মুছে যাবে যাবতীয় কাতর সময়

তোমার কাতর দৃষ্টিতে আমিও কাতর হয়ে
মেঘের ডানা ঝাপটে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ি
অশ্রু হয়ে গলে পড়ে হৃদয় আমার
যেনো শাখাচ্যুত থোকা থোকা শুভ্র বকুল।

বেদনার আরশিতে ছায়া পড়ে নীরব-নিথর
যেনো মৃত্যুর হিমশীতল আহ্বানে
বধির আকাশ কালো ব্যাজ ছড়িয়ে দেয়
গোধূলিবেলায় সমগ্র পৃথিবীজুড়ে।

এখন মরণের চিহ্নের ভরপুর জনপদ-প্রান্তর
এখন ভয়ের ডানায় ভর করে সন্ধ্যা নামে,
রাত্রিগুলো কবরের অন্ধকারে গলা বাড়ায়
আর আমি অনুমোদিত কাতরতা নিয়ে অপেক্ষায় থাকি।

আমার অপেক্ষাগুলো সকালের প্রত্যাশায় থাকে
একদিন গোলাপের মতো চমৎকার সকাল-ফুটে
আলোকিত করবে আমার অদৃষ্ট সংসার।
এবং মুছে যাবে তোমার যাবতীয় কাতর সময়।

 


পাঠক কমছে; কিন্তু সেটা কোনো
দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক
বিস্তারিত
মনীষা কৈরালা আমি ক্যান্সারের প্রতি কৃতজ্ঞ,
ঢাকা লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিন ৯ নভেম্বরের বিশেষ চমক ছিল
বিস্তারিত
এনহেদুয়ান্নার কবিতা ভাষান্তর :
  যিশুখ্রিষ্টের জন্মের ২২৮৫ বছর আগে অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৪ হাজার
বিস্তারিত
উপহার
  হেমন্তের আওলা বাতাস করেছে উতলা। জোয়ার এসেছে বাউলা নদীতে, সোনালি
বিস্তারিত
সাহিত্যের বর্ণিল উৎসব
প্রথম দিন দুপুরে বাংলা একাডেমির লনে অনুষ্ঠিত হয় মিতালি বোসের
বিস্তারিত
নিদারুণ বাস্তবতার চিত্র মান্টোর মতো সাবলীলভাবে
এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারতের প্রখ্যাত পরিচালক নন্দিতা দাস
বিস্তারিত