নিঃসঙ্গের ছদ্মবেশে

মানুষের ছদ্মবেশে থাকি, আদতে রাক্ষস! একদিন রাক্ষসপুরীতে ছিলাম। কিন্তু
রাক্ষসদের সঙ্গে আমার বনিবনা হতো না। সবসময় খিটিমিটি লেগে থাকত। ভালোবেসে যে রাক্ষুসী
আমার পাশে ছায়াচ্ছন্ন দাঁড়িয়েছিল, এক সন্ধ্যার অজান্তে তাকে অন্য রাক্ষসেরা ভক্ষণ করে ফেলেছিল।
মনের দুঃখে, স্বপক্ষত্যাগী আমি মানুষের ছদ্মবেশে মানবসমাজে চলে এসেছি। আমিও কবিতা লিখি...এই
হচ্ছে মানুষের মধ্যে থেকেও আমার নিঃসঙ্গতার সংগোপন ইতিহাস। এই হচ্ছে মানুষের সমাবেশে থেকেও
আমার মানুষ হতে না পারার ইহলৌকিক যন্ত্রণা। কারণ, সৌন্দর্যলুব্ধক এক মোমের মানবীকে
ভালোবাসতে গিয়ে সম্পূর্ণ ভুলে গিয়েছিলাম যে, আমি গোত্রান্তরিত রাক্ষস। স্বগোত্রে আমার জন্য এক
রাক্ষুসী আত্মাহুতি দিয়েছিল। আর এদিকে আমি মোমের মানবীতে হাত ধরে আবেগে-আবেগেÑ যেই
বলেছি, রাক্ষুসী, প্রিয়ে, তোমাকেই আজ ভালোবাসি, তুমি আমার পাশে দাঁড়াও; কিন্তু সে ভয় পেয়ে
ছিটকে পালায়, আর রাক্ষসের ভয়ে মানবীরা চিরকাল ভীত বলে আমি নিঃসঙ্গ হয়ে যাই, যথাক্রমশ
নিঃসঙ্গ হয়ে উঠি। নিঃসঙ্গতা এমন একটি উদাহরণ, যে-কেউ গ্রহণে অনিচ্ছুক... হায় রে এমন নিঃসঙ্গ
থাকি সকাল থেকেই একটা শালিক কার্নিশে ভিজছে স্থিরচিত্রে, নিঃসঙ্গের ছদ্মবেশে আমি এখন ওই ভেজা
শালিক পাখি শালিকের ছদ্মবেশে কবিতা লিখি!


পাথরের ফাঁক-ফোকর দিয়েই
  বিজয়ী ঝকঝকে চোখগুলো এখন তন্দ্রা আর ঝিমুনিতে ঝাপসা।
বিস্তারিত
বিজয়ের তানপুরা
  হাসপাতালের করিডোর ছেড়ে রাস্তায় নামলেন ডাক্তারেরা তড়িঘড়ি তাদের উচ্চারণÑ
বিস্তারিত
রোদ
  রোদ ছিল ব’লে শয্যাপ্রান্তে উম ছিল ঘোর ছিল, ঘুম
বিস্তারিত
অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ
  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাঃ গৌরব আর সৌরভে সম্ভার, মুক্তিযোদ্ধারা;
বিস্তারিত
কোটি স্বপ্নের একটি নাম
  এসেছিল মাঠের কিষান, কিষানি বধূ ফসলের শিল্প গড়া, চাষিরা, 
বিস্তারিত
স্বপ্নসিক্ত ম্যুরাল
  তুমি থাকলে শস্যবীজ পুষ্ট হয় নদীস্রোত কুলুকুলু বহে, ফুল
বিস্তারিত