মিনার মনসুর

যার জন্য এত রক্ত এত অশ্রুপাত

শুধু পাশা খেলা, অন্তহীন বস্ত্র হরণের পালা...
শুধুই বিষবৃক্ষের লকলকে ডালপালা মাথার ওপরে
পদতলে শঠতার চোরাবালি, হিংসার হাঙর; 
যা কিছু মহৎ সব গড়াগড়ি যায় লালসার লাভাস্রোতে।

তার জন্য এত রক্ত, এত অশ্রুপাত!

আবার রক্তের হোলিখেলা দেখি, ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ শুনি
ঠগি-বর্গিদের সদম্ভ উত্থান দেখি ঘরে ঘরেÑ
ধুলায় লুটাতে দেখি নারীর সম্ভ্রম,
    শিশু আর বৃদ্ধদের মাথার করোটি; 
টগবগে যুবকেরা লাশ হয়ে পড়ে থাকে প্রকাশ্য রাস্তায়।

তার জন্য এত রক্ত, এত অশ্রুপাত!

সেই অজেয় কৃষক, ছাত্র, কামার-কুমোর
মুটে ও মজুর যারা গড়েছিল অন্য এক চীনের প্রাচীরÑ
তাদের তো কোথাও দেখি না; 
কোথাও দেখি না স্বজনের অস্থি দিয়ে গড়া সেই বধ্যভূমি। 
শুধু বাহারি বণিক দেখি, তাদের তীব্র হাঁকডাক শুনি...

দেশটাই যেন আজ বারোয়ারি বিশাল বাজার!
শহীদের শিরস্ত্রাণ কিংবা বীরের এ রক্তস্রোত মায়ের এ অশ্রুধারাÑ 
     কী না বিকিকিনি হয় এই হাটে! শুধু 
যার জন্য এত রক্ত, এত অশ্রুপাত 
তাকে আজ কোথাও দেখি না।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত