অদ্ভুত এক প্যারাডক্স জসীমউদ্দীন

সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘জসীমউদ্দীন : কবি মানস’ শিরোনামের মূল্যায়নটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক ও সংশয়িত হওয়ার মতো। তিনি লিখেছেন, ‘আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে পল্লী নিয়ে জসীমউদ্দীনের কাব্যসাধনা তাই যথেষ্ট শক্তিমত্তার পরিচয় সত্ত্বেও একটা সাহসিক পরীক্ষারূপেই থেকে গেল, নবকল্লোলে আমাদের কাব্যের প্রবাহকে সঞ্জীবিত করে তুলল না। তার অনেক কবিতাই হয়তো গতানুগতিকতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি; কিন্তু কবর ও পল্লীজননীর মতো কবিতা, নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাটের মতো কাব্যোপন্যাস কবিত্বে সকল মাপকাঠিতেই উত্তীর্ণ হবে, এমন ভরসা করা নিশ্চয়ই অন্যায় হবে না।’
ইন্টারেস্টিং হলো, সৃজন-মূল্যায়নে শুধু নয়, তার ব্যক্তি ও কর্মজীবনেও প্যারাডক্স-এ পূর্ণ।
ত্রিবিধ ‘প্যারাডক্স’-ই সম্ভবত জসীম প্যারাডক্স নিয়ত অক্সিজেনের জোগান দিয়ে চলেছে। এ কারণে, 
তাকে নিয়ে লব্ধ ঘোষণা ও লেখালেখির যা কিছুই আমরা দেখি না কেন, সেখানে চূড়ান্ত কোনো 
সিদ্ধান্ত নেই, নেই উপসংহারে উপনীত হওয়ার ক্ষেত্রে আনুপূর্বিক কোনো বিশ্লেষণ

জসীমউদ্দীনের সঙ্গে প্যারাডক্স শব্দটি সম্ভবত মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠতুল্য। তাকে নিয়ে যত লেখালেখি হয়েছে, বেশিরভাগের এককথায় প্রকাশ যদি করতে হয়, তাহলে প্যারাডক্সের চেয়ে যুৎসই ও যথোচিত শব্দ দ্বিতীয়টি আছে কি? কারণ তাকে খারিজ ও অমরত্ব প্রদানের স্বর ও সুর সবসময় সমরূপে হয়েছে উচ্চকিত। বাংলা সাহিত্যের দুর্দান্ত সমালোচকরূপে যারা বরিত, তারা তো বটেই, কবি-লেখক-প্রাবন্ধিকরাও তাকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও অনুসরণ করেছেন অবিভাজ্য পন্থা। সেটা কতটা শ্রমনিষ্ঠ-সচেতনতায় সমৃদ্ধ ও সুবিবেচনাপ্রসূত তা নিয়ে থাকতে পারে প্রশ্নের অবকাশ। কিন্তু শেষাবধি তারা যে কাজটি করেছেন এবং ইদানীংকালেও তাকে ঘিরে যে তর্ক ও কুতর্ক হচ্ছে তা নির্ণয়ে পূর্বোক্ত শব্দই যথোপযুক্ত। বাংলা সাহিত্যে জসীমউদ্দীন ব্যতীত আর কোনো সাহিত্যিক নেই যাকে ঘিরে বহতা রয়েছে এরকম প্যারাডক্স। 
অভূতপূর্ব ও অতীব বিস্ময়ের বিষয় হলো, জসীমের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধু নয়, তার লেখালেখির ভুবনের গতায়াত লক্ষ্য করলেও প্রতিভাত হয় একই বিষয়ের প্রাবল্য। ‘রাখালী’র মতো কবিতা সংকলন দিয়ে যার যাত্রা শুরু এবং ‘মা জ্বালায়ে রাখিস আলো’ কবিতা সংকলনে যার জীবন প্রদীপ নির্বাপিত, তার লেখন বৃত্ত পর্যবেক্ষণ হলোÑ একটা নয় একের ভেতরে বহুবৃত্ত বসত গেঁড়েছে। যার কোনোটা তার প্রতিভার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ আবার কোনোটা নয়। লক্ষ্যণীয়, তার উত্থান ও জনপ্রিয়তা যে ধারায় সেখানেও তিনি স্থিত হননি, যখন ফিরে এসেছেন তখন সামর্থ্য ও সক্ষমতার সলতে আগের মতো পাকাতে ও জ্বালাতে