রুদ্রর স্মৃতি

একদিন বাংলা একাডেমিতে আমার ঘরে রুদ্রকে বলেছিলাম, আপনার কবিতার উৎসর্গ আমাকে মুগ্ধ করে। তিনি হেসে বলেন, উৎসর্গও আমার কবিতা। এই যে আপনি আনন্দ পাচ্ছেন, মানে পাঠকের আনন্দ, এটা আমারও আনন্দ। রুদ্র তার প্রথম কবিতার বই ‘উপদ্রুত উপকূল’ গ্রন্থের উৎসর্গ করেছেন এভাবে : ‘থামাও, থামাও এই মর্মযাত্রী করণ বিনাশ এই ঘোর অপচয় রোধ করো হত্যার প্লাবন। 
সিরাজ সিকদার 
শেখ মুজিবুর রহমান
আবু তাহের 
বইটি প্রকাশিত হয় ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে 

শিশু-কিশোরদের জন্য পত্রিকা ‘ধান শালিকের দেশ’ সম্পাদনা করতাম আমি। কাজের ফাঁকে আড্ডার রেশ জেগে থাকত আমাদের মনে। এ ঘরেই আমি প্রথম দেখি তারুণ্যদীপ্ত কবি রুদ্রকে। ওর ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতাটি বেশ সাড়া জাগিয়েছে তখন। বিশেষ করে একটি লাইন ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন।’ এ সময়ে রুদ্রকে স্মরণ করে যখন কিছু লেখার কথা ভাবছি, তখন মনের মাঝে ভেসে ওঠে সেই কবিতার পঙ্ক্তি। যেন এক আশ্চর্য কবি দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে। বলছে, এখন থেকে দুই যুগের বেশি সময় আগে যে কবিতা লিখেলিছাম তা কি আবার ফিরে এসেছে? কবির ভিশনের দিকে তাকিয়ে থাকি আমি। তার একটি পঙ্ক্তিই হাজার হাজার পৃষ্ঠার সমান। সব কথা না বলে একটি কথাই বলে 
দিয়েছে। যার নির্দিষ্ট বক্তব্যের কোনো কিছুই অদৃশ্য থাকে না​

রুদ্রর সঙ্গে আমার কবে পরিচয় হয়েছিল তা এতদিনে মনে নেই। তবে এটা মনে আছে যে, দেখা হয়েছিল বাংলা একাডেমিতে। বাংলা একাডেমি আমার অত্যন্ত প্রিয় প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে ৩৪ বছর চাকরি করার সূত্রে দেখেছি দেশের নবীন-প্রবীণ প্রায় সব লেখকেরই কমবেশি প্রিয় প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি। নিয়মিত নবীন-প্রবীণ লেখকদের আড্ডা জমত বাংলা একাডেমির প্রেস বিল্ডিংয়ের দোতলার একটি ঘরে। একাডেমি থেকে প্রকাশিত চারটি পত্রিকার সম্পাদনার কক্ষ ছিল সেটি। সাহিত্য পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’ সম্পাদনা করতেন কবি রফিক আজাদ। গবেষণা পত্রিকা সম্পাদনা করতেন রশীদ হায়দার। বিজ্ঞান পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তপন চক্রবর্তী। শিশু-কিশোরদের জন্য পত্রিকা ‘ধান শালিকের দেশ’ সম্পাদনা করতাম আমি। কাজের ফাঁকে আড্ডার রেশ জেগে থাকত আমাদের মনে। এ ঘরেই আমি প্রথম দেখি তারুণ্যদীপ্ত কবি রুদ্রকে। ওর ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতাটি বেশ সাড়া জাগিয়েছে তখন। বিশেষ করে একটি লাইন ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন।’ এ সময়ে রুদ্রকে স্মরণ করে যখন কিছু লেখার কথা ভাবছি, তখন মনের মাঝে ভেসে ওঠে সেই কবিতার পঙ্ক্তি। যেন এক আশ্চর্য কবি দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে। বলছে, এখন থেকে দুই যুগের বেশি সময় আগে যে কবিতা লিখেছিলাম তা কি আবার ফিরে এসেছে? কবির ভিশনের দিকে তাকিয়ে থাকি আমি। তার একটি পঙ্ক্তিই হাজার হাজার পৃষ্ঠার সমান। সব কথা না বলে একটি কথাই বলে দিয়েছে। যার নির্দিষ্ট বক্তব্যের কোনো কিছুই অদৃশ্য থাকে না। 
