‘রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত মেনে নেব’

নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এ বিষয়ে তিনি (রাষ্ট্রপতি) যে সিদ্ধান্ত নেবেন তাতে আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে দলের সভাপতি রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন প্রণয়ন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ই-ভোটিং চালুসহ চারটি প্রস্তাব দিয়েছি আমরা। আর সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ১১টি বিষয়ও তুলে ধরেছি আমরা।

তিনি বলেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতিকে মত দিয়েছি আমরা। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যে প্রক্রিয়ায় কমিশন নিয়োগ দেবেন তা আমরা মেনে নেব।

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বঙ্গভবনে বুধবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সংলাপে বসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। তার আগেই প্রতিনিধি দলের অন‌্য সদস‌্যরা বঙ্গভবনে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের দরবার হলে পৌঁছানোর পর বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে আলোচনা শুরু হয়। শুরুতে রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে ধন‌্যবাদ দেন।

এই প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আবুল মাল আবদুল মুহিত, এইচ টি ইমাম, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, মোহাম্মদ জমির। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, মতিয়া চৌধুরী, সাহারা থাতুন ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন খসরু, প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও আছেন এই প্রতিনিধি দলে।

সংসদের বাইরে থাকা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা মধ্য দিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্র প্রধান আবদুল হামিদ।

২০১২ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই ‘সার্চ কমিটির’ মাধ্যমে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠন করে দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। আগামী ফেব্রুয়ারিতে এ কমিশনের মেয়াদ শেষে নতুন যে ইসি দায়িত্ব নেবে, তাদের অধীনে ২০১৯ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচন হবে।

নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইসি পুনর্গঠন ও নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে কয়েকদফা প্রস্তাব দেন। এর ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি আলোচনার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দেন। এরইমধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করে তাদের প্রস্তাব দিয়েছে।


তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানায় বুধবার
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির
বিস্তারিত
‘তা‌রেক রহমানের বিরু‌দ্ধে গ্রেফতারি প‌রোয়ানার
রাজনৈ‌তিকভাবে হয়রা‌নির উদ্দে‌শ্যেই সরকার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র
বিস্তারিত
ফখরুলের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলার কার্যক্রম
রাজধানীর পল্টন থানায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে 
বিস্তারিত
আ.লীগকে প্রশ্নপত্র জালিয়াতির ‘মূল হোতা’
আওয়ামী লীগ দেশজুড়ে সব প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির মূল হোতা
বিস্তারিত
খালেদার সঙ্গে সুষমার বৈঠক
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা
বিস্তারিত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা সোমবার
বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সভা বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক
বিস্তারিত