প্রসঙ্গ লেখালেখি

গহনলোকে খান্ডবদাহন

লেখককে দাঁড়াতে হয় এই বৌদ্ধিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে। চলতে হয় ভাটির বিপরীতে, উজানের টানে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই লেখক হয়ে পড়েন একদম একা। কখনও কখনও লেখক নিজেও বেছে নেন স্বেচ্ছানির্বাসন। স্বরচিত নিঃসঙ্গতার ঘেরাটোপে আটকে ফেলেন নিজেকে

লেখালেখিটা অনেকদিন থেকেই থমকে আছে; এ কি বিরতি, নাকি বিশ্রাম, নাকি চিরকালের জন্যই থেমে যাওয়া? তাহলে কি আমার যাত্রাপথ এ পর্যন্তই? অসম্ভব। এত দ্রুত পরিণতি মেনে নিয়ে হাত গুটিয়ে ফেলার অর্থ তো অকালমৃত্যুকে আন্তরিক আমন্ত্রণ! অথচ ‘মৃত্যুর প্রতি আমার কোনো দায়বদ্ধতা নেই, মৃত্যুর সঙ্গে কস্মিনকালেও কোনো চুক্তি তো করিনি... মূলত দায়বদ্ধতা পরাভব স্বীকারের প্রতিশব্দ ছাড়া আর কী? আমি মৃত্যুর মতো জিঘাংসুর কাছে পরাভব মানি না।’
তাহলে কি আমার লেখালেখি নতুন কোনো বাঁক পেরোনোর জন্য উন্মুখ? ভারী বর্ষণের আগে যেমন আকাশে শ্রাবণের জলভারানত মেঘগুলো কিছুক্ষণের জন্য থমকে দাঁড়ায়! কিন্তু লেখালেখির গতিপথে নতুন প্রকরণ, নতুন বাঁক সৃষ্টি বিষয়টা কি এতই সরল? সাহিত্যের ইতিহাস তো সেটা বলে না। কখনও কখনও নতুন বাঁক সৃষ্টিতে এক শতাব্দীও পেরিয়ে গেছে। এ বাস্তবতা শুধু বাংলা সাহিত্যেরই নয়, গ্রাহ্য প্রায় সব ভাষার সাহিত্যেরই। রবীন্দ্রনাথ যেমন বলেছেন, ‘সাহিত্য চালাকি নয়’, তেমনি পুরোপুরি সাহিত্যিক সততা নিয়ে সৃজনশীলতার আন্দোলন কিংবা নতুন বাঁকপ্রকরণের জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়। তন্নিষ্ঠ হয়ে থাকতে হয় সাধনায়। কিন্তু এ ম্যাকডোনালাইজেশন যুগে লেখকের সে অপেক্ষার অবকাশ কোথায়? আজকের লেখকরাই সবচেয়ে বড় মিডিওকার। মিডিয়ার অনুগ্রহ ও আনুকূল্য পেতে লেখকরা পুচ্ছ তুলে খ্যামটা নাচ নাচছেন। স্বমেহন ও আত্মরতির উল্লাসে নির্লজ্জতার সর্বশেষ সীমাও পেরিয়ে গেছেন লেখকরা। দেশপ্রেম ও দায়বদ্ধতার ভগ্নাংশটুকুও আজ আর অবশেষ নেই।
পাঠক, মনে হতে পারে এ গড়পড়তা মন্তব্য, কারও কারও কাছে বিষোদগার বলেও বোধ হতে পারে। আসলে তা নয়। এ আত্মস্বত্বের ভাঙাচুরা দর্পণে নিজেরই মুখশ্রী দেখা। নিজের লেখালেখি নিয়ে যখন কথা পাড়তে বসেছি, তখন একটার পর একটা প্রশ্ন উঠে এসে ক্ষমাহীন অনুকম্পায় জর্জরিত করে ফেলছে। মনে পড়ছে ভার্জিনিয়া উল্ফের একটি প্রবুদ্ধ বচন ‘লেখা, শৈল্পিক সৃষ্টি, সম্ভবত বুনোহাঁসের পশ্চাদ্ধাবন ছাড়া বেশি কিছু নয়।’ আর এ বুনোহাঁসের পেছনে ছুটে ছুটে যারা গলদঘর্ম হতে চায়, লেখক আমরা তাদেরকেই বলি। শিল্প, একমাত্র শিল্প ছাড়া লেখকের উদ্দিষ্ট নয় আর কিছুই। শিল্পের প্রতি আমগ্ন সমর্পণ লেখকের জীবনকেও শিল্পিত করে তোলে। প্রকৃত লেখকের শিল্পপিপাসা মেটে না কখনই। জীবনের কোনো এক মোড়ে গিয়ে যদি লেখালেখি তার থেমেও যায়, তবু যাপিত জীবনে শিল্পের অভীপ্সা উত্তুঙ্গ থাকে। অস্কার ওয়াইল্ড যেমন বলেছিলেন, ‘আমি আর বাকি জীবনে শিল্পচর্চা করব না, কেননা জীবনকেই আমি শিল্পে রূপান্তরিত করেছি।’ কিন্তু আমরা যারা ছাপোষা-সাধারণ মানুষ, আমাদের জীবন সবসময়ই শিল্পের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কেননা জীবন জীবিকার ওপর নির্ভরশীল, আর জীবিকা চিরায়ত ক্ষমাহীন বিরুদ্ধতায় জীবনকে সরিয়ে নিয়ে যায় শিল্প থেকে অনতিক্রম্য দূরত্বে। সত্যিকারের লেখককে জীবন ও জীবিকা তথা শিল্প ও শিল্পহীনতার দ্বন্দ্ব মেটাতে হয় পরাক্রমী ব্যক্তিত্বে, নিরাপোষ শিল্পবোধে। এ দ্বন্দ্ব চলে তার জীবনভর; সৃজনযাত্রায় বহু প্রশ্ন এসে তার সামনে দাঁড়ায়, তীব্রতম বিষাদবোধ তাকে আচ্ছন্ন করে। গহনলোকে এমন খা-বদাহনের অপর নামই বোধহয় লেখালেখি।

২.
লেখককে দাঁড়াতে হয় এই বৌদ্ধিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে। চলতে হয় ভাটির বিপরীতে, উজানের টানে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই লেখক হয়ে পড়েন একদম একা। কখনও কখনও লেখক নিজেও বেছে নেন স্বেচ্ছানির্বাসন। স্বরচিত নিঃসঙ্গতার ঘেরাটোপে আটকে ফেলেন নিজেকে। আন্ডারগ্রাউন্ডে আত্মগোপনে থাকা বিপ্লবীর মতো রচে যান বিপ্লবের ইশতেহারমালা। সমকালীন সময় ও সমাজ তাকে কানাকড়িও মূল্য না দিতে পারে, কিন্তু ভাবীকাল তার জন্য অপেক্ষা করে থাকে।
কিংবা ভাবীকাল অপেক্ষা না-ই বা করুক, চলমান জীবন তো আনন্দময় হয়ে ওঠে! কেটে গেল কত বিষণœকাল। জীবনকে ভিজিয়ে দিয়ে যায় বারবার কেবলই বিষাদবৃষ্টি। জানি না এখনই পেছন ফিরে তাকানোর সময় এসেছে কিনা, কিন্তু বিগত স্ফিংসকালের তপ্ত আঁচ শরীরে এখনও টের পাই। সমস্ত সম্ভাবনার মাথা মুড়িয়ে লেখালেখিতে এসেছিলাম, কিন্তু লাভটা কী হলো? এক কদমও তো সামনে এগোতে পারলাম না। যে বিন্দু থেকে শুরু করেছিলাম, এখনও দাঁড়িয়ে আছি সেখানেই। যদি মৌলিক কিছু সৃষ্টিই না করতে পারি, তবে লেখালেখিটা এখনই থামিয়ে দেয়া উচিত।
যদিও একেবারে মৌলিক বলে পৃথিবীতে কিছু নেই! এমনকি মানুষের মানবিক বোধ, আবেগ, অনুভবরাজিও। জার্মান মহাকবি গ্যাটে যেমন বলেছেন, ‘কেবল নিজের পায়ে হেঁটে অতি উঁচু মাপের পথিকও খুব বেশিদূর এগোতে পারে না। অগ্রজের ব্যবহৃত পথের ওপরই চলছে আমাদের সানন্দ-বিহার। অন্যে যে বীজ বুনে গেছে, হাত বাড়িয়ে তার ফসল আহরণ করার অধিক আমি আর কিছু করিনি।’ কোনো লেখকই ভুঁইফোঁড় নন, প্রত্যেকেই বহন করেন এক সমৃদ্ধ সাহিত্যিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারÑ এমনকি আমার মতো নগণ্যতম লেখকও। আমি যখন কৃষ্ণলিপিতে ভরিয়ে তুলতে মগ্ন পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা, তখন টের পাই সমস্ত পূর্বপুরুষ আমার চারপাশে নিঃশব্দে এসে দাঁড়িয়েছেন।
অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আমি এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠদের একজন। অনাকাক্সিক্ষত অনেক কাজই করতে হয় বেঁচে থাকার তাগিদে। লেখালেখির জন্য অনেক কষ্ট করে বের করতে হয় সময়ের ফাঁকতাল। উপেক্ষা করতে হয় শারীরিক ক্লান্তিজনিত অবসাদ। এমনিতেই লেখালেখি অত্যন্ত পরিশ্রমসাপেক্ষ। আমরা যারা তৃতীয় বিশ্বের লেখক, টিকে থাকার লড়াই আমাদের জন্য অনিবার্য। নানারকম পীড়নের শিকার হতে হয় আমাদের সামাজিক, রাষ্ট্রনৈতিক, বৈশ্বিক; অর্থ ও রাজনীতিকেন্দ্রিক। কখনও কখনও পরিবারও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। অন্যদিকে আছে ধর্ম, প্রথা ও সংস্কারের শেকল। এ সবকিছুই লেখককে একটা বামনে পরিণত করতে চায়।
কিন্তু বামনলেখকও তো আছে। সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন নপুংসকপ্রায় লেখক। আপসকামিতাই যাদের আরাধনা। আপস ধর্মের সঙ্গে, প্রথার সঙ্গে, সংস্কারের সঙ্গে, সমাজ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে। অথচ লেখকরাই পৃথিবীর খাপ-না-খাওয়া বৃহত্তম জনগোষ্ঠী। একজন প্রকৃত লেখকের অবস্থান সবসময়ই ধর্ম, প্রথা, সংস্কার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বান্দ্বিক। লেখকের সাংঘর্ষিক ইচ্ছারথ ছুটে চলে ব্যক্তিস্বাধীনতার ধ্বজা উড়িয়ে। কিন্তু বামনলেখকদের ব্যক্তিস্বাধীনতা বলে কিছু থাকে না। সামান্য সুবিধার লোভে ব্যক্তিত্ব ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে বিকিয়ে ফেলে তারা। এদের লেখালেখি হয়ে পড়ে প্রচলিত জনরুচির কার্বন কপি। স্বভাব হয়ে ওঠে গৃহপালিত ভেজা বেড়ালটার মতো। এদের রচনা চিন্তাকে জাগিয়ে তোলে না, ঘুম পাড়িয়ে রাখে। আবু হাসান শাহরিয়ার যেমন কবিতায় বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদরা যখন ঘুমায়, কবিরা তখন জেগে থেকে দেশকে পাহারা দেয়।’ এই পাহারাদার কবিশ্রেণী এরা অন্তত নয়।

৩.
আমার সাম্প্রতিক চিন্তার চর এসকল ভাবনারাশিই দখল করে আছে। ফলে এ সময়ের লেখালেখিতে সেসবের সুস্পষ্ট ছাপ পড়ে যাচ্ছে। আমার বর্তমান যদি এতটা বিপর্যস্ত হয়, তবে ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে? প্রতিমুহূর্তে অস্তিত্বের সংকটে ভুগছি আমি। আমার বিপুল পড়াশোনা আর নিরন্তর লেখালেখি কি আমাকে অস্তিত্ববান করে রাখতে পারবে? ফিরিয়ে দিতে পারবে মানুষ হিসেবে আমার সমূহ সম্ভাবনা?
তবু লিখব। আয়ুর সবটুকু নিঃশেষ করেও লিখে যাব। গল্প, গদ্য, কবিতা, উপন্যাস। জীবনকে অর্থবহ করার আর তো কোনো পথ সামনে নেই আমার। বিবিধ লেখার পরিকল্পনা মাথার ভেতরে জট পাকিয়ে তুলছে। গত বছর একটি ননফিকশন লিখেছিলাম ‘আশ্চর্য মেঘদল ও প্রণয়ের খোলাচিঠি’; রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সোনার দেশ-এর ঈদসংখ্যায় বেরিয়েছে লেখাটা। এ বছর লিখছি আরেকটি ননফিকশন ‘পৌষের পত্রাবলী’। সঞ্চয়ে তিনটা গল্প ছিল ‘মেঘ উড়ে যায়’, ‘তামসিক সূর্যটার গল্প’ ও ‘উৎসব’। কয়েকটা কাগজ চেয়ে নিয়েছে। নতুন গল্পে হাত দিয়েছি ‘একজন অবিশ্বাসী ও তার অপমৃত্যু’। নতুন গদ্যটাও দু-তিন পাতার পর আটকে আছে, শিরোনাম ‘বিজন অবসরের দুপুর ও নিঃসঙ্গ ডাহুকের ডাক’। গত কাব্যগ্রন্থে যে ধারার কবিতা সংকলিত হয়েছিল, চেষ্টা করছি তা থেকে ভিন্নধারার কবিতা লিখতে। একটি সিরিজকাব্য লিখছিÑ ‘পূর্বমেঘ সিরিজ’। এ সিরিজের প্রথম তিনটি কবিতা রাজা সহিদুল আসলাম সম্পাদিত ‘চালচ্চিত্র’র গত সংখ্যায় বেরিয়েছে। এ মুহূর্তে আমার অনুপ্রেরণা প্রিয় কবি মাসুদার রহমানের ‘উত্তরবঙ্গ সিরিজ’ ও ‘সমুদ্র সিরিজ’। এছাড়াও বেশ ক’টি কবিতা অসম্পূর্ণ পড়ে আছে। উপন্যাসে হাত দেয়ার গূঢ় আকাক্সক্ষা আছে, তবে আপাতত নয়।
আমার সমকালে যারা লিখছে, তারা সবাই আমার নিকট বান্ধব; এবং আমার মনে হয়, তাদের সবার ভেতরে আমার লেখার হাতই সবচেয়ে দুর্বল। এ কোনো আবেগায়িত মন্তব্য নয়, বরং নিজের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে কাষ্ঠ অনুভব। এ সময়ের তরুণদের ভেতরে অনেকেরই লেখার হাত আশ্চর্য রকমের পক্ব। একটা বিপুল অঙ্কের তরুণ বাংলাদেশের সাহিত্যকে আমূল অস্তিত্বসহ কাঁপিয়ে দিচ্ছে। একজন তরুণ লেখকও প্রথাগত নয় না লেখায়, না চিন্তায়, না জীবনচর্চায়। বাংলা সাহিত্যে যে স্থবিরতা চলছে, আত্মম্ভরী পুনরাবৃত্তিময়তার যে নির্লজ্জ খেলা চলছে, কেবলমাত্র সংঘবদ্ধ তরুণ লেখকদের পক্ষেই সম্ভব তার অবসান ঘটানো।
যদিও লেখালেখি সংঘবদ্ধকর্ম নয়। আমিও নেই কোনো সংঘে, কোনো সংগঠনে, নেই কোনো দশকে। চলমান দশকচর্চার পুরোপুরি বিপরীত বিন্দুতে দাঁড়িয়ে আছি। দশকের নামে গোষ্ঠীবদ্ধতা, লেখকদের ভেতরে অকারণ বিরোধ সৃষ্টিকে তীব্রভাবে প্রতিহত করতে চাই। কেউ কেউ তো নির্দিষ্ট দশক বেছে নিয়ে তার স্বঘোষিত সরদার হয়ে উঠছেন। নিজ সম্পাদনায় সেই দশকের সংকলনও বেরোচ্ছে। আমার বক্তব্য সুস্পষ্ট বাংলা সাহিত্যের বিরুদ্ধে এ এক সুস্পষ্ট ষড়যন্ত্র। এই বিভেদ আমাদের সাহিত্যকে নীরক্ত, ভঙ্গুর আর সম্ভাবনাহীন করে ফেলছে। বাংলা সাহিত্যকে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত করার সময়। অগ্রজদের অর্জনকে এভাবে ধূলিসাৎ করার কোনো অধিকার আমাদের নেই। যদি কখনও এই বোধ আমাদের মানসিক বদ্ধতাকে উন্মুক্ত করতে পারে, তবে সেদিনই বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণসময় সূচিত হবে। আমি তো সেদিনের আকাক্সক্ষাতেই নিজেকে প্রস্তুত করে চলেছি!


সাহিত্যের বর্ণিল উৎসব
প্রথম দিন দুপুরে বাংলা একাডেমির লনে অনুষ্ঠিত হয় মিতালি বোসের
বিস্তারিত
নিদারুণ বাস্তবতার চিত্র মান্টোর মতো সাবলীলভাবে
এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারতের প্রখ্যাত পরিচালক নন্দিতা দাস
বিস্তারিত
পাখি শিকারিদের পা
অর্ধমৃত চোখটি পাহারা দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে অন্য চোখ।
বিস্তারিত
এমনই নিশ্চিহ্ন হবে একদিন
এমনই নিশ্চিহ্ন হবে সব চিহ্ন একদিন মুছে যাবে অক্ষত ক্ষতচিহ্ন, ছোপ
বিস্তারিত
পদ্মপ্রয়াণ
বিগত পুকুর ভরাট করে সূর্যমুখীর চাষ করেছি  সেদিন জলের টান ছিঁড়ে
বিস্তারিত
মেঘ যেখানে ছুঁয়ে যায়
অপরূপ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে সাজেক ভ্যালিতে দু-এক
বিস্তারিত