চিকিৎসক হওয়ার পথে

ঢাকার মিরপুরের ১৪নং সড়ক পার হতে চোখে পড়ল একদল অ্যাপ্রন পড়া শিক্ষার্থী। হতচকিত খাওয়ার মতো অবস্থা। এখানেও কি মেডিকেল কলেজ আছে? এমন প্রশ্নের উত্তর এলো মার্কস মেডিকেল কলেজে পড়া শিক্ষার্থী রাসেলের কাছ থেকে। তিনি জানান, এ মেডিকেল কলেজেই পড়ছেন তৃতীয় বর্ষে। রাসেলের বন্ধুদের কাছ থেকে আরও জানা গেল, ২০১১ সালে মার্কস মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কস গ্রুপের নিজস্ব হাসপাতাল সংলগ্ন ক্যাম্পাসে মার্কস মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হয় সে বছর।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ হিসেবে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক ডা. এম মাসুদুর রহমান খান। একজন সফল মানুষ হিসেবে অধ্যাপক ডা. এম আর মার্কস গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন, যার অধীনে অনেক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
নতুন মেডিকেল কলেজ, নতুন করে শুরু করা যাত্রা। শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হয় কিনা, এমন প্রশ্নে বর্তমান শিক্ষার্থী রাফি বলেন, না। আমাদের সবই আছে। নিজেদের হাসপাতাল আছে। সমৃদ্ধ আধুনিক গ্রন্থাগার আছে। এখানে পর্যাপ্ত অভিধান, সহায়ক গ্রন্থ, পাঠ্যবই, স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল, ম্যাগাজিন ও দৈনিক পত্রিকা রয়েছে। পড়াশোনার প্রসঙ্গে আরও যুক্ত হন মাহমুদ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় খারাপ করলে অভিভাবকদের ডেকে তাদের উন্নতির জন্য পরামর্শ দেয়া হয়। আর বিভিন্ন সেশনে পাস করে পরবর্তী সেশনে উন্নীত হতে হয়। যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সব কলেজের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে পরীক্ষা হয় তাই কোনো শিক্ষার্থীর পাস না করে পরবর্তী সেশনে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ নেই, পড়শোনা করেই তাদের পাস করতে হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল ব্যবস্থা রয়েছে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা দেখভাল করে থাকেন। কলেজের অধ্যক্ষ মেজর জেনারেল প্রফেসর ডা. এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কের প্রতি যতœবান। শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা সম্পর্কে আমরা সচেতন। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি।’
কলেজের প্রশাসনিক বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা হয় মার্কস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মার্কস মেডিকেলের পরিচালক তারিক মাসুদ খানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য করণীয় সবকিছু করছি। তাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষ করার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্স চালু করেছি। সরকার নির্ধারিত গরিব, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ শতাংশ ফ্রি কোটা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং উপজাতীয় কোটাসহ সব কোটা পূরণ করে থাকি।’
দেশে স্বাস্থ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা ও ব্যাপক চিকিৎসকের চাহিদার কথা বিবেচনা করে সরকার বেসরকারি খাতে মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয় এবং ১৯৯০-এর দশকে এ দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ আত্মপ্রকাশ করে। তারই ধারাবাহিকতায় একুশ শতকের স্বাস্থ্য শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে মার্কস মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হয়।  ম


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত