অনলাইন ব্যাংকিং নীতিমালা প্রয়োজন

দেশে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের পরিধি বেড়েছে। একইসঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তার দিকটি নিয়ে আলোকিত বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেছেন সিটিও ফোরামের সভাপতি 
তপন কান্তি সরকার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ

আলোকিত বাংলাদেশ : বাংলাদেশে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা কতটা সন্তোষজনক?
তপন কান্তি সরকার : কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক লেনদেনের হার বেড়েছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে ৫৭টি ব্যাংক ও ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৯০ লাখ গ্রাহক ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে এটিএম কার্ড নকল ও গ্রাহকের তথ্য হ্যাকিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে, তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ঘটা ঘটনাগুলোয় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ তত বেশি নয়। সম্ভাবনাময় এ খাতের উন্নয়নে প্রধান অন্তরায় অনলাইন লেনদেনের নিরাপত্তা। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক আরটিজিএস, বিএফটিএন, ইএফটি, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচসহ অনেক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করেছে। আমাদের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে হবে এবং একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যেও ইলেকট্রনিক লেনদেনের ব্যাপারে যে সচেতনতার অভাব রয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেদিকেও মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের অবশ্যই পিসিআই-ডিএসএস ও ইএমভির মতো প্রযুক্তি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং ব্যাংকগুলোকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সেবার মান আরও বাড়াতে হবে।
আলোকিত বাংলাদেশ : অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য গ্রাহকদের সচেতনতায় কী কী উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন?
তপন কান্তি সরকার : অনলাইন ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকদের সচেতনতা খুবই জরুরি। গ্রাহকদের কার্ডের পাসওয়ার্ড যাতে অন্য কেউ জানতে না পারে, সে ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। গ্রাহকদের গোপনীয় তথ্য যাতে অন্য কেউ জানতে না পারে, সে ব্যাপারে গ্রাহককেও সজাগ থাকতে হবে।
আলোকিত বাংলাদেশ : অনলাইন ব্যাংকিংয়ে কোন বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?
তপন কান্তি সরকার : অনলাইন ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকদের লেনদেন তথা অর্থের নিরাপত্তার বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। গ্রাহকদের সব তথ্য যেন সুরক্ষিত এবং নিরাপদ থাকে সেদিকে ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
আলোকিত বাংলাদেশ : অনলাইন ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সরকারের কোন বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন?
তপন কান্তি সরকার : তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীনে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য উপযুক্ত নীতিমালা সংযোজন করতে হবে। সরকারকেই এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।
আলোকিত বাংলাদেশ : আপনাদের ফোরামের ফলে ব্যাংকিং খাত ও গ্রাহকদের কী ধরনের উপকার হচ্ছে?
তপন কান্তি সরকার : আমরা তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে এরই মধ্যে অনেক সেমিনার ও গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছি, যেখানে দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে। যার মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মরত কর্মকর্তারা নতুন নতুন প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পেয়েছেন।


প্রাপকের চ্যাটবক্স থেকেও
মেসেঞ্জারে চালু হচ্ছে পাঠানো বার্তা মুছে ফেলার সুযোগ। বর্তমানে মেসেঞ্জারে
বিস্তারিত
স্মার্টকে নিয়ে ক্যাসপারস্কির বড় পরিকল্পনার
বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এসবিটিএলের সহযোগিতায় সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসা
বিস্তারিত
ই-ক্যাবের উদ্যোগে ‘বিজনেস টু ই-বিজনেস’
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল কমার্সের আওতায় আনতে ই-কমার্স
বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক পাঁচটি পুরস্কার পেল
প্রতি বছরের মতো এবারও ভারতের তাজ হোটেল মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হলো
বিস্তারিত
জিপির ফেইসবুক পেইজ ফ্যান ১
ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের ফেইসবুক ফ্যান বা ভক্তের সংখ্যা
বিস্তারিত
ভার্চুয়ালি দেখা যাবে পছন্দের প্রপার্টি
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ঘরে বসে সুবিধাজনক উপায়ে পছন্দের প্রপার্টি দেখার
বিস্তারিত