বইয়ের পাতায় বিপ্লবের ইতিহাস

চীন আজকের বিশ্বপরাশক্তিদের একটি। রাজনৈতিক বা স্বার্থগত দ্বন্দ্বের কারণে পশ্চিমের অনেক শক্তিশালী দেশই চীনের বিপক্ষে; তবে চীন তাদের অপছন্দের তালিকায় থাকলেও চীনকে গুরুত্বহীনভাবে দেখার কোনো অবকাশ কারোরই নেই। বিশ্ব অর্থনীতির বড় একটি অংশ চীন এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। বলা যেতে পারে, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন হচ্ছে বর্তমান সময়ের একমাত্র সমাজতান্ত্রিক দেশ। খ্রিস্টপূর্ব একবিংশ শতাব্দী থেকে খ্রিস্টপূর্ব ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত প্রায় ৫০০ বছর চীনে সিয়া রাজবংশ স্থায়ী ছিল। সিয়া-ই হলো চীনের ইতিহাসের প্রথম রাজবংশ। এরপর বিভিন্ন রাজবংশ চীনকে শাসন করে। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা পায় ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর। সে কারণে এ দিনটিকে দেশটির জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৪৯ সালে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৪, ১৯৭৫, ১৯৭৮ আর ১৯৮২ সালে মোট চারবার এর সংবিধান সংশোধন ও প্রকাশ করা হয়।
চীনের রাজনৈতিক এ মুক্তি সাধিত হয় মূলত এ সময়েই (১৯৪৯ সালে)। তবে চীনের মূল সংগ্রাম শুরু হয় এ অক্টোবরের পর থেকেই। তারা শুরু করে উন্নত হওয়ার সংগ্রাম। চীনের যুগান্তকারী সে ধারাবিবরণী উঠে এসেছে বিবিসি স্যামুয়েল জনসন পুরস্কার বিজয়ী বই ‘দ্য ট্র্যাজেডি অব লিবারেশন : অ্যা হিস্ট্রি অব চাইনিজ রেভ্যুলেশন ১৯৪৫-১৯৫৭’ শীর্ষক বইয়ে। বইটির লেখক হংকং ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ফ্রাঙ্ক ডাইকটার। 
চীনের বিপ্লবের বর্ণনা রয়েছে বইতে। ১৯৪৯-এর অক্টোবরে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ঘোষণা করা হয়, চীন এখন থেকে দাঁড়িয়ে গেল। এর পর একে একে উত্তর কোরিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে কমিউনিস্ট পার্টিগুলো বিপ্লবী লড়াইয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে সক্ষম হয়। এভাবে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ নতুন এক সমাজ ব্যবস্থার অধীনে চলে আসে। কমরেড মাও সেতুং লংমার্চ করেছিলেন মাসের পর মাসব্যাপী, হেঁটে, কোটি কোটি মানুষকে সঙ্গে নিয়ে। গণচীনের আর্থসামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দিতে মাও সেতুংয়ের বিপ্লব কার্যকর হয়েছে। বদলে গেছে আজকের সমৃদ্ধ গণচীন। সত্য এইÑ বিশ্বময় তরুণরা আজও হাঁটছে তার দেখানো পথে। মাও সেতুংয়ের সবচেয়ে বড় অবদান তিনি চীনে শিল্প ও কৃষিতে বিপ্লব সাধিত করেন এবং সমাজতান্ত্রিক গণচীনের ভিত্তি সুদৃঢ় করার জন্য প্রথম সাংস্কৃতিক বিপ্লব সংঘটিত করেন। হ

হইমদাদুল হক


সাহিত্যের বর্ণিল উৎসব
প্রথম দিন দুপুরে বাংলা একাডেমির লনে অনুষ্ঠিত হয় মিতালি বোসের
বিস্তারিত
নিদারুণ বাস্তবতার চিত্র মান্টোর মতো সাবলীলভাবে
এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারতের প্রখ্যাত পরিচালক নন্দিতা দাস
বিস্তারিত
পাখি শিকারিদের পা
অর্ধমৃত চোখটি পাহারা দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে অন্য চোখ।
বিস্তারিত
এমনই নিশ্চিহ্ন হবে একদিন
এমনই নিশ্চিহ্ন হবে সব চিহ্ন একদিন মুছে যাবে অক্ষত ক্ষতচিহ্ন, ছোপ
বিস্তারিত
পদ্মপ্রয়াণ
বিগত পুকুর ভরাট করে সূর্যমুখীর চাষ করেছি  সেদিন জলের টান ছিঁড়ে
বিস্তারিত
মেঘ যেখানে ছুঁয়ে যায়
অপরূপ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে সাজেক ভ্যালিতে দু-এক
বিস্তারিত