ডিজিটাল কনটেন্টের ব্যবহার শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ মঙ্গলবার বিসিসি অডিটরিয়ামে ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল কনটেন্টগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কার্যকর ব্যবহারে করণীয় শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ও মাঠ পর্যায়ে আধুনিক পদ্ধতিতে শিক্ষা বিস্তারে এ উদ্যোগ এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রাথমিক শিক্ষা কনটেন্ট ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সনে রূপান্তর শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের (প্রথম-পঞ্চম শ্রেণী) আলোকে ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল শিক্ষা কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে।  এর আগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রাথমিক শিক্ষা কনটেন্ট ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সনে রূপান্তর’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ের ২১টি বইয়ের কনটেন্ট প্রস্তুত করা হয়। কনটেন্টগুলো প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী বা প্রধান শিক্ষক, পিটিআই ইন্সট্রাক্টর, ঘঈঞই ও ঘঅচঊ-এর বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ, কালার ও অ্যানিমেশন বিশেষজ্ঞদের সরাসরি অংশগ্রহণে এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড (ঘঈঞই) কর্তৃক প্রণীত বই ও কারিকুলাম অনুসরণ করা হয়। কনটেন্ট প্রস্তুতের সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সহযোগিতা গ্রহণ করা হয়। ব্র্যাক ও সেভ দ্য চিলড্রেন এক্ষেত্রে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে। সেভ দ্য চিলড্রেন প্রথম-পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ইংরেজি বইয়ের ডিজিটাল কনটেন্ট বিনামূল্যে প্রস্তুত করে দেয়। 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিজিটাল কনটেন্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল কনটেন্টের বিশেষ দিক হলো এটি শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক সবাই ব্যবহার করতে পারবেন। এখন পর্যন্ত ২২ লাখ ৫০ হাজার কনটেন্ট ডাউনলোড করা হয়েছে। প্রযুক্তির যেন বৈষম্য কোথাও না হয় এজন্য শহর থেকে গ্রাম সব জায়গায় সমান গুরুত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে এই ডিজিটাল শিক্ষা কনটেন্ট। এর ফলে শৈশব থেকেই আমাদের শিশুদের উদ্ভাবনী ক্ষমতার ব্যাপক উৎকর্ষ হবে। 
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল, এনডিসি এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এর চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা।


খবরটি পঠিত হয়েছে ২২২০ বার

‘তরুণদের সক্ষমতা সারা বিশ্বে সমাদৃত’
শুধু ফান্ডিং দিয়ে একটি স্টার্টআপকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যায়
বিস্তারিত
আইটিইটির চতুর্দশ কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত
দি ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশের চতুর্দশ
বিস্তারিত
উন্নত ইন্টারনেট সেবা আনল অজের
নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগে নতুন মান নিয়ে এসেছে অজের। বাংলাদেশের করপোরেট
বিস্তারিত
টেসলা ছাড়লেন অটোপাইলট সফটওয়্যার প্রধান
বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার অটোপাইলট সফটওয়্যার প্রধান ক্রিস ল্যাটনার
বিস্তারিত
ঈদে ওয়ালটনের ২৬ মডেলের ল্যাপটপ
দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদ। পুরোদমে চলছে ঈদের কেনাকাটা। সময়ের পরিবর্তনে
বিস্তারিত
মাইক্রোসফট কি-বোর্ডে আনল ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সর
মার্কিন টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট ‘মডার্ন কি-বোর্ড’ উন্মোচন করেছে। টাইপিং ‘ঝামেলামুক্ত’
বিস্তারিত