মুছে যাবে যাবতীয় কাতর সময়

তোমার কাতর দৃষ্টিতে আমিও কাতর হয়ে
মেঘের ডানা ঝাপটে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ি
অশ্রু হয়ে গলে পড়ে হৃদয় আমার
যেনো শাখাচ্যুত থোকা থোকা শুভ্র বকুল।

বেদনার আরশিতে ছায়া পড়ে নীরব-নিথর
যেনো মৃত্যুর হিমশীতল আহ্বানে
বধির আকাশ কালো ব্যাজ ছড়িয়ে দেয়
গোধূলিবেলায় সমগ্র পৃথিবীজুড়ে।

এখন মরণের চিহ্নের ভরপুর জনপদ-প্রান্তর
এখন ভয়ের ডানায় ভর করে সন্ধ্যা নামে,
রাত্রিগুলো কবরের অন্ধকারে গলা বাড়ায়
আর আমি অনুমোদিত কাতরতা নিয়ে অপেক্ষায় থাকি।

আমার অপেক্ষাগুলো সকালের প্রত্যাশায় থাকে
একদিন গোলাপের মতো চমৎকার সকাল-ফুটে
আলোকিত করবে আমার অদৃষ্ট সংসার।
এবং মুছে যাবে তোমার যাবতীয় কাতর সময়।

 


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত