ইসরাইল কি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র হতে দেবে?

গোটা বিশ্ব যখন একাধিক সংকট নিয়ে ব্যস্ত, ইসরাইল তখন অধিকৃত এলাকায় বসতি বাড়িয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সম্ভাবনা ম্লান করে দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক কোয়ার্টেট এবার তার কড়া সমালোচনা করে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে।
ইসরাইলের আসল মতলব কী? সে দেশের বেশ ক’জন মন্ত্রী খোলাখুলি বিবৃতি দিয়ে চলেছেন যে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বপ্ন কখনোই বাস্তব হবে না। খোদ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০১৫ সালের মার্চ মাসে নির্বাচনী প্রচারের সময় অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পত্তন হবে না। পরে অবশ্য তিনি আবার দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানসূত্র মেনে নিয়েছিলেন।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে জাতিসংঘের বিশেষ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ নিরাপত্তা পরিষদে আন্তর্জাতিক কোয়ার্টেটের এক রিপোর্টের খসড়া পেশ করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে যে সমাধানসূত্র তুলে ধরা হচ্ছে, তার মূল ভিত্তিই হলো স্বাধীন ইসরাইলের পাশাপাশি এক স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গড়ে তোলা। অথচ অধিকৃত এলাকায় ইসরাইলের বসতি নীতির ফলে সেই লক্ষ্য আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে রিপোর্টের খসড়ায় কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, এতকাল পর আবার মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলাপ-আলোচনার গুরুত্ব কতটা? কারণ আইএসের উত্থান, সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধসহ একাধিক সংকটের আড়ালে চলে গিয়েছে ইসরাইলি-ফিলিস্তিনি সমস্যার কথা। চরম আশাবাদী মানুষও সেই সংকটের সমাধানের আশা ছেড়ে দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কিছুদিন পরেই বিদায় নিতে চলেছেন। রাশিয়া ও ইউরোপ যে যার নিজস্ব সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত। ইসরাইলের কট্টরপন্থী সরকার ফিলিস্তিনিদের কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। এ অবস্থায় শান্তির সম্ভাবনা আদৌ আছে কি?
কূটনৈতিক মহল অবশ্য কোয়ার্টেটের এ রিপোর্টকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ এর পেছনে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে। ওবামা ও নেতানিয়াহু যে পরস্পরকে একেবারেই পছন্দ করেন না, শুরু থেকেই তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও মার্কিন প্রশাসন এতকাল ইসরাইলের ওপর শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য তেমন চাপ সৃষ্টি করেনি।
কোয়ার্টেটের রিপোর্টে ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশে অবিলম্বে কিছু পদক্ষেপ নেয়ার ডাক দিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ইসরাইলকে পশ্চিম তীরের অধিকৃত এলাকার একটা বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়ার কথা। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে হিংসা বন্ধ করতে পদক্ষেপ নেয়া।
 রয়টার্স


সালাত মোমিনের আশ্রয় ও অবলম্বন
কতই না মহান এর মর্যাদা। কি সমুচ্চ এর অবস্থান। এটি
বিস্তারিত
বিশুদ্ধ মাতৃভাষায় বেড়ে উঠুক আমাদের
ভাষার মাস শেষ হওয়ার পথে। এ মাসে আমাদের মাতৃভাষার প্রতি
বিস্তারিত
হায় আওরঙ্গজেবের ভারত!
মুসলিম শাসনামলে ভারতের সাধারণ হিন্দু, পুরোহিত, ধর্মনেতা ও ধর্মালয়গুলো “বিশেষ
বিস্তারিত
টঙ্গীর আন-নূর মসজিদে অনুষ্ঠিত হলো
গত জুমায় টঙ্গীর দত্তপাড়া হাসান লেনের আন-নূর জামে মসজিদের উদ্যোগে
বিস্তারিত
মহামারি-রোগব্যাধি থেকে শিক্ষা
জীবন-মৃত্যু আল্লাহর সৃষ্টি। তিনি বান্দাকে পরীক্ষাস্বরূপ সুুস্থতা-অসুস্থতা, আনন্দ-বেদনা ও সুখ-দুঃখ
বিস্তারিত
মুফতি সাহাবি মুয়াজ বিন জাবাল
মুয়াজ বিন জাবাল (রা.) একজন আনসারি সাহাবি। উপনাম আবু আবদুর
বিস্তারিত