। তারপরও একটা সমস্যা থেকেই যায়। সেটা হলো ফোন চুরি হয়ে যাওয়া। কারও ফোন যদি চুরি হয়ে যায় তবে সব তথ্যও চুরি হয়ে যেতে পারে। এসব তথ্যের মধ্যে ফটো, ভিডিও, ব্যক্তিগত তথ্য কিংবা মেসেজ থাকতে পারে। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে হোয়াটসঅ্যাপকে পিন-লক দিয়ে রাখতে হবে। এজন্য প্রয়োজন হবে থার্ড-পার্টি অ্যাপসের। যদি হোয়াটসঅ্যাপে পিন-লক দেয়া ছাড়া কোনো ফোন হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় তবে দ্রুত নতুন একটি সিম নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে রেজিস্টার করতে হবে। তাহলে পুরনো আইডি অকার্যকর হয়ে যাবে।
টুইটার : টুইটার অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে প্রায়ই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার পরিবর্তে লগ-ইন ভেরিফিকেশন ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন। সে জন্য কম্পিউটার থেকে টুইটার আইডিতে লগ-ইন করে নিজের প্রোফাইলে যেতে হবে। তারপর সেটিংস থেকে প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে এটা চালু করা যাবে। ভেরিফিকেশন ফিচারটির ব্যবহার শুরু করার আগে অবশ্যই নিজের ই-মেইল আইডি নিশ্চিত করতে হবে।
জিমেইল : গুগলের নিজস্ব টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ফিচারের সাহায্যে জিমেইল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখা সম্ভব। কখনও যদি মনে হয় জিইমেল অ্যাকাউন্টে অন্য কেউ প্রবেশ করেছে তবে আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভিটি চেক করতে হবে। এজন্য ইনবক্সের একেবারে নিচে ডান কোনায় অপশনটি রয়েছে।


দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের সমন্বয় নিশ্চিতকরণে
এটুআইয়ের আয়োজনে কক্সবাজারের হোয়াইট অর্কিড হোটেলে ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় অ্যাপ্রেনটিসশিপ
বিস্তারিত
বাংলালিংক নেক্সট টিউবারের দ্বিতীয় আসরের
বাংলালিংক আয়োজিত ডিজিটাল রিয়েলিটি শো বাংলালিংক নেক্সট টিউবারের দ্বিতীয় আসরের
বিস্তারিত
‘এই মেধাবীরাই ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে
প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সবচেয়ে বড় সিএসআর প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর
বিস্তারিত
ইউটিউব আনল কিডস অ্যাপে ‘ওল্ডার’
মা-বাবার নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ‘কিডস’ অ্যাপে ইউটিউব এনেছে ‘ওল্ডার’ নামের নতুন
বিস্তারিত
বাজারে লেনোভো আইডিয়াপ্যাড ৩৩০
লেনোভো অনুমোদিত পরিবেশক গ্লোবালব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড বাংলাদেশের বাজারে আনল লেনোভো
বিস্তারিত
জিপি অ্যাক্সেলেরেটরে নির্বাচিত চার উদ্যোগ
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিতে জিপি অ্যাক্সেলেরেটরের পঞ্চম ব্যাচ সম্প্রতি
বিস্তারিত