বিশ্বব্যাপী ১০ কোটি তরুণের

‘১০০ মিলিয়ন ফর ১০০ মিলিয়ন’ ক্যাম্পেইন

সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে এ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে গণসাক্ষরতা অভিযান। দেশের সুবিধাবঞ্চিত ৬০ লাখেরও বেশি শিশুকে সুস্থ জীবন ও শিক্ষায় ফিরিয়ে আনা, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী শিশু-যুবাদের শিক্ষা ও উন্নয়নে যুক্ত করা এবং শিশু-কিশোর-যুব নারীদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশেও এ ক্যাম্পেইন পরিচালনার উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের তরুণ সম্প্রদায়ের ৬০ লাখ সদস্যকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানা গেছে
 

বিশ্বে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০০ কোটি তরুণ। এদের একটি বড় অংশ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত, যারা অনেক মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। ১০ কোটিরও বেশি শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের সঙ্গে জড়িত, যার মধ্যে ৫০ লাখ শ্রমদাস হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। এখনও বিশ্বব্যাপী ১০ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী রয়ে গেছে স্কুলের বাইরে। