আনোয়ার পাশা ও রাইফেল, রোটি, আওরাত

আনোয়ার পাশা অন্তর্মুখী ছিলেন, তার নায়কেরা যেমন। অনুভূতি ছিল প্রবল, যদিও কথা বলতেন কম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মী, সতীর্থ ও শিক্ষার্থী সবার কাছেই তিনি বাঙালি, প্রগতিশীল এবং যুক্তিনির্ভর ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন। তার চেতনা ছিল ক্ষুরধারসম্পন্ন, যার 
প্রকৃষ্ট প্রভাব তার লেখালেখিতে প্রতিফলিত

একাত্তরের দিনগুলোতেও শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছেন দেশপ্রেমে। তিনি জানতেন, তার এ ভূমিকা বিপদ ডেকে আনতে পারে। এসব জেনে-বুঝেও আনোয়ার পাশা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছিলেন

আনা ফ্রাংকা ও তার ডায়েরি যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়, ধ্বংসলীলা ও লুণ্ঠিত মানবতার বিশ্বস্ত দলিল হিসেবে চিহ্নিত। তেমনি আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আনোয়ার পাশা ও তার রাইফেল, রোটি, আওরাত। ৭১’র দিনগুলোতে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে অনেকেই লিখেছেন অনেক কিছু। শামসুর রাহমান লিখেছেন, ‘বন্দীশিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের কবিতাবলী’। আবু সয়ীদ আইয়ুবের প্রণোদনা ও প্রযতেœ তা সেসময় ‘মজলুম আদীব’ (ছদ্মনাম, যার অর্থ হলো নির্যাতিত লেখক) নামে কলকাতার ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম লিখেছেন ‘৭১’র দিনগুলি’। সুফিয়া কামাল লিখেছেন ‘৭১’র ডায়েরি’। উদাহরণ ও তালিকা একেবারেই নয় অপ্রতুল। কিন্তু সেসবের কোনোটাই মেলে না আনোয়ার পাশা ও তার রাইফেল, রোটি, আওরাত এর সঙ্গে। মেলে আনা ফ্রাংকের সঙ্গে, মেলে তার ডায়েরির সঙ্গে। যদিও আনোয়ার পাশা ডায়েরি লেখেননি। লিখেছেন উপন্যাস। কারণ তিনি কথাসাহিত্যিক-সৃজনশীল এক স্রষ্টা। তবে সেই উপন্যাসই হয়ে উঠেছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহী এক দিনপঞ্জিকা। হয়ে উঠেছে উপন্যাসের আড়ালে, কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীনের ছায়ায় আনোয়ার পাশার রোজনামচা।
ট্র্যাজেডি হলো, রাইফেল রোটি শেষাবধি যুদ্ধাবস্থার মধ্যে রক্ষিত হলো, রক্ষিত হয়নি তার স্রষ্টা আনোয়ার পাশার জীবন। আলবদর বাহিনী তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে, আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে। অথচ তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন যা তার সাক্ষ্য আমরা পাই, রাইফেল, রোটি, আওরাতের নায়ক সুদীপ্ত শাহীনের প্রত্যয়দীপ্ত প্রত্যাশায়। উপন্যাসের একটা জায়গায় আনোয়ার পাশা লিখেছেন, ‘অনেক রাতে সুদীপ্ত শুতে গেলেন। মেঝেতে ঢালা বিছানা। সারি সারি তারা শুয়েছেন যতজনের শোয়া সম্ভব। আর তাদের একজনকেও তিনি চেনেন না। ...নব পরিচয়ের সূত্রপাত হয়েছে। পুরনো জীবনটা সেই পঁচিশের রাতেই লয় পেয়েছে। আহা, তা-ই সত্য হোক। নতুন মানুষ, নতুন পরিচয় এবং নতুন একটি প্রভাত। সে আর কত দূরে। বেশি দূরে হতে পারে না। মাত্র এই রাতটুকু তো। মা ভৈঃ কেটে যাবে।’
রাইফেল, রোটি, আওরাত এর নায়ক সুদীপ্ত শাহীনের জীবনে সত্যি সত্যি রাতটুকু মা ভৈঃ কেটে গেছে। কিন্তু স্রষ্টা আনোয়ার পাশার জীবনে রাতটুকু কাটেনি। রাত শেষে সূর্যের আলো ওঠার আগেই একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর তিনি শহীদ হয়েছেন। ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের আলোয় উদ্ভাসিত স্বদেশে তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শহীদের তকমা। ‘শহীদ’ পবিত্র এ শব্দের প্রতি তার বিন্দুমাত্র লোভ ছিল না। জীবনভর ছিলেন যোদ্ধা। মানবতা, প্রগতি আর আদর্শের পথে ছিলেন বিরলপ্রজ এক নায়ক। মানুষের প্রতি ভালোবাসা আর দেশপ্রেমের প্রশ্নে জীবন বাজি রাখতে কখনও কুণ্ঠা বোধ করেননি। একইভাবে ভালোবাসা নিবেদিত ছিল জীবন ও শিল্পের প্রতি।
যার বিরল ব্যতিক্রমী উদাহরণ রাইফেল, রোটি, আওরাত। একাত্তরের ভূলুণ্ঠিত মানবতার দগদগে মুহূর্তগুলোতেও তার কলম থেমে থাকেনি। লেখালেখি ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা দুটোই করেছেন সব্যসাচীর ভূমিকায়।
একাত্তরের দিনগুলোতেও শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছেন দেশপ্রেমে। তিনি জানতেন, তার এ ভূমিকা বিপদ ডেকে আনতে পারে। এসব জেনে-বুঝেও আনোয়ার পাশা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছিলেন। আনোয়ার পাশার স্ত্রী মসিনা খাতুন বলেন, ‘যুদ্ধের দিনগুলোতে জান বাঁচানোর মতোই রাইফেল, রোটি, আওরাত-এর পা-ুলিপি রক্ষা করেছি। বাড়ি তল্লাশি করতে পারে। ভয় হতো, যদি খুঁজে পায়! এ কারণে টয়লেটের ফ্লাশের ওপর কাঠচাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা করেছি। জায়গাটা নিরাপদ নয় ভেবে আলমিরার পায়ের নিচে পেপার দিয়ে জড়িয়ে রাখা হয়।’
মানুষের জন্য অন্তঃপ্রাণ আনোয়ার পাশা জন্মগ্রহণ করেন ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর মহকুমার রাঙ্গামাটি চাঁদপাড়া ইউনিয়নের ডাবকাই প্রামে। বাবা হাজী মকরম আলী ছিলেন রাজনীতিবিদ; মা সাবেরা খাতুন গৃহিণী। লেখাপড়া করেছেন এপার বাংলা-ওপার বাংলা মিলিয়ে। সর্বশেষ ১৯৫৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
ছাত্রজীবনেও তিনি সোচ্চার ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনায়, সত্য প্রতিষ্ঠায়, সব দাবিদাওয়ায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় তিনি কারমাইকেল হোস্টেলে থাকতেন। এ ছাত্রাবাসটি মুসলমান ছাত্রদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। তিনি অন্যান্য মুসলিম ছাত্রের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রাবাসকেই ‘কসমোপলিটন’ হোস্টেলে পরিণত করার দাবিতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে আনোয়ার পাশার দ্ব্যর্থহীন উচ্চারণ ছিল : রবীন্দ্রনাথ ছাড়া আমাদের মুক্তি নেই। ...রবীন্দ্রনাথ আমাদের জীবনের প্রায় সবখানি অধিকার করে আছেন, তাকে বাদ দিতে গেলে সম্পূর্ণ আমার এই ‘আমি’টাই না হয়ে যাবে। রবীন্দ্রনাথ বাঙালির আত্মার আত্মীয়। রবীন্দ্রপ্রেম ও জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান আয়োজনে উদ্যোগী হওয়ার ‘অপরাধে’ পূর্ব পাকিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্র বিভাগের নির্দেশে তার পাসপোর্ট ছয় বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল।
আনোয়ার পাশার মনে প্রশ্ন ছিল, হিন্দুর দেশ যদি হয় হিন্দুস্তান (ভারত) আর মুসলমানের দেশ পাকিস্তান, তাহলে মানুষের দেশ কোনটি? এ কারণে আমৃত্যু তার যুদ্ধ ছিল মানুষের দেশ অন্বেষণে কায়মনে বাঙালি হওয়ার গৌরব অর্জনে। 
মানুষ মানুষের জন্য এই প্রেম তার ভেতরে কতটা প্রবল ও প্রগাঢ় ছিল তার ধ্রুপদী উদাহরণ তার জীবনে একবার নয় বারবার দীপশিখা হয়ে জ্বলেছে। তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে দাঁড়িয়েছেন মানুষের পাশে। রণেশ মৈত্র একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন, যা এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আনোয়ার পাশা তখন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের বাংলার শিক্ষক। ঘটনাটি ১৯৬২ সালের ২৮ এপ্রিলের। সেদিন রাতে পাবনা শহরে ভয়াবহ এক দাঙ্গা সংঘটিত হয়, যাতে তিনি পালন করেছিলেন অসমসাহসী মানবিক এক ভূমিকা, যা সম্মুখসমরের যোদ্ধার বীরত্বগাথার সমতুল্য। দাঙ্গার ওই রাতে আনোয়ার পাশা ছুটে গিয়েছিলেন কলেজের হিন্দু হোস্টেলে, হিন্দু ছাত্রদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এসে দেখেন, তারা প্রাণভয়ে অস্থির। কলেজ অধ্যক্ষের বাসায় গিয়ে তারা প্রাণ বাঁচানোর আকুতিও জানিয়েছে। কিন্তু অধ্যক্ষ সাড়া দেননি, কোনো ভূমিকা নেননি। এ অবস্থায় তাদের প্রাণে বাঁচানোর দায়িত্ব নেন জুনিয়র অধ্যাপক আনোয়ার পাশা। নাইটগার্ডের বাসায় গিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে এসে ক্লাসরুম খুলে হিন্দু ছাত্রদের ওই রুমে থাকার ব্যবস্থা করেন এবং বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। শুধু কি তা-ই, নিজের পকেটের টাকা দিয়ে রাতে ছাত্রদের কলা-রুটি খাওয়ার ব্যবস্থাও করেন। সেদিন রাতে দাঙ্গাকারীরা ঠিকই হিন্দু হোস্টেলে আসে এবং তাদের না পেয়ে ভাঙচুর করে চলে যায়।
এ নিয়ে আনোয়ার পাশার কোনো আত্ম-অহমিকা ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিক্ষক তো ছাত্রদের কাছে পিতার মতোই। তিনি শুধু পিতার ভূমিকা পালন করেছেন, আর কিছু নয়।
পরিবার-পরিজেন ও সন্তানদের প্রতিও তার প্রগাঢ় ভালোবাসা ছিল। বড় ছেলে মাসারুল আফতাবকে লেখা চিঠিতে তার সাক্ষ্য মেলে :
‘খোকা, অর্থাৎ মাসারুল আফতাব যদি এইচএসসি পার্ট ওয়ান অথবা টু-এর; অথবা পার্ট ওয়ান অ্যান্ড টু-এর পরীক্ষায় শতকরা ৮০ নম্বর পায়, তবে আমি আনন্দিত হইব এবং খোকা পাঁচশো টাকার মধ্যে যে উপহার চাহিবে, তাহা তিন দিনের মধ্যে কিনিয়া দিব।’
আনোয়ার পাশার লেখালেখিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিজের উপস্থিতি ছিল প্রবল। অবশ্য, এটাই তো চিরন্তন সত্য লেখকমাত্রই লেখালেখিতে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে রাখেন নিজেরই ছাপ। এ কারণে, রাইফেল, রোটি, আওরাত এর সুদীপ্ত শাহীন যে তিনি নিজে, তা বুঝতে বেগ পেতে হয় না। তার লেখালেখির নায়কেরা কিংবা কেন্দ্রীয় চরিত্ররা সুদীপ্ত শাহীনের মতো করে হয় হাজির। শুধু রাইফেল, রোটি, আওরাত-এ নয়, অন্যান্য উপন্যাসেও তার সাক্ষ্য রয়েছে উপস্থিত। ‘নীড়সন্ধানী’ উপন্যাস নিয়ে এ তাফসিরের বয়ান তিনি দিয়েছেন এভাবে : নীড়সন্ধানী উপন্যাসের নায়ক হাসানের জীবনের কয়েকটি ঘটনা আমার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা। আমি ওখানে কোনো কলেজে দরখাস্ত করে কখনো ইন্টারভিউ কার্ড পাইনি। হাসান একবার পেয়েছিল দেখিয়েছি। আমি একবার সাব-ডিভিশনাল পাবলিসিটি অফিসার পদের জন্য ইন্টারভিউ কার্ড পেয়েছিলাম। ওতে ওরা লোক চেয়েছিল আইএ পাস, আমি এমএ পাস। কারমাইকেল হোস্টেল প্রসঙ্গ একেবারে বাস্তবÑ ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হোস্টেলটিকে হিন্দু হোস্টেলে রূপান্তরিত করতে চাইছিল। আমরা তখন নানাভাবে চেষ্টা করে হোস্টেলটিকে রক্ষা করেছিলাম। সংক্ষেপে সত্য ঘটনাটুকুই উপন্যাসে তুলে ধরেছি। আরও কিছু খুঁটিনাটি প্রসঙ্গ বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া।’
আনোয়ার পাশা অন্তর্মুখী ছিলেন, তার নায়কেরা যেমন। অনুভূতি ছিল প্রবল, যদিও কথা বলতেন কম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মী, সতীর্থ ও শিক্ষার্থী সবার কাছেই তিনি বাঙালি, প্রগতিশীল এবং যুক্তিনির্ভর ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন। তার চেতনা ছিল ক্ষুরধারসম্পন্ন, যার প্রকৃষ্ট প্রভাব তার লেখালেখিতে প্রতিফলিত। অগ্রন্থিত কবিতা ‘দীপগুলি’তে তার উপস্থিতি স্পষ্ট : যে আগুন আলো দেবে/সে আগুন কই মা?/ তোরই তারা-চোখে যাদু/ তোরই চাঁদ-মুখে সে! যে আগুন প্রাণ দেবে/ সে আগুন কই মা?/ সে যে তোর বুকে যাদু/ তোরই পাটা-বুকে সে:/ আমাদের দীপগুলি আম্মা গো/ তুলো ধরো এই ভরা আগুনে ॥
যে আহ্বান একদা তিনি কবিতায় করেছিলেন, নিজেই তার উদাহরণ হলেন। ’৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লিখেছিলেন এ কবিতা। আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি নিজেই হলেন প্রাণ দেয়া আগুন।
১৪ ডিসেম্বর সকালে আলবদর বাহিনীর লোকজন তাকে নীলক্ষেতের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল প্রিয় বন্ধু রাশিদুল হাসানকেও। তারপর ঘাতকচক্র তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। দেশ স্বাধীনের পরে অন্য কয়েকজন শহীদ বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে তার লাশও মেলে মিরপুরের বধ্যভূমিতে। পরবর্তী সময়ে প্রিয় ক্যাম্পাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ প্রাঙ্গণে আনোয়ার পাশাকে সমাধিস্থ করা হয়। আনোয়ার পাশা একদা ডায়েরিতে লিখেছিলেন : ‘এটা ভাবতে অবাক লাগে যে, আমি বেঁচে নেই। ভাবতে কেমন অবাক ঠেকছে যে, এই পৃথিবীতে কিছুকাল পর আমি আর থাকব না...আমার কথা একবারও ভাববে না।’

ঋণস্বীকার : 
আনোয়ার পাশার জীবন কথা : ওয়াকিল আহমদ
আনোয়ার পাশা : ভুঁইয়া ইকবাল
আনোয়ার পাশার পরিবার
শহীদ বুদ্ধিজীবী রাশিদুল হাসানের জ্যেষ্ঠ কন্যা রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রোকাইয়া হাসিনা নীলি।


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত