ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব

চলার পথে পথপ্রদর্শক

ক্যারিয়ার শব্দটা শুনলে কিংবা চোখে ভাসলে যেটা অনেকের মনে পড়ে তা হলো, হাঁটতে হবে বহুদূর, পথটাও তত সহজ নয়। অন্তত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তাই মনে করতেন আবিদ, তুষার, সোহাগ, অরণিরা। এ কঠিন পথের বাধাগুলোকে চিনতে সহযোগিতা করার প্রত্যয় নিয়ে পথ চলা শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের। ২০০৯ সালের ২৫ এপ্রিল আবিদ, তুষার, সোহাগ এবং অরণিদের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে এ ক্লাব। উদ্দেশ্য ছিল ক্যারিয়ারের শুরুতে অংশ নেয়া প্রতিযোগিতার অর্থাৎ পরীক্ষা কিংবা ভাইভার জন্য নিজেদের ও সেই সঙ্গে সহপাঠীদের আগে থেকে প্রস্তুত করা। তাদের ভাষায়, এ শুরুর রাস্তাটা একটু সহজ করে দেয়া যায়। যেমন ধরা যাক, চাকরির পরীক্ষার ভাইভার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।  বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা। যারা শুরু করে দিয়ে গেছেন, তারা এখন আর নেই। তবে ক্লাবটি আছে, কাজও চলছে। যেমন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাবের (ডিইউসিসি) বর্তমান সহ-সভাপতি আনিকা শার্মিলী পড়াশোনার পাশাপাশি এ ক্লাবের পেছনে শ্রম এবং সময় দুইটি ব্যয় করেন। সব সময় চিন্তা করেন, কীভাবে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা যায় ক্লাবটিকে এগিয়ে নেয়া যায়। শুধু তাই নয়, এর ম্যাধমে কার্যকরী সেবা দেয়া যায়। আনিকা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাবই ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে কাজ করে। সবগুলোরই একটা বিশেষ লক্ষ্য থাকে, একটা নির্বাচিত বিষয় নিয়ে কাজ করে। আমাদের বিষয়টা ক্যারিয়ার। আমরা পড়াশোনা করি ঠিকই; কিন্তু স্বপ্নটাকে ছুঁতে হবে কী করে, সেদিকে এগোতে হবে কী করেÑ এটাই ঠিক করতে পারি না। এর জন্যই নিজেরাই নিজেদের প্রস্তুত করছি।’ সভাপতি রাকিব হোসেন বলেন বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে। তিনি জানান, ‘প্রতিযোগিতার এ সময়ে ছাত্রছাত্রীদের যুগোপযোগী নির্দেশনা দিতেই কাজ করছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাব।’
নিয়মিত ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং, নানা ধরনের কর্মশালা, বিভিন্ন চাকরি ও দক্ষতা সম্পর্কিত আলোচনা এবং সেশন, বিজনেস প্লান প্রতিযোগিতা, ক্যাম্পাসে ক্যারিয়ার ফেস্টিভ্যাল, সার্টিফিকেশন কোর্স, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য কাজ করছে ক্লাবটি। এ তথ্য ক্লাবের বর্তমান সদস্যদের দেয়া। বছরে ১০টির ওপরে কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে ক্লাবটি। ক্লাবের হেড অব করপোরেশন মুহাইমিনুল ইসলাম বলেন, তাদের জব ফেয়ারে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শুরু করে বেসরকারি বহুজাতিক কোম্পানি পর্যন্ত চাকরি নিয়ে হাজির আমাদের মেধাশক্তির সামনে। আবার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হালিমা আক্তার আঁখির কথা হলো, ক্যারিয়ার ক্লাবটি বাংলাদেশ ব্যাংকের জব প্রসেসিংয়ের ধারণা থেকে শুরু করে কীভাবে নিজেকে প্রাইভেট চাকরির জন্য তৈরি করা যায় সবকিছুতেই দক্ষ করে তুলতে তারা অপরিসীম চেষ্টা করেন। সবশেষে ক্লাবের ট্রেজারার তাসনুভা আক্তার বলেন সদস্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পর্কে। তিনি জানান, প্রতি বছর জুলাই-আগস্টের দিকে নতুন সদস্য সংগ্রহ চলে। তার আগে নির্বাচিত হয় নতুন কমিটি এবং সেই কমিটির মাধ্যমে বাছাই করা হয় নতুন সদস্য। সদস্য হওয়ার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হয়। 


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত