বই পরিচয় করায় অনেক জানা-না জানা সংস্কৃতির সঙ্গে, পরিস্থিতির সঙ্গে। ফলে একই সময়ে কয়েকটি চরিত্রকে তার মতো উপলব্ধি করে রূপায়ণের ক্ষমতা তৈরি হয় আপনার এবং ধীরে ধীরে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন ভালো লেখক

বই পড়ার যত উপকারিতা

বই পড়া নাকি খুব ভালো। বই আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে, অনুভূতিকে সতেজ রাখেÑ এমন আরও অনেক উপকারের কথাই শোনা যায় বই পড়া নিয়ে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আসুন জেনে নিই সেসব গবেষণার কথা, যা আমাদের কাছে বই পড়ার প্রকৃত উপকারিতা প্রমাণ করে।
জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে : বই আমাদের সামনে তুলে ধরে নানা ধরনের মানুষের গল্প। বই পড়ে জানা যায় কত কত জীবনের কথা, সেসব জীবনের হাসি-কান্না, ভালো থাকা, মন্দ থাকার কথা। অনেক বই আছে যেখানে সাহসী মানুষের জীবনের গল্প লেখা থাকে। কীভাবে একজন মানুষ একেবারে হেরে যাওয়া অবস্থান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়ান, কীভাবে যার কিছুই নেই সেই মানুষটিও শক্তিশালী মানুষে পরিণত হন তার বাস্তব গল্পও আমরা জানতে পারি। এ গল্পগুলো আমাদের পথ দেখায়। জীবনের লক্ষ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
ব্যক্তিত্ব গঠন করে : পড়াশোনা আমাদের ব্যক্তিত্ব যতটা গঠন করতে সক্ষম ততটা কি আর কোনো উপায়ে সম্ভব? জীবনের ঘটনাগুলো আমাদের অভিজ্ঞ করে, কৌশলী করে। কিন্তু একটি আকর্ষণীয় দৃঢ় ব্যক্তি হিসেবে নিজেক প্রকাশ করতে চাইলে আপনার জন্য পড়ার কোনো বিকল্প নেই। জ্ঞান হার মানায় বয়স, পদবি, বাহ্যিক সৌন্দর্যসহ অন্য সবকিছুকে।
চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করে : আপনি যত পড়েন তত জানেন এবং জানার সঙ্গে বদলে যায় আপনার দেখার চোখ। বদলে যায় বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা। প্রবাদ আছে, একজন অশিক্ষিত মানুষ কাদাকে দেখে শুধু ভেজা মাটি হিসেবে। আর এক জোড়া শিক্ষিত চোখ সেই কাদার মাঝে খুঁজে পায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণু-পরমাণু।
শব্দশক্তি : পড়াশোনা অবশ্যই আপনার ভাষাজ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে সক্ষম। আপনি যত পড়বেন তত নতুন শব্দ জানবেন। একই শব্দের ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহার জানবেন। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। কিন্তু একজন ব্যক্তি যার সাহিত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস, দর্শন কিছুই তেমন পড়া হয়নি তিনি হয়তো একজন পড়ুয়া ব্যক্তির জানা অনেক বাংলা শব্দ কখনও শোনেননি। আর আপনি যদি বাংলার পাশাপাশি ভিন্ন ভাষার বই পড়ার প্রতিও আগ্রহী হন তাহলে সেই ভাষার সব শব্দ চলে আসবে আপনার নখদর্পণে।
লেখার ক্ষমতা তৈরি করে : জীবনের গল্প আপনার মাঝে গল্প তৈরির ক্ষমতা দিতে পারে স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু সেই গল্পকে জীবন্ত করে লিখতে চান? আরও গল্প পড়–ন। নানা ধরনের লেখনী আপনার লেখার শক্তিকে সমৃদ্ধ করবে। অনেকটা আপনার অজ্ঞাতেই। আগেই যেহেতু আমরা জানলাম, পড়াশোনা আমাদের ভাষাজ্ঞান বাড়ায়, তাই এটি যে আপনার লেখক হওয়ার পথে আপনাকে এগিয়ে দিচ্ছে কয়েক ধাপ তা বোধ হয় ব্যাখ্যা করে বলার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে বই পরিচয় করায় অনেক জানা-না জানা সংস্কৃতির সঙ্গে, পরিস্থিতির সঙ্গে। ফলে একই সময়ে কয়েকটি চরিত্রকে তার মতো উপলব্ধি করে রূপায়ণের ক্ষমতা তৈরি হয় আপনার এবং ধীরে ধীরে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন ভালো লেখক।
বইয়ের বিকল্প একমাত্র বই। আর কিছু নয়, তাই নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। নিজেই আবিষ্কার করুন অন্য এক ব্যক্তিত্ববান মানুষকে আপনার মাঝে।


ক্যারিয়ার গঠনে পরামর্শ
প্রতি বছর কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির নতুন ডিগ্রিধারীরা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির
বিস্তারিত
‘তথ্যে তারুণ্যে নিত্য সত্যে’ প্রতিপাদ্য
‘তথ্যে তারুণ্যে নিত্য সত্যে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৯ সেপ্টেম্বর
বিস্তারিত
জাবির ২৫ শিক্ষার্থী জাপানে চাকরি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৫ শিক্ষার্থীকে
বিস্তারিত
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘টিআইবি-ডিআইইউ ইয়েস
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
বিস্তারিত
চট্টগ্রামে ১০ দিনব্যাপী রবি-দৃষ্টির বিতর্ক
চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে রবি-দৃষ্টির আয়োজনে ১০ দিনব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতা
বিস্তারিত
ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শীতকালীন সেমিস্টারের নবীনবরণ
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়
বিস্তারিত