তারা পেয়ারা খায়

কাঠবিড়ালিরা চুপি চুপি পেয়ারা গাছে কাকতাড়–য়া বেঁধে দিয়ে এলো। বাদুড়রা যখন পেয়ারা খাওয়ার জন্য এদিকে আসছে, তখন তারা দূর থেকে দেখল কালো মাথা আর লম্বা হাতওয়ালা কী যেন গাছে দাঁড়িয়ে আছে

সুখী বনে অনেক অনেক পশু-পাখির বসবাস। তারা সবাই সুখে-শান্তিতে বসবাস করছে। শুধু কাঠবিড়ালি ও বাদুড়গুলো ছিল একটু আলাদা। তাদের মধ্যে সবসময় ঝগড়া লেগেই থাকত। ঝগড়াটা পেয়ারা খাওয়া নিয়ে। বনের পাশ দিয়ে চিকন একটি নদীও ছিল। নদীর ওপারে কাঁঠালতলায় বাস করে বাদুড় ও অন্যান্য পাখির দল। আর নদীর তীরে ছিল কয়েকটি বড় পেয়ার ও ডালিম গাছ। এ গাছের আশপাশেই বসবাস করত কাঠবিড়ালিগুলো।
কাঁঠালের মৌসুম শেষ হলে পেয়ারা গাছে বাদুড়ের উৎপাত বেড়ে যায়। ফলে গাছের অধিকাংশ পেয়ারা বাদুড়রা খেয়ে ফেলে। বনের কাঠবিড়ালিরা বাদুড়দের সঙ্গে পেরে ওঠে না। কারণ কাঠবিড়ালি তাড়া করলে বাদুড়রা উড়ে চলে যায়।
এ সমস্যা নিয়ে কাঠবিড়ালিরা বনের রাজা সিংহের কাছে নালিশ করল, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। বাদুড়েরা বনের রাজাকে নানা ধরনের মৌসুমি ফল এনে দিত। তাই বনের রাজা বাদুড়দের বিরুদ্ধে কোনো নালিশ আমলে নিত না। এ কারণে বাদুড়দের বাড়াবাড়ি দিন দিন বেড়ে যেতে লাগল। কাঠবিড়ালরা নিরুপায় হয়ে গেল।
সুখী বনের শিয়াল কাঠবিড়ালিদের খুব আদর করত। কাঠবিড়ালিরা শিয়ালের কাছে বিষয়টি জানাল। শিয়াল কাঠবিড়ালিদের কথা মন দিয়ে শুনল এবং সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে থাকল। শিয়াল কাঠাবিড়ালিদের বলল যেহেতু বনের রাজা বাদুড়দের পক্ষে, তাহলে তার সঙ্গে শক্তিতে পারা যাবে না। তাই সমাধান করতে হবে কৌশলে।
শিয়াল জানে বাদুড় কাকতাড়–য়া ভয় পায়। তাই পেয়ারা গাছে যদি কাকতাড়–য়া বেঁধে দেয়া যায়, তাহলে বাদুড়রা ভয়ে পেয়ারা গাছে আসবে না, পেয়ারা খেতেও পারবে না। যে কথা সেই কাজ।
কাঠবিড়ালিরা চুপি চুপি পেয়ারা গাছে কাকতাড়–য়া বেঁধে দিয়ে এলো। বাদুড়রা যখন পেয়ারা খাওয়ার জন্য এদিকে আসছে, তখন তারা দূর থেকে দেখল কালো মাথা আর লম্বা হাতওয়ালা কী যেন গাছে দাঁড়িয়ে আছে। এটা দেখে ভয় পেল বাদুড়রা। সে যে ভয় পেল বাদুড়রা, এরপর থেকে আর কোনোদিন তারা পেয়ারা গাছের দিকে এলো না। এ সমাধান দেখে কাঠবিড়ালিরা বেজায় খুশি ও তারা শিয়ালকে ধন্যবাদ দিল তার এ বুদ্ধির জন্য।


শিশু বাথাইন্নাদের অন্যরকম জীবন
চারপাশে নদী। মাঝখানে জেগে ওঠা বিশাল চর। এর নাম-দমারচর। বঙ্গোপসাগরের
বিস্তারিত
অগ্নিশিখা
অগ্নিশিখা  মালেক মাহমুদ    অগ্নিশিখায় কুঁকড়ে গেছি  আছি মরার মতো  আগুন! আগুন! জ্বলছে আগুন আগুন জ্বলে
বিস্তারিত
বাংলা শকুনের গল্প
শুধু বাংলা শকুন নয়, এক সময় বাংলাদেশে সাত প্রজাতির শকুন
বিস্তারিত
বৈশাখ এলো
  বৈশাখ এলো বৈশাখ এলো গ্রীষ্মদুপুর কালো মেঘে ঘাপটি মেরে ঢেকে
বিস্তারিত
চৈতালী হাওয়া
চৈতালী হাওয়ায় গ্রীষ্ম কাটে গ্রীষ্ম যেনো কষ্টের, চৈত্রের দাহন অভিশাপের
বিস্তারিত
বকের বিড়ম্বনা
সবাই মিলে বকের বিরুদ্ধে বিচার নিয়ে গেল হুতুম প্যাঁচার কাছে।
বিস্তারিত