সৈয়দ শামসুল হকের গল্প বলার প্রবণতাকে কোনো অভিধায় শনাক্ত করতে হলে তাকে একজন ‘গ্রেট স্টোরি টেলার’ বলতে হবে। কারণ হাজারও গল্প তিনি জানতেন, গল্পের জাদুতে আকৃষ্ট করার সামর্থ্যও রাখতেন। ফলে, তার গল্পে বুঁদ হয়েছেন যেমন আমাদের পূর্ব প্রজন্ম, তেমনি তাতে ওম খুঁজে ন

জলেশ্বরীর জাদুকর কালের নায়ক

সৈয়দ শামসুল হক নায়ক না জাদুকর, নাকি দুটোই? ‘সহজ কথা কইতে আমায় কহ যে, সহজ কথা যায় না বলা সহজে।’ রবীন্দ্রনাথ থেকে ঋণ করে বলতে হলো, অবশ্য রবীন্দ্রনাথ তো আমাদের মাথার ওপর ঋণদানের জন্য সদা প্রস্তুত হয়েই আছেন। সৈয়দ শামসুল হক সৃষ্টিশীলতায় নিজেকে এমন এক আসনে অধিষ্ঠিত করেছিলেন যে, একটিমাত্র বিশেষণে তাকে অভিহিত করা দুরূহ। তেমনটি করা হলে তা হবে খ-িত, অমীমাংসিত। তিনি জাদুকর না নায়ক, এ প্রশ্নে না গিয়ে আমরা যদি বলি তিনি নায়ক, তিনিই জাদুকর। সৈয়দ হকের ৮১ বছরের জীবন আর ৬৬ বছরের সৃজনশীলতা, অমোঘ এক ডিসকোর্স উপহার দিয়েছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বদ্বীপভূমিকে। বাংলাভাষী মানুষমাত্রই তাতে স্নাত হয়েছেন জ্ঞাত কিংবা অজ্ঞাতসারেই। সেই ডিসকোর্সের এ পিঠে যদি থাকে নায়ক হক, তাহলে ওপিঠে রয়েছে জাদুকর, জলেশ্বরীর জাদুকর। সৈয়দ শামসুল হক তাই নায়ক ও জাদুকররূপে বিশিষ্ট ও বৈশিষ্ট্যম-িত হয়েও অবিভাজ্য এক সত্তা, প্রিয় এক ডিসকোর্স।
সৈয়দ হক জন্মেছিলেন উত্তর বাংলার প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত এক জনপদ কুড়িগ্রামে। যেখানে তিনি স্বেচ্ছায় চয়ন করেছেন মৃত্যুপরবর্তী শেষ ও চিরস্থায়ী ঠিকানা। জন্মভূমি কুড়িগ্রামে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ছিলেন জল-হাওয়ায় মিলেমিশে একাকার হয়ে। তারপর স্থানান্তর হন ঢাকায় এবং লন্ডনে। কুড়িগ্রাম থেকে যে অভিযাত্রা তিনি শুরু করেছিলেন নব নব অভিঘাত ও অভিমুখ রচনার দুঁদে ইচ্ছে ও সাহসকে ট্যামরে গুঁজে, তাবড় বিশ্বকে হাতের মুঠোয় এনে, সেই অভিযাত্রা তিনি সমাপ্য টানলেন, সম্পন্ন ঘটালেন সেই আঁতুড়ালয়েই। বিশ্ব গতায়াতের মাঝেও তিনি কখনোই নাড়ি পুঁতে রাখা জনপদকে ভুলেননি। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ তার জলেশ্বরী বন্দনায় নিহিত ও উচ্চারিত। বনলতা ও জীবনানন্দ যেমন ভিন্ন হয়েও অভিন্নতার মখমলে মোড়া, জলেশ্বরীরও তাই। বাস্তবের বনলতা হয়তো ছিলেন, হয়তো ছিলেন না (বাংলাভাষাভাষী গবেষকরা এখন একাধিক বনলতার সন্ধান দিচ্ছেন, কলকাতা ব্যক্তি বনলতাকেও আবিষ্কার করেছেন, কিন্তু নাটোরের বনলতা সেনের হদিস এখনও মেলেনি, অবশ্য নাটোরের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ-ব্যাখ্যা আকবর আলি খান যেভাবে হাজির করছেন, তাতে হয়তো বাংলা সাহিত্য তো বটেই নাটোরবাসীরাও শিগগিরই একজন বনলতা সেন পেয়ে যাবেন)। বনলতার মতো জলেশ্বরীও একটা প্যারাডক্স। সৈয়দ শামসুল হকের মনোভূমিতেই সে ভূমিষ্ঠ, শৈশব-কৈশোর-যৌবন পেরিয়ে যে পেয়েছে এখন অমরত্ব। ‘পরানের গহীন ভেতর’-এ যার বসবাস ‘জলেশ্বরীর গল্পগুলো’ ‘জলেশ্বরীর দিনপত্রী’তে সে পায় বিশ্ব ভ্রমণের আরাধ্য এক ছাড়পত্র।
ফজলে লোহানী সম্পাদিত অগত্য পত্রিকায় গল্প লেখার মধ্য দিয়ে সৈয়দ হক লেখালেখিতে যে অশ্ব দাবড়িয়েছিলেন, মৃত্যু অবধি তা বেগবান, সচল ও সক্রিয় ছিল। রবীন্দ্রনাথ যেমন মৃত্যুর আগে, অপারেশন টেবিলে যাওয়ার আগেও মুখে মুখে সৃজন ঝা-া উচ্চকিত রেখেছিলেন, তিনিও অবিকল সেভাবেই রেখে গেলেন যোগ্য উত্তরসূরির ইর্ষণীয় অথচ মহোত্তম এক দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথের মতোই তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন মাধ্যমে দু’হাতে সোনা ফলিয়েছেন। এক হাতে করেছেন, দশ হাতের কাজ। বাংলা সাহিত্য তাকে পরিয়েছে ‘সব্যসাচী’র তিলক। যার ডান ও বাম হাত সমানে চলে, তাকেই বলা হয় সব্যসাচী, অভিধানের অভিজ্ঞতা দু’হাতেই সীমিত ও সীমাবদ্ধ। কিন্তু যার ডান ও বাম হাত ছাড়াও অদৃশ্য হাতগুলো সমানে চলে, দেবী দুর্গার মতো যার রয়েছে দশ হাত, যার প্রতিটিই কর্মনিষ্ঠ, তাকে কি তিলক দেয়া যায়?
সৈয়দ হক কেন জাদুকর, তা বুঝে ও যুঝে নিতে হলে তার সৃষ্টির নিবিড় পাঠ জরুরি ও আবশ্যক। স্বল্পায়তনের এ লেখায় সেটা তালাশ করা দুরূহ ও অকল্পনীয়ও বটে। গল্প-কবিতা-গান-নাটক-কাব্যনাটক-উপন্যাস-প্রবন্ধের বিশাল সম্ভারের দিকে যদি আমরা দৃষ্টি দিই, তাহলে দেখব, তিনি সর্বত্রই সোনা ফলিয়েছেন। তিনি যেন রূপকথার সেই জাদুকর, যিনি তার জাদুর থলি থেকে যা কিছু বের করেন, তাতেই আমরা মুগ্ধ ও মোহাবিষ্ট হই। বিস্ময় ও চমক শেষ না হতেই জাদুকর যেমন মেলে ধরেন নতুন খেলা, অভিনব এক কসরত। সৈয়দ হকও তাই অবিশ্বাস্য এক গতিময়তায় আমাদের নিয়ে যান তার মনোলোকে। আর আমরা বাচ্চালোক তালিয়া বাজাওয়ের মতো পাঠান্তরে তালিয়া বাজাই।
গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ছিল মাকেন্দো নামে এক মনোভূমি, যার আদতে কোনো অস্তিত্বই নেই, কিন্তু পৃথিবীর সাহিত্যপ্রেমী মানুষমাত্রই মাকেন্দোকে চেনে-জানে-বোঝে এবং ভালোবাসেও। জলেশ্বরীর তেমনি কোনো অস্তিত্ব নেই বাঙালমুলুকে, ইহজাগতিক পৃথিবীতে (বগুড়ায় অবশ্য জলেশ্বরীতলা নামে একটি জায়গা আছে, কথাসাহিত্যিক দস্যু বনহুর সিরিজের জনয়িতা রোমেনা আফাজের জন্মস্থান সেটি)। কুড়িগ্রামে জলেশ্বরী নেই, সৈয়দ হক এর আগে সেই নাম কস্মিনেও শোনেনি ওই জনপদের বাসিন্দারা। হক নিজেই জানিয়েছেন ওই জনপদের স্থান নাম নাগেশ্বরী থেকে তিনি প্রণোদিত হয়ে ‘জলেশ্বরী’ নামকরণ করেছেন, যা এখন সবার মুখে মুখে। জাদুকর না হলে কি এরকমটা সম্ভব? জলেশ্বরীর জাদুকর জীবনভর জাদু দেখিয়েছেন, জাদু তালাশ করেছেন, জাদুমাখা চরিত্রদের হাজির করেছেন। জাদুকরের থলেতে যেমন থাকে জাদুর উপকরণ-মশলা-কাঁচামাল প্রভৃতি। ঠিক তেমনি সৈয়দ হকের জাদুর থলি ছিল তার জলেশ্বরী, তাতে ভর্তি ছিল সাহিত্যের নানা রসদ-তথ্য-উপাত্ত আর উত্তর বাংলার মায়ামাখা মুখের বুলি, অপূর্ব ভাষাভঙ্গিমা এবং বিচিত্র সব মানুষেরা ও তাদের মহাকাব্যিক সব আখ্যান। যারা তাকে সব্যসাচী করেছে। বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে আমাদের কালের নায়ক হিসেবে পরিগণিত-পরিচিত করে দিগি¦জয়ীর উষ্ণীষ পরিয়েছে।
সৈয়দ হকের শুরুটা গল্প দিয়ে হলেও থিতু হননি একমাত্র বৃত্তে। যদিও তিনি সর্বদাই বলেছেন, তিনি আসলে গল্পই বলতে চেয়েছেন, সবসময়-সবলেখায়। কিন্তু গল্পগুলো একটা মাধ্যমে বলেননি। একেকটা গল্প একেক মাধ্যমে বলেছেন। তার মতে, গল্প এসে প্রথমে ধরা দেয়, তারপর আমি ভাবি, এটা কোন মাধ্যমে প্রকাশ করব। গল্পের ভেতরের উপকরণই বলে দেয়, তার মাধ্যম বা আঙ্গিকটা কী হবে। কোন প্রকাশে সে স্বস্তি পাবে, অন্যদের কাছেও স্বাদ ও সাধু বলে বিবেচিত হবে। তিনি মনে করতেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ঐতিহাসিক চরিত্র হলে মাধ্যম বা আঙ্গিক হিসেবে নাট্যভাষাই শ্রেয় ও যুক্তিযুক্ত। সেই বিবেচনাবোধ থেকেই তিনি রচনা করেছেন পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নূরলদীনের সারা জীবন কিংবা এখানে এখন, ঈর্ষা, নারীগণ, বাংলার মাটি বাংলারজন, এখানে এখন গণনায়কের মতো কাব্যনাট্য।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ এ মাতব্বর কন্যার মুখে তিনি বলেছেন,
‘আমার কি আছে? গ্যাছে সুক
য্যান কেউ নিয়া গ্যাছে গাভীনের বাঁটে যতটুক
দুধ আছে নিষ্ঠুর দোহন দিয়া। সুখ নাই এখন সংসারে
দুঃখেরও শক্তি নাই দুঃখ দেয় আবার আমারে
যেমন বিষের লতা, তারও জন্ম নাই কোনো নুনের পাহাড়ে।’
‘বস্তুত অরণ্য আমি’তে তাঁর সরল স্বীকারোক্তি হল:
আমি তাকে ভালোবেসেছিলাম আদিম,
অরণচারী, সবুজভূক এক গোত্রের সমৃদ্ধা জননীর মতো,
স্বপ্ন দেখেছি তার অতল অকম্পিত চোখে
আর বিশাল নিতম্বের তরঙ্গে। কিন্তু
স্বপ্ন ভবিষ্যতলগ্না, আর সে আমাকে
চাবুক মেরেছে সার্কাসের মুগ্ধ সিংহকে যেমন করে
দাঁড় করিয়ে টুলের ওপর হাস্যকর ভঙ্গিতে
মহিলার হাতের চাবুকে মারা হয় বিদ্যুতের মতো।’
‘বৈশাখে রচিত পঙ্ক্তিমালা’য় আশাবাদ আমাদেরকে আশান্বিত করে তিনি আওড়ান :
‘আমারও সংসার হবে
শিল্পের সংসার। চন্দ্রাবতী হবে বোন,
কালিঘাটে আত্মীয় আমার। আমি জানি
মনসার ক্রোধে মানে মানুষের জয়,
চাঁদ রাজা হার মানে। লৌহ বাসরের
কালছিদ্রে চোখ রেখে আমি কালরাতে
পূর্ণিমা ধবল দেহে আজো জেগে আছি।’

সত্যিই সৈয়দ হক এভাবে নাটক-কবিতা-গান-উপন্যাস-ছোটগল্পসহ নানা মাধ্যমজুড়ে মোহময় এক ভঙ্গিতে ৬৮ হাজার গ্রাম আর ১ হাজার ৩০০ নদীর গল্পই বলেছেন। বাঙালির গল্পপ্রিয়তা আর গল্পবিলাসের সারাতসার ধরতে পেরেছিলেন তিনি যথার্থভাবেই। আর সেকারণেই তার গল্প (কবিতা-নাটক-গান-উপন্যাস) সবাইকে নাড়া দিয়েছে আলোড়িত-বিলোড়িতও করেছে। গানের কথায় তিনি যখন বলেন, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ফুস’, আমি চাঁদের সাথে দেব না তোমার তুলনা,’ তখনও যেমন ঠিক তেমনি তিনি যখন কবিতায় বলেন, ‘যারে আমি জীবন কয়, সে ক্যান আমার উঠানে দেয় ঢোলের বাড়ি, ক্যান সে পাশ ফিরা শোয়’ তখনও কিন্তু আমাদের কাছে কবিতার আঙ্গিকে গল্পই হাজির হয়। তার উপন্যাসও গল্পেরই বর্ধিত ক্যানভাস। নাটকেও তিনি মুখ্যত গল্পই বলেন। সেটা পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়-র ক্ষেত্রে যেমন সত্য, তেমনি ঈর্ষা, নূরলদীনের সারাজীবনসহ বা অন্য নাটকের ক্ষেত্রেও। এমনকি সুপ্রকাশ রায়ের আবিষ্কার নূরলদীনকে যখন তিনি নাট্যভাষায় মূর্ত করেন তখনও গল্পই বলেন। এভাবে নূরলদীনের সারাজীবন, তাস, খেলেরাম খেলে যা, নিষিদ্ধ লোবান, শ্রাবণ রাজা, কেরানীও দৌড়ে ছিল, হৃতকলমের টানে, মার্জিনে মন্তব্য, স্মৃতিমেঘ, বারোদিনের শিশু, বনবালা কিছু টাকা ধার নিয়েছিল, মেঘ ও মেশিন, ইহা মানুষ, বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ, এক যুবকের ছায়াপথ, দূরত্ব, প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান, শীতবিকেল, আনন্দের মৃত্যু, বালিকার চন্দ্রযান, মহাশূন্যে হারান মাস্টার, আমি জন্মগ্রহ করেনি, তোরাপের ভাই, তোরাপের ভাই, ধ্বংসস্তূপে নারী ও নগর, দেয়ালের দেশ, অনুপম দিন, এক মহিলার ছবি, সীমানা ছাড়িয়েÑ যে গ্রন্থের কথায় বলি না কেন, তা ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে ও ভাষাভঙ্গিমায় সৃজিত হলেও তাতে গল্পের বয়ানই রয়েছে। এমনকি হৃদকলমের টানে, মার্জিনে মন্তব্য’র মতো ভিন্নধর্মী ও মেজাজের গ্রন্থগুলো নিয়ে কারও দ্বিমত থাকলেও সেসবের গল্প ভাষ্যকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না। আবার তার অনুবাদ কর্মেও তিনি যে সৃজন-স্বকীয়তার পরিচয় দিয়েছেন। শেকসপিয়র ম্যাকবেথ, টেম্পেস্ট, শ্রাবণ রাজাসহ বেশকিছু বিদেশি নাটকের অনুবাদেও তার গল্প সত্তাই হাজির হয়েছে। কারণ তিনি মূল্যানুগ না করে কাহিনীর নির্যাস নিয়ে তাতে আমাদের আবহর মিশেল ঘটিয়েছেন। ফলে সেসব নাটকের শেকড় বিদেশ-বিভূঁইয়ে প্রোথিত থাকলেও, তার অনুবাদের প্রসাদগুণে তা হয়ে উঠেছে আমাদেরই নাটক।
সৈয়দ শামসুল হকের গল্প বলার প্রবণতাকে কোনো অভিধায় শনাক্ত করতে হলে তাকে একজন ‘গ্রেট স্টোরি টেলার’ বলতে হবে। কারণ হাজারও গল্প তিনি জানতেন, গল্পের জাদুতে আকৃষ্ট করার সামর্থ্যও রাখতেন। ফলে, তাঁর গল্পে বুঁদ হয়েছেন যেমন আমাদের পূর্ব প্রজন্ম, তেমনি তাতে ওম খুঁজে নেবে উত্তর প্রজন্মের মানুষেরাও। আর আমরা তো বুঁদ-ওমে নিমগ্নই আছি। সবাইকে বেঁধে রাখার এ সক্ষমতা-কৌশল-মন্ত্রবশ যার করায়ত্ত তিনি কি শুধুই জাদুকর না নায়কও বটে? তিনি অবশ্যই নায়ক, তার সৃজনসম্ভার তাকে নায়কের বিরলগুণের মহিমা ও মর্যাদা দিয়েছে। এ কারণে সৈয়দ হক যেমন জলেশ্বরীর জাদুকর তেমনি আমাদের কালের নায়ক। যিনি উচ্চারণ করেছেন :

‘এক এ নূরলদীন যদি চলি যায়,
হাজার নূরলদীন আসিবে বাংলায়।
এক এ নূরলদীন যদি মিশি যায়,
অযুত নূরলদীন য্যান আসি যায়,
নিযুত নূরলদীন য্যান বাঁচি রয়।’


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত