কবিতায় ষড়ঋতু

রবীন্দ্রনাথ ছিলেন গ্রীষ্মজাতক; কিন্তু হৃদয় ছিল গহন বর্ষামগন। তার বিপুল সৃষ্টিতে, কী গান-কবিতা-গল্প, ঋতুরচনায় বোধ করি বর্ষারই প্রবল প্লাবন। আর কবি নির্মলেন্দু গুণ স্বয়ং বর্ষাজাতক। তাই বর্ষা একই সঙ্গে তার জননী, ভগিনী, কন্যা ও প্রেমিকা। বলা হয়, বর্ষা বাঙালির সবচেয়ে আপন ঋতু; বহু ভারতীয়রও। নইলে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে সংস্কৃত কবি কালিদাস মেঘদূতের মতো এমন আশ্চর্য কাব্য লিখলেন কেমন করে! আবার প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশ বর্ষাকাব্য লেখেননি বললেই চলে, বরং তিনি উপেক্ষিত হেমন্তের কবি। তবে তিনিও মেঘদূত অনুবাদের চেষ্টা করেছিলেন। নির্মলেন্দু গুণের ষড়ঋতুর কবিতার বই ‘ঋতুসমগ্র’র ফ্ল্যাপে এভাবেই বলেছেন কবি সৈকত হাবিব। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তবিষয়ক কবিতার এ বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা প্রকৃতি। প্রচ্ছদ করেছেন মোস্তাফিজ কারিগর। ১৪২ পৃষ্ঠার এ বইয়ের দাম ২৪০ টাকা।

পাওয়া যাবে : প্রকৃতি, কনকর্ড এম্পোরিয়াম, কাঁটাবন, ঢাকা।
 


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত