আইইউবিএটিতে পড়তে চাইলে

আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। দেশীয় অর্থনীতির মূল জোগান আসে কৃষি থেকেই। সে বিবেচনায় কৃষিতে দক্ষ জনশক্তি এখনও হাতেগোনা। এ অপ্রতুলতা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। পড়াচ্ছে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অ্যাগ্রিকালচার। লক্ষ্য হলো, কৃষি অর্থনীতিকে বেগবান করা। তবে এখানেই শেষ নয়, বিশ্ববিদ্যালয়টি আরও ক’টি বিষয়ে স্নাতক পড়াচ্ছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ), ব্যাচেলর অব কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিংসহ আরও কয়েকটি বিষয়।
ভর্তি প্রক্রিয়া : স্নাতক ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা পর্যায়ে ন্যূনতম জিপিএ-২ থাকতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে গ্রেড পয়েন্ট ২ থাকলে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কৃষি ও নার্সিং ডিপ্লোমা, জিইডি বা সমমানের রেজাল্ট থাকতে হবে। নার্সিং প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান থাকতে হবে। এমবিএ পর্যায়ে যে কোনো বিষয়ে ৪ বছরের ব্যাচেলর বা মাস্টার্স ডিগ্রি অথবা ৪ বছরের অনার্স অথবা ৩ বছরের পাস ডিগ্রিতে দ্বিতীয় বিভাগ থাকতে হবে। অসচ্ছলদের জন্য আছে আর্থিক সহযোগিতার সুযোগ, যেমন ফুল বোর্ড শিক্ষাবৃত্তি, অনুদান, ফি মওকুফ, ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বৃত্তি, ডেফার্ড পেমেন্ট, ক্যাম্পাস জব, সম্পূরক আয়ের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।
বছরে রয়েছে তিনবার ভর্তির সুযোগ : বছরে তিনবার ভর্তির সুযোগ আছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্প্রিং, সামার ও ফলÑ এ তিন সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ‘স্প্রিং’য়ের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে। এপ্রিল-মে ‘সামার’ ও আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শুরু হয় ‘ফল’ সেশনে ভর্তি প্রক্রিয়া। ভর্তি ফরম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাডমিশন অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ক্রেডিট ট্রান্সফার ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ : ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৯৬টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে ইউরোপ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং চীনের বেশ ক’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগ রয়েছে। আইইউবিএটির গ্রাজুয়েটরা বিশ্বের যে কোনো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আছে স্নাতকোত্তর করার সুযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ও রেজিস্ট্রার ড. মোঃ আবদুল জব্বার বলেন, ‘আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয় সফলতার ২৫ বছর পূর্ণ করেছে। আমাদের লক্ষ্যও অনেকটা অর্জিত হয়েছে। যোগ্যতাসম্পন্ন এবং পেশাদারি উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী সব শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আয়ের নিরিখে যথোপযুক্ত শিক্ষা অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করে দেয়া আমাদের অন্যতম একটি লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে প্রতিটি গ্রাম থেকে একজন করে পেশাদারি গ্রাজুয়েট তৈরির জন্য আমরা কাজ করছি। সে হিসেবে আর কয়েকটি উপজেলা বাকি আছে।’


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত