গেল ১৫ বছরে সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তরা

২০১৫ : সেভেতলানা আলেক্সেবিচ। তার ব্যতিক্রমধর্মী বহুমাত্রিক লেখার জন্য এ পুরস্কারে ভূষিত হন। তথ্যমূলক বার্তা ও গল্পে সময়ের সাহসিকতা ও ভোগান্তির স্মৃতিশোধ তৈরি করার জন্য।
২০১৪ : প্যাট্রিক মাদিয়ানো। স্মৃতিচারণমূলক সাহিত্য রচনার জন্য, যার মাধ্যমে তিনি সবচেয়ে নিপীড়িত জাতির ভাগ্য ও জীবন বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।
২০১৩ : এলিস মুনরো। সমসাময়িক ছোটগল্পের দক্ষ নির্মাতা।
২০১২ : মো ইয়ান। অতিকল্পনীয় বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যিনি গ্রামীণ ও লোক গল্প, ইতিহাস ও সমসাময়িক সাহিত্যে অবদান রেখেছেন।
২০১১ : থমাস ট্রান্স ট্রোমার। এ কবি তার স্বচ্ছ ও সংক্ষিপ্ত চিত্রকল্পের মাধ্যমে তিনি আমাদের সামনে বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।
২০১০ : মারিয়ো ভার্গাস লোসা। তার সাহিত্যকর্মের শক্তিমান চিত্রায়ণ, স্বচ্ছ চিত্রকল্প, ব্যক্তিবিশেষের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতিরোধ, বিদ্রোহ ও পরাজিত হওয়ার বেদনা।
 ২০০৯ : হার্টা মুলার। যিনি তার সমসাময়িক কবিতায় স্বচ্ছ ও সরলভাবে নির্জাতিতদের অবস্থা তুলে ধরেছেন।
২০০৮ : জিন মারিয়া গুস্তাব লে ক্লেজিও। তিনি পরকালে প্রস্থানের লোমহর্ষক কবিতায় সংবেদনশীল নান্দনিকতা প্রকাশ করেছেন, যাতে মানবতা প্রাধান্য পেয়েছে।
২০০৭ : ডরিস লেসিং। নারীজীবনের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এক নান্দনিক আনন্দ সৃষ্টি করেছেন। যিনি তার সন্দেহবাদিতা, আগুন ও উচ্চাভিলাষের মাধ্যমে সভ্যতাকে সমালোচনা করেছেন।
২০০৬ : ওরহান পামুক। যিনি তার নিজ জন্মভূমিকে ব্যথিত হৃদয়ে আবিষ্কার করেছেন সংঘর্ষ ও বিচ্ছিন্নতার সাংস্কৃতিক বিভেদ থেকে।
২০০৫ : হ্যারোল্ড প্রিন্টার। যিনি তার নাটকে ইঙ্গিতের মাধ্যমে প্রতিদিনকার অসংলগ্ন আচরণ ও শক্তির অত্যাচারের মাত্রাকে তুলে ধরেছেন।
২০০৪ : আলফ্রেড জেলিনেক। তার গীতিময় স্বর ও বিরোধী স্বরের মাধ্যমে তিনি উপন্যাস ও নাটকে সমাজের ক্ষমতাসীনদের নির্যাতন তুলে ধরেন।
২০০৩ : জন এম কোয়েতজি। যিনি তার অসাধারণ কল্পনা শক্তির মাধ্যমে অভিবাসীদের আশ্চর্যজনক অবদান ও অপরাধ তুলো ধরেন।
২০০২ : ইমরে কেরেৎজে। তিনি ব্যক্তির বাস্তব তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন ইতিহাসের চরম নির্মমতার ও যৌক্তিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে।
২০০১ : ভিএস নাইপল।


সাহিত্যের বর্ণিল উৎসব
প্রথম দিন দুপুরে বাংলা একাডেমির লনে অনুষ্ঠিত হয় মিতালি বোসের
বিস্তারিত
নিদারুণ বাস্তবতার চিত্র মান্টোর মতো সাবলীলভাবে
এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারতের প্রখ্যাত পরিচালক নন্দিতা দাস
বিস্তারিত
পাখি শিকারিদের পা
অর্ধমৃত চোখটি পাহারা দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে অন্য চোখ।
বিস্তারিত
এমনই নিশ্চিহ্ন হবে একদিন
এমনই নিশ্চিহ্ন হবে সব চিহ্ন একদিন মুছে যাবে অক্ষত ক্ষতচিহ্ন, ছোপ
বিস্তারিত
পদ্মপ্রয়াণ
বিগত পুকুর ভরাট করে সূর্যমুখীর চাষ করেছি  সেদিন জলের টান ছিঁড়ে
বিস্তারিত
মেঘ যেখানে ছুঁয়ে যায়
অপরূপ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে সাজেক ভ্যালিতে দু-এক
বিস্তারিত