পারেননি। তারপরও তিনে সৃজনমাধ্যম পরিবর্তন করে বহতায় সক্রিয় থেকেছেন। আবার লহমায় ইতি টেনে ধরেছেন শিল্প নামক বৃক্ষের অন্য শাখা। ফলে, পদ্যকার, গদ্যকার, সংগীতকার, নাট্যকার, সংগ্রাহক ইত্যাদি সত্তায় তিনি হাজির হয়েছেন, যা মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও তৈরি হয়েছে বিভাজিতরূপ। সুতরাং জসীম মূল্যায়নে যেমন, তেমনি তার সৃজনেও প্যারাডক্সের স্বভাবজ উপস্থিতি দৃশ্যমান।
ইন্টারেস্টিং হলো, সৃজন-মূল্যায়নে শুধু নয়, তার ব্যক্তি ও কর্মজীবনেও প্যারাডক্স-এ পূর্ণ। ত্রিবিধ ‘প্যারাডক্স’-ই সম্ভবত জসীম প্যারাডক্স নিয়ত অক্সিজেনের জোগান দিয়ে চলেছে। এ কারণে, তাকে নিয়ে লব্ধ ঘোষণা ও লেখালেখির যা কিছুই আমরা দেখি না কেন, সেখানে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেই, নেই উপসংহারে উপনীত হওয়ার ক্ষেত্রে আনুপূর্বিক কোনো বিশ্লেষণ। ফলে, জসীমউদ্দীনের মতো প্রতিভা পঠনে-স্মরণে-স্বীকৃতি ও চর্চায় অনেকখানি আড়ালে আছেন, ঘটনাচক্রে কিছুটা হলেও যথাযথ নয় বা তার প্রতিভাসাপেক্ষে সন্তোষজনক নয়। কিন্তু কেন এর উত্তর তালাশে সর্বাগ্রে আবশ্যক হলো, জসীমউদ্দীনের কর্ম ও জীবনের দিকে অভিনিবেশ দেয়ার পাশাপাশি ব্যক্তি প্যারাডক্সের স্বরূপ উন্মোচন। কেন আবশ্যক তা কিঞ্চিত উপলব্ধি করা সম্ভব জসীমউদ্দীনকে নিয়ে কয়েকজনের মূল্যায়ন যদি আমরা একটু পাঠ করি।
রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, ‘জসীমউদ্দীনের কবিতার ভাব, ভাষা ও রস সম্পূর্ণ নতুন ধরনের। প্রকৃত কবির হৃদয় এই লেখকের আছে।’ দীনেশচন্দ্র সেন লিখেছেন, ‘আমি হিন্দু। আমার কাছে বেদ পবিত্র, ভগবৎ পবিত্র। কিন্তু সোজন বাদিয়ার ঘাট তাহার চাইতেও পবিত্র।’ আবদুল কাদির লিখেছেন, ‘তিনি আমাদের কবি/খুব বড় কবি, যতটা বড়র ধারণা করিতে পারিনে আমরা সবি।’ এ মূল্যায়নের পর আমরা কি দেখছি বা কি হয়েছে ও হচ্ছে জসীমউদ্দীনের ক্ষেত্রে? আমাদের সাহিত্যের মনীষীজনরা যাকে নিয়ে এমনতর মন্তব্য করেছেন আমাদের মননে তার অনুরণন কোথায়?
আরও কয়েকজনের মন্তব্যের নিবিড় পাঠে পুলকিত হওয়ার খোরাক যেমন রয়েছে, তেমনি প্রশ্নবাণে ক্ষতাক্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। যেমন, শিবনারায়ণ রায় জানাচ্ছেন, ‘নকশী কাঁথার মাঠ’-এ ধর্মীয় গোঁড়ামির সামান্যতম আভাসও ছিল না। আমাদের তিরিশের এবং চল্লিশের দশেকের বিদগ্ধ, ‘প্রগতিশীল’ কবিদের তুলনা জসীমউদ্দীন ছিলেন অনেক বেশি খাঁটি সাম্প্রদায়িকতামুক্ত মানুষ।’ আনিসুজ্জামান লিখেছেন, ‘প্রত্যাখাত হওয়ার আশঙ্কা যে ছিল না, তা বলা যায় না; কিন্তু হলো উল্টোটা। তার কাব্যের আবেগের, ভাষার, চিত্রকল্পের অকৃত্রিমতাÑ মন জয় করে নিল আধুনিকমনা বাঙালি পাঠকের, বিদগ্ধ ইউরোপীয়ের। জসীমউদ্দীনের আবির্ভাবের পর আধুনিক বাংলা কবিতার কোনো যোগ্য সঙ্কলনে তাকে অবহেলা করা ছিল অসম্ভব। বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তার যে স্থানÑ ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন লিখেছেন, ‘সাহিত্য সাধনায় তিনি সমুজ্জ্বল, তার আলোকে আমরা আলোকিত।’ অথচ এ প্রজন্মের মানুষেরা পাঠ্যবইয়ের দায়সারা পাঠ ছাড়া আর কোনোভাবে জসীমউদ্দীনকে চেনা ও জানার সুযোগ পাচ্ছে না। তাকে নিয়ে তেমন কোনো গবেষণাকর্মও নেই, যে আলোয় আলোকিত হওয়ার কথা বলেছেন মনসুরউদ্দীন, সেই আলোক কি বাস্তবদৃষ্টে দূরঅস্ত বলে মনে হয়? এখানে যে কয়জনের মন্তব্য-মূল্যায়ন উপস্থিত, তাতে জসীমকে বাংলা সাহিত্যের অবিসংবাদিত ও অনিবার্য সাহিত্য-প্রতিভা বলা হচ্ছে, ঠিক তার বিপরীত চিত্রও দেখা যায়, কাজী আবদুল ওদুদ ও হুমায়ূন কবীরের মূল্যায়নে। তারা তাকে খারিজ করে দিয়েছেন, সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামকে যুক্ত করে। একদিকে বরিত, অন্যদিকে উপেক্ষণীয়, জসীমের সাহিত্য প্রতিভার আলোকে এ জটিলতা নিরসন হওয়া দরকার। কিন্তু তা না হয়ে, জন্ম হয়েছে নতুন প্যারাডক্স, যা বিদ্যমান প্যারডক্সকে জসীমকে নিয়ে জীবন্ত গুণীন-দ্বিমুখীতাকে পুষ্টি যুগিয়েছে।
এবার দেখা যাক, জসীমকে নিয়ে আমাদের কবিদের অবস্থান। বিশেষ করে সেইসব কবি যারা আমাদের কালের কবিতার প্রাণপুরুষ হিসেবে প্রশংসিত ও শিরোপাধন্য। নির্মলেন্দু গুণ ‘কে করে অস্বীকার তারে’ শিরোনামের লেখায় লিখেছেন, ‘আমি কবি হয়েছি এটা বাবা বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর মৃত্যুর আগে। কিন্তু জসীমউদ্দীনের মতো কবি হতে পারিনি। কেউ পারবেও না।’ শামসুর রাহমান লিখেছেন, ‘বিস্মৃতি যতই পীড়িত করুক, কখনো ভোলা সম্ভব হবে না কবি জসীমউদ্দীনকে, মানুষ জসীমউদ্দীনকে। কারণ তিনি আমাদেরই একজন।’ কবি-গীতিকার-প্রাবন্ধিক-সমালোচক আবু হেনা মোস্তফা কামাল লিখেছেন, ‘আমাদের সাহিত্য এ পর্যন্ত যে পরিমাণে গদ্য রচিত হয়েছে সেই পরিমাণ সফল মৌলিক গদ্যলেখকের জন্ম আদৌ হয়নি। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিচার করলে জসীমউদ্দীনের গদ্যরচনা পৃথক মর্যাদায় অভিষিক্ত হবার।’ 
অন্যদিকে, সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘জসীমউদ্দীন : কবি মানস’ শিরোনামের মূল্যায়নটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক ও সংশয়িত হওয়ার মতো। তিনি লিখেছেন, ‘আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে পল্লী নিয়ে জসীমউদ্দীনের কাব্যসাধনা তাই যথেষ্ট শক্তিমত্তার পরিচয় সত্ত্বেও একটা সাহসিক পরীক্ষারূপেই থেকে গেল, নবকল্লোলে আমাদের কাব্যের প্রবাহকে সঞ্জীবিত করে তুলল না। তার অনেক কবিতাই হয়েতো গতানুগতিকতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি; কিন্তু কবর ও পল্লীজননীর মতো কবিতা, নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাটের মতো কাব্যোপন্যাস কবিত্বে সকল মাপকাঠিতেই উত্তীর্ণ হবে, এমন ভরসা করা নিশ্চয়ই অন্যায় হবে না।’ জসীমকে ঘিরে সৃষ্ট ও চলমান বাস্তবতা কেন প্রবহমান তা পষ্ট না হলেও তার ইঙ্গিত বোঝা সম্ভব তাকে নিয়ে দীর্ঘ কলেবরের গবেষণা করা গবেষকের অমীমাংসিত মন্তব্যে। জসীম প্রতিভা মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে আমাদের মনন কারিগররা দায় ও দায়িত্ব কতটা সুচারুরূপে সম্পন্ন করেছে বা সে ধারা কতটা চলমান রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে, নিঃসংশয়িত সিদ্ধান্ত হলো জীবদ্দশায় ও মৃত্যু-পরবর্তীতে কখনোই জসীমউদ্দীনের ওপর জাতির যে দায়Ñ সেই দায় পালনের জন্য আলো ফেলা হয়নি, হলে জসীম প্যারাডক্স সৃজিত হতো না।
আমরা স্বীকার করি আর নাই করি, জসীমকে ঘিরে সৃষ্ট মূল্যায়নের এ করণকৌশল মিথে পরিগণিত হয়ে তার সাহিত্যিক প্রতিভাকে আড়ালে রেখেছে। এ কারণে স্বতন্ত্রধারার উদ্গাতা হয়েও তার বহমানতা যেমন থাকেনি তেমনি তার চুলচেরা মূল্যায়নও হয়নি, যা করা আমাদের সাহিত্যের বৃহত্তর স্বার্থেই অপরিহার্য ছিল, যা করার ক্ষেত্রে কবির ব্যক্তিজীবনের প্রতি আলোকপাত করার নেই কোনো বিকল্প। কেননা, তার কর্মযাপন এখনও গোলমেলে ঠেকে। তিনি দীনেশ চন্দ্র সেনের সহায়তায় মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহে ভূমিকা রাখার পর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় যুক্ত হয়েও কেন সরকারি চাকরিতে গেলেন, তা পরিষ্কার নয়। স্কুল শিক্ষক পিতার ছেলের এরূপে বাঙালি সমাজ-মানস অভ্যস্থ নয়। ‘কবর’ কবিতায় তিনি যে বিরল সম্মান পেয়েছেন, শিক্ষার্থী অবস্থায়Ñ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পাঠ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দ্বিতীয় উদাহরণ না থাকার পরও তিনি ওই ধারায় স্থিত যেমন থাকেননি তেমনি নিজেকে মেলে ধরার ক্ষেত্রেও সর্বস্ব উৎসর্গ করেননি। ‘রাখালী’, ‘নকশী কাঁথার মাঠ’, ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’-এর পর চেনা জসীম যেন অন্যে জসীমে পরিগণিত হলেন, যা মস্ত বড় রহস্য বৈকি। পদ্যকার জসীম একসময় হয়ে উঠলেন গদ্যকার জসীম এবং তাতেই প্রায় ধাতস্থ হলেন। মাঝে মাঝে জানান দেয়ার চেষ্ট করলেও তার আওয়াজ ক্ষীণ। অথচ নকশী কাঁথার মাঠের জসীম তখন বাঙাল মুলুক পেরিয়ে ইউরোপও মাত করেছেন। এসব নিয়ে কি তার কোনো হেলদোল ছিল না? যদি না থাকে তাও মস্ত বদ প্যারাডক্স, যা উদ্ঘাটন হলে সূচিত হতে পারে জসীম প্রতিভার স্বরূপ নির্ণয়ের প্রথম ও প্রধান বাধা, ধন্দ, অতিস্তুতি, উপেক্ষার স্বরূপÑ দূর হতে পারে তার জীবন, কর্ম ও সাহিত্যিক প্রতিভা নিয়ে সৃষ্ট প্যারাডক্স।


নৈসর্গ, পাহাড় ও নদীর কবি
কবি ও কথাসাহিত্যিক আফিফ জাহাঙ্গীর আলির জন্মদিন পহেলা জানুয়ারি। ১৯৭৮
বিস্তারিত
এলোমেলো
মনে করো কেউ তোমাকে ডাকেনি,  অথচ তুমি শুনতে পাচ্ছো অতল
বিস্তারিত
বুড়ি চাঁদ
সুগন্ধি রোমাল হাতে         তুমি মেপে গেলে ষাঁড়ের
বিস্তারিত
প্রেমিক হতে পারি না আজকাল
প্রেমিকার উষ্ণ চুম্বনে কৃষ্ণগৌড় ঠোঁটে  ভেসে ওঠে শোষিত মানুষের রক্তের দাগ! 
বিস্তারিত
এ মাটি
এ মাটি আমাকে দিয়েছে জীবনের যতো গান, বাতাসে রৌদ্রের ঝিলিমিলি প্রজাপতি
বিস্তারিত
নোনাজলের ঢেউ
যাবতীয় আয়োজন শেষে কত ভেঙেছি  এ নদীতে নোনাজলের মিছিলের ঢেউ  শব্দবাণে
বিস্তারিত