‘৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে পারবে বিএনপি’

জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রস্তুতির দরকার নেই জানিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আগামীকাল নির্বাচন হলেও বিএনপি ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে পারবে।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বুধবার দুপুরে খ্যাতিমান সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রস্তুতির দরকার নাই। প্রস্তুতির দরকার আছে শেখ হাসিনার। সব দল অংশগ্রহণ করতে পারবে, মানুষ ভোট দিতে পারবে এমন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বিএনপি। জনগণ সঠিকভাবে ভোট দিতে পারলে বিএনপিই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন হলে প্রস্তুতির দরকার নাই। তাদের তো র‍্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছেই। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ তেমন হয়নি অথচ সন্ধ্যার পর দেখি ৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরকম নির্বাচনে আবার কিসের প্রস্তুতি।’

জনগণের ভোটের নিরাপত্তা দিতে পারবে এমন ইসি গঠন করতে হবে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘আমরা শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন চাই। এজন্য সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এমন ইসি গঠন করতে হবে যারা জনগণের ভোটের নিরাপত্তা দিতে পারবে।’

সম্প্রতি শেষ হওয়া আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের চেয়ে বিএনপির কাউন্সিলে চার থেকে পাঁচগুণ বেশি লোক হয়েছিল দাবি করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ব্যাপক প্রস্তুতির পরও বিমানের টিকিট দিয়ে এবং বাস ভাড়া দিয়েও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫০ হাজার লোক সমাগম করতে পারেনি। অথচ বিএনপি ৪৮ ঘণ্টা আগে অনুমতি পেয়েও আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের চেয়ে চার থেকে পাঁচগুণ বেশি লোক এনেছিল।’

গণমাধ্যম সরকার ও মালিকপক্ষের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমগুলো মালিকপক্ষ ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। যার ফলে সংবাদকর্মীরা অনেক কিছু দেখেও না দেখার মত সংবাদ পরিবেশন করছেন।’

একই সভায় উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘উন্নত দেশে যে গণতন্ত্র আছে, সেখানে সরকার প্রধান একজন আর দলীয় প্রধান অন্য আরেকজন হয়। বিশ্বের বড় বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই এই ব্যবস্থা বিদ্যমান। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবার জন্য এই ব্যবস্থা প্রয়োজন। দুই পদে একজন হলে কোনো পার্থক্য থাকে না, দলীয় নেতাকর্মীরাই সরকারের কর্মকর্তা হয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুটি শীর্ষ পদে একই ব্যক্তি হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। ভবিষ্যতের জন্য সরকারপ্রধান একজন ও দলের প্রধান অন্যজন থাকবে। তবেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম এ হালিমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয়তাবাদী বন্ধু দলের সভাপতি শরীফ মোস্তফা জামান প্রমুখ।


সংসদ থেকে মাশরাফিকে নোটিশ
মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছাড়াও
বিস্তারিত
তারেককে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার জন্য বিএনপি দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন
বিস্তারিত
খালেদা জিয়ার মুক্তিতে আওয়ামী লীগ
কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন- খালেদা জিয়ার
বিস্তারিত
আইভী রহমানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আজ আওয়ামী লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি
বিস্তারিত
‘এই ‌সরকারের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে
বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে সরকারের বিরুদ্ধে উত্তাপ চলছে বলে মন্তব্য করেছেন
বিস্তারিত
প্রয়াত মোজাফফরের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ)
বিস্তারিত