সাঁতার না জানলে ডিগ্রি নেই!

সাঁতার না জানলে তার ষোলআনাই বৃথা। সংস্কৃত পণ্ডিতকে বলা মাঝির এই সংলাপটা প্রায় প্রবাদের আকার নিয়েছে। সেটাই যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে চীনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সাঁতার না জানলে তাঁকে নাকি স্নাতক ডিগ্রি দেওয়া দেবে না বিশ্ববিদ্যালয কর্তৃপক্ষ! খবর আজকালের

চীনের শিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় প্রাচ্যের হার্ভার্ড। দেশের অন্যতম সেরা ছাত্ররা পড়তে আসেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এবার সেখানে শর্ত দেওয়া হয়েছে, সাঁতার না জানলে কিন্তু ডিগ্রি দেওয়া হবে না। কলা, বাণিজ্য বা বিজ্ঞান–‌যে শাখারই ছাত্র হোন, সাঁতার তাঁকে জানতেই হবে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, কেউ যদি কলা বা বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চায়, তার সাঁতার কী কাজে লাগবে?‌ এভাবে বাধ্য করা হচ্ছে কেন?‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তি, সাঁতারের মাধ্যমে ফিটনেস থাকে। তাই ওটা জরুরি। অন্যান্য পড়াশোনা চলুক। পাশাপাশি অন্তত পঞ্চাশ মিটার সাঁতারের পরীক্ষা দিতেই হবে। 
আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এইরকম নিয়ম ছিল। কিন্তু পরে তা তুলে দেওয়া হয়। কারণ, বেজিংয়ে তখন পর্যাপ্ত সুইমিং পুল ছিল না। এখন সুইমিং পুলের অভাব নেই। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই আছে সুইমিং পুল। তবে ভর্তির আগে সাঁতার জানাটা বাধ্যতামূলক নয়। ভর্তির আগে যদি ছাত্র নাও জানে, ভর্তির পর দ্রুত শিখে নিতে হবে। না শিখলে বিপাকে পড়তে হবে। পরীক্ষায় যতই ভালো নম্বর আসুক না কেনো, ডিগ্রি পাওয়া যাবে না?


জীবিত নারীকে রাখা হলো লাশঘরের
দক্ষিণ আফ্রিকার এক নারীকে লাশঘরের ফ্রিজে জীবিত পাওয়ার পর তোলপাড়
বিস্তারিত
হানিমুনে গিয়ে কিপটেমি করায় স্বামীকে
বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা এই যুগে যথেষ্ট সহজ হয়ে গেছে। গত
বিস্তারিত
বরকে ছিনিয়ে নিতে বিয়ের আসরে
সাবেক প্রেমিকের বিয়েতে কনে সেজে পৌঁছে গেলেন সাবেক প্রেমিকা। ভালোবাসার
বিস্তারিত
স্বামী পেটানোয় বিশ্বের এক নম্বর
মিশরের নারীদেরকে স্ত্রী হিসেবে পেতে অনেক পুরুষই মনে মনে চান।
বিস্তারিত
যে কারণে জাপানের ব্যবসায়ী-চাকরিজীবীরা রাতে
দীর্ঘ কর্ম সংস্কৃতির জন্য জাপানের একটি খ্যাতি রয়েছে। যেটাকে অনেকে
বিস্তারিত
ছাত্রদের পাশ করাতে বিছানায় ডাকতেন
ইওকাসতা নামের চল্লিশোর্ধ স্কুল শিক্ষিকা ছাত্রদের পাস করিয়ে দিতে একটি
বিস্তারিত