রুদ্রর কবিতার অনেক উদ্ধৃতি দেয়া যায় যেগুলো কাব্যিক ব্যাকুলতায় যেমনি স্পর্শ করে তেমনি ভিন্ন অর্থের মাত্রায় সুদূরে পৌঁছে যায়। যেমন : ‘শুধু রক্তে আজ আর কৃষ্ণচূড়া ফুটবে না ডালে।’ কিংবা ‘আর রাত্রির কালো মাটি খুঁড়ে আলোর গেরিলা আসে।’ কিংবা আমার আগামী আমি তাকে পেতে চাই শ্রেণীহীনতার রোদে। আমি তাকে মানুষের প্রাকৃতিক চেহারায় পেতে চাই মানুষের পৃথিবীতে। 
কিংবা : খুঁজে দেখি চলো হারানো প্রাণের গান, হারানো ফসল পূর্ণিমা উৎসব। 
রুদ্র এ ধরনের অনেক পঙ্ক্তি দিয়ে বড় বেশি টানে। 
পরবর্তী সময়ে রুদ্রর সঙ্গে পরিচয়ের আর একটি সুযোগ গড়ে উঠেছিল আনোয়ারের সূত্রে। নীলক্ষেতের কাঁটাবনে আনোয়ার চতুঙ্গ নামে একটি প্রিন্টিং প্রেস করেছিল। ১৯৮০ থেকে ৯০ এর মধ্যে প্রেসটি ছিল। অফিস শেষে আনোয়ার প্রায়ই সেখানে বসত। ছুটির দিনগুলোতে আমি সকালে বা বিকালে যেতাম। আমাদের পাশের প্রেসটি ছিল কবি অসীম সাহার। অসীম আনোয়ারের খুব কাছের বন্ধু। ধুম আড্ডা জমত সেখানে। অনেকে আসতেন। আমার মনে আছে রুদ্রর আড্ডায় উপস্থিতি এবং চলে যাওয়া ছিল একটু অন্যরকম। মনে হতো ঝড়ের বেগে আসত। সরিষার তেল মাখানো মুড়ি খাওয়া, দুই-একটা টেলিফোন করা এবং কিছুক্ষণ আড্ডায় থেকে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে যাওয়া ছিল তার রীতি। প্রায়ই অসীম সাহার ঘরে বসে দুইজনে একান্তে কথা বলত। খেয়াল করেছি আড্ডায় রুদ্রর আলোচনায় বিষয়ই ছিল কবিতা। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন সাহিত্য সভায় যোগদানের অভিজ্ঞতাও তার প্রিয় আলোচনা ছিল। বাংলা একাডেমিতে কিংবা নীলক্ষেতে বা অন্য কোথাও দেখা হলে মনে হতো যেন সে গুনগুন করে গান গাইছে। আনোয়ার বলত, ও গুনগুন করে গাইতে ভালোবাসে। যেন ও আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখছে। সবসময়ই লেখে। ও একজন খাঁটি কবি। রুদ্রর মৃত্যুর খবর শুনে আনোয়ার কষ্ট পেয়েছিল। 
একদিন বাংলা একাডেমিতে আমার ঘরে রুদ্রকে বলেছিলাম, আপনার কবিতার উৎসর্গ আমাকে মুগ্ধ করে। তিনি হেসে বলেন, উৎসর্গও আমার কবিতা। এই যে আপনি আনন্দ পাচ্ছেন, মানে পাঠকের আনন্দ, এটা আমারও আনন্দ। রুদ্র তার প্রথম কবিতার বই ‘উপদ্রুত উপকূল’ গ্রন্থের উৎসর্গ করেছেন এভাবে : 
‘থামাও, থামাও এই মর্মযাত্রী করণ বিনাশ এই ঘোর অপচয় রোধ করো হত্যার প্লাবন। 
সিরাজ সিকদার 
শেখ মুজিবুর রহমান
আবু তাহের 
বইটি প্রকাশিত হয় ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে। 
‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাস’ গ্রন্থের উৎসর্গ 
এমন : ‘বিশ্বাসের তাঁতে আজ আবার বুনতে চাই হীজনের দগ্ধ মসলিন’ বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। সেদিন বাংলা একাডেমিতে আমার ঘরে বসে রুদ্র নিজের কবিতার বইয়ের উৎসর্গের কথা বলে হেসে ভরে দিয়েছিলেন। এখনও কানে বাজে সে শব্দ। রুদ্রর প্রাণশক্তির অসাধারণ যোগ দেখে কখনও ভেবেছিলাম রুদ্রকে নিয়ে একটি গল্প লিখব। কিন্তু লেখা হয়নি। রুদ্রর বিয়ে এবং বিবাহ-বিচ্ছেদ মিলিয়ে এমন ভিন্ন প্রেক্ষিত তৈরি হলো যে, আর কিছু ভাবার সুযোগ হলো না। বাংলা একাডেমিতে আমরা চারজন পত্রিকা সম্পাদক আর একঘরে থাকব না। প্রত্যেকের আলাদা ঘর হয়েছে। কখনও রুদ্র সরাসরি রফিক আজাদের ঘরে যেতেন। রুদ্র এসেছে টের পেলে আমি উঠে রফিক আজাদের ঘরে যেতাম। একজন নবীন কবির জন্য টান ছিল এমন। বয়সে অনেক ছোট হওয়া সত্ত্বেও রুদ্রর কবিতার জন্য ওর কোনো বয়সের হিসাব আমার কাছে ছিল না। এমনই ছিল রুদ্রর উপস্থিতি আমাদের কাছে। নীলক্ষেতে রুদ্রর আসা-যাওয়ার কথা বলেছি। সেটিও ছিল আমার জন্য রুদ্রকে দেখার সুযোগ। তবে সেখানে নিয়মিত যেতাম না বলে সবসময় দেখা হতো না। আমি জানি রুদ্র নিজেই নিজের গানের সুর করেছেন। গান লেখা এবং সুর করা কবিতা লেখার পাশাপাশি আরেকটি সৃজনশীল কাজ। নীলক্ষেতে আড্ডা দেয়ার আগে-পরে রুদ্র সুর গুনগুনিয়ে গাইতেন। যেন তিনি মগ্নতায় আছেন। খুব ভালো লাগত রুদ্রর এ ভঙ্গি। নিজের মগ্নতার সুর তাকে মহীয়ান করেছেÑ যে জন্য তার পঙ্ক্তি ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’Ñ তরুণ প্রজন্মের মুখেমুখে উঠে এসেছে। 
রুদ্রর গানের পঙ্ক্তি ‘আমরা পাড়ি দেবো/ রুদ্র সমুদ্র কালো রাতÑ এ গানটিও রুদ্র সুর করেছেন। একদিন প্রশ্ন করেছিলাম, কোনটা ভালো লাগে আপনারÑ কবিতা না গান? রুদ্র হেসে বলেছিল, দুটোই। গদ্য লিখতেও আমার ভালো লাগে। বানান নিয়ে খেলতে আরও ভালোবাসি। আমি বলেছিলাম, আপনার এ ব্যাপারটার সঙ্গে আমি একমত নই। আপনার কোনো কোনো বানান দেখলে আমার খুব অস্বস্তি লাগে। 
রুদ্র আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, দুই-একটা বলেন। আমি দুই-একটার উদাহরণ দিলাম। রুদ্র বললেন, কেউ মানতে না পারলে আমার কিছু করার নেই। আমি আমার বৈশিষ্ট্যেই থাকব। এসব নিয়ে অন্যরা কী ভাবছে সেটা আমার ভাবার দরকার নেই। তবে আমার পক্ষে যুক্তি আছে। এখন আর কথা বলার সময় নেই। অন্য আরেকদিন আপনার সঙ্গে তুমুল লড়াই হবে। তবে নীলক্ষেতে না, বাংলা একাডেমিতে। 
আমি হাত নাড়লে রুদ্র হাসতে হাসতে চলে যায়। আনোয়ার আমাকে বলে, রুদ্র ঠিকই একদিন তোমার বাংলা একাডেমির ঘরে গিয়ে হাজির হবে। রুদ্র কথা দিলে কথা রাখে। তোমাকে আমার একটি স্মৃতির কথা বলি। একবার আমরা লায়ন্স ফাউন্ডেশনের একটি বার্ষিক প্রতিবেদন মুদ্রণ করেছিলাম। জানুয়ারি মাসে বার্ষিক সম্মেলন ছিল। সময় ছিল খুব কম। কোথাও প্রেস পাচ্ছিলাম না। কি যে করি, মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ি। রুদ্র আমার অবস্থা দেখে বলল, আনোয়ার ভাই ঘাবড়াবেন না। আমি ব্যবস্থা করে দেব। আগামীকাল সকালে আপনাকে নিয়ে প্রেসের মালিকের কাছে যাব। আপনি ১০টার সময় এখানে থাকবেন। আমরা শেখ সাহেব বাজারে যাব। পরদিন সকাল ১০টার দিকে অসীম সাহা জানাল, রুদ্র জরুরি কাজে ময়মনসিংহ চলে গেছে। আমি তো মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকলাম। পর দিন লায়ন্স ফাউন্ডেশনের সম্মেলন বিকাল ৪টায়। দুপুরে ভাত খেতে বাড়িতেও গেলাম না। একদিকে চিন্তায় অস্থির, অন্যদিকে টেলিফোনে বিভিন্ন প্রেসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। যেহেতু জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ সে জন্য কোনো প্রেসই ছাপতে রাজি হচ্ছিল না। সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৫টা-সোয়া ৫টার দিকে রুদ্র এসে হাজির। একগাল হেসে বলল, আমি এসে গেছি। এত মুখ শুকনো করে বসে আছেন কেন আনোয়ার ভাই? কাজ হবে। আমি আপনাকে শেখ সাহেব বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছি। আমাদের সাড়ে ৫টার মধ্যে পৌঁছালে চলবে। আমি বললাম, ময়মনসিংহ থেকে কী করে এত তাড়াতাড়ি ফিরলেন? আমি তো ধরে নিয়েছিলাম যে আপনি আজকে কিছুতেই ফিরতে পারবেন না। রুদ্র হাসতে হাসতে বলল, একটি ফ্যামিলি গাড়িতে করে আসছিল, তাদের সঙ্গে চলে এলাম। নাসরিন থাকতে বলেছিল। আমি রাজি হইনি। আপনার কাজটার গুরুত্ব আমার মাথায় ছিল। সেদিন রুদ্রর সঙ্গে যাওয়াতেই মুদ্রণ কাজটি যথাসময়ে শেষ করে পরদিন লায়ন্স ফাউন্ডেশনকে দিতে পেরেছিলাম। এমনই ছিল রুদ্র। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সেটা কখনও ফিরিয়ে নেয়নি। আনোয়ার আমাকে আরও একদিন বলেছিল যে, রুদ্রর বিবাহিত জীবনের শেষ দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে ওকে খানিকটা বিষণœতায় পেয়েছিল। 
অসীমের ঘরে রুদ্র ও তসলিমা নাসরিনকে প্রায়ই বিরোধ মেটানোর চেষ্টায় বসতে দেখেছি। শেষ পর্যন্ত বিয়ে টিকেনি। কিন্তু আমার সঙ্গে সম্পর্ক একই রকম ছিল। এদিকে এলেই দরজায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করবে, আনোয়ার ভাই কেমন আছেন? সেই চেনা মুখ, সেই কণ্ঠস্বর এখনও আমার কাছের মনে হয়। যেন রুদ্র দূরে কোথাও যায়নি। একজন কবি, একজন উদার মনের মানুষ, দায়িত্বশীল, সাহিত্যঅন্তপ্রাণ একজন মানুষ বারবারই ঘুরে আসবে এ দেশের সংস্কৃতিচর্চার পরিম-লে। এখানেই রুদ্রের অবস্থান। রুদ্রর একটি সাক্ষাৎকার পড়েছিলাম মনে আছে। রুদ্রকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি কবিতা লিখে কতটুকু তৃপ্ত? রুদ্র বলেছিলেন, শুধু কবিতা লিখে জীবনযাপন করতে পারি না বলে আমি অতৃপ্ত। কবিতা লিখতে পারার জন্য আমি পরিপূর্ণ তৃপ্ত। 
একজন কবি এর চেয়ে বড় উত্তর আর কী দেবেন? এখানেই রুদ্রর বৈশিষ্ট্য। সাহিত্যের শিল্পকে হৃদয়ের গভীরে অনবরত বইতে দিয়েছেন। প্রবহমান মূলধারা থেকে তুলেছেন মুক্তা। আয়ু তাকে সুযোগ দেয়নি। দিলে কত বড় জায়গায় পৌঁছতেন তা অনায়াসে ভাবা যায়। রুদ্রর স্মৃতির কাছে নতজানু হই।  হ

 

 


নৈসর্গ, পাহাড় ও নদীর কবি
কবি ও কথাসাহিত্যিক আফিফ জাহাঙ্গীর আলির জন্মদিন পহেলা জানুয়ারি। ১৯৭৮
বিস্তারিত
এলোমেলো
মনে করো কেউ তোমাকে ডাকেনি,  অথচ তুমি শুনতে পাচ্ছো অতল
বিস্তারিত
বুড়ি চাঁদ
সুগন্ধি রোমাল হাতে         তুমি মেপে গেলে ষাঁড়ের
বিস্তারিত
প্রেমিক হতে পারি না আজকাল
প্রেমিকার উষ্ণ চুম্বনে কৃষ্ণগৌড় ঠোঁটে  ভেসে ওঠে শোষিত মানুষের রক্তের দাগ! 
বিস্তারিত
এ মাটি
এ মাটি আমাকে দিয়েছে জীবনের যতো গান, বাতাসে রৌদ্রের ঝিলিমিলি প্রজাপতি
বিস্তারিত
নোনাজলের ঢেউ
যাবতীয় আয়োজন শেষে কত ভেঙেছি  এ নদীতে নোনাজলের মিছিলের ঢেউ  শব্দবাণে
বিস্তারিত