স্বনির্ভর পেশায় ধরে রাখুন মোটিভেশন

আর নয় বসের অধীনে থাকা। এবার বাইরের পৃথিবীতে পা রাখার সময় আপনার। হোক সে পৃথিবী অনেক খারাপ, প্রতিযোগিতাপূর্ণ, কঠিন, তবু নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে আপনাকে। স্বনির্ভরতা যখন আপনার সিদ্ধান্ত, তখন ঝুঁকি তো নিতেই হবে।
নেতৃত্ব নিজের হাতে নেয়া নিঃসন্দেহে অনেক বড় দায়িত্ব। ভয় লাগাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেজন্য তো স্বপ্ন থেকে দূরে সরে যাওয়া যাবে না, তাই না? আত্মনির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানে নিজেকে মোটিভেশন দিতে হয় নিজেরই। আসুন জেনে নিই, কীভাবে নিজেই নিজেকে মোটিভেটেড রাখতে পারবেন সারাক্ষণ।
নিজেকে জানুন : আপনার মাঝে লুকিয়ে আছে অসীম ক্ষমতা। সেই ক্ষমতাকে চিনুন। বাজারে এখন প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। সবাই নিজের আলাদা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে আগ্রহী। খেয়াল করে দেখুন, মাঠে সবাই নামে। কিন্তু সবাই টিকে থাকতে পারে না। টিকে থাকার জন্য চাই ধৈর্য, কৌশলী মন। আপনার যদি একজন দুর্দান্ত ব্যবসায়ী হওয়ার মানসিকতা থাকে, তাহলে কোনোভাবে যেন এর কম ব্যবহার না হয়। আবার যদি সেটা না থাকে, তাহলে নিজেকে গড়ে তুলতে শ্রম দিতে হবে। আত্মবিশ্বাস আপনার নিজের ভেতর থেকেই আসবে। যখন আপনি নিজেকে চিনবেন, জানবেন আপনাকে কি করতে হবে, তখন আপনাকে কেউ হারাতে পারবে না।
নিয়মানুবর্তিতা : একজন নেতার জন্য নিয়মের গন্ডিতে আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি সব কাজ যত সময়মতো করতে থাকবেন, তত আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকবে। আপনার কোনো কাজ জমে থাকবে না। এভাবে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে বহুগুণে।
প্রতিদিন রাতে নিজের একটি রুটিন করুন। কীভাবে পরদিন কাজ করবেন, কখন কী করবেন ঠিক করুন। দিনশেষে যখন মিলিয়ে দেখবেন সব কাজ ঠিকমতো করতে পেরেছেন, তখন পরদিন কাজ করার স্পৃহা আরও বেড়ে যাবে। আর কারও কাছ থেকে নিজের শ্রমের স্বীকৃতির প্রয়োজন হবে না আপনার। নিজেই নিজেকে বলবেন ‘শাবাশ’!
নিজেকে মনে করিয়ে দিন, কেন কী করছেন
চাকরিজীবন থেকে স্বনির্ভরতার সংগ্রামে আপনি নিজেই নিজেকে নিয়ে এসেছেন। এখানে আপনার কোনো বস নেই বলে আপনি যদি হালকা চালে চলা শুরু করেন, তাহলে কিন্তু বিপদ! সময় পেরিয়ে যাবে, বছর শেষে আপনার মনে হবে কিছুই করা হলো না। তখন মনে হবে, সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল।
আপনার সিদ্ধন্তটি খুবই সাহসী। কিন্তু একে সফল করতে হলে হতে হবে পরিশ্রমী। নিজেকে সারাক্ষণ মনে করিয়ে দিন আপনার উদ্দেশ্য, নিজেই নিজেকে সজাগ রাখুন। একটা টার্গেট ঠিক করুন। সেটা এমন জায়গায় লিখে রাখুন, যাতে সবসময় চোখে পড়ে।
বড় হোন : এই বড় হওয়া শরীরে, বয়সে বা মননে নয়। সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো নিজের যোগাযোগের গন্ডিকে বাড়ানো। আপনার নেটওয়ার্ক বড় করুন। নিজেকে ছড়িয়ে দিন অনেক মানুষের মাঝে। নিজের গল্প বলুন। অবশ্যই পজেটিভ গল্প, যা অন্যকে উদ্বুদ্ধ করে। মানুষকে শুধু ব্যবসায়িক দিক থেকে নয়, আবেগের দিক থেকেও নিজের সঙ্গে যুক্ত করুন।
বড় হোন, পরিপক্ব হোন। নিজেকে প্রকাশ করুন উজ্জ্বল করে, আপনার ব্যবসার ভবিষ্যৎও উজ্জ্বল হবে।
উৎসাহব্যঞ্জক বই : নিজেকে সবসময় মোটিভেটেড রাখতে ভালো বইয়ের বিকল্প নেই। স্বনির্ভর মানুষের গল্প পড়ুন। তাদের বক্তব্য, জীবনদর্শন জানুন। দেখবেন আপনার সাহস বেড়ে গেছে অনেকগুণ। ঝুঁঁকি নেয়ার মানসিক ক্ষমতাও বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বড় কথা, এসব বই আপনাকে জানাবে কীভাবে শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হয়! কীভাবে কিছু মানুষ আপনার চেয়ে খারাপ অবস্থায় থেকেও আজ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। কিছু মোটিভেশনাল উক্তি লিখে রাখুন, যখন দুর্বল বোধ করবেন, তখন পড়বেন।


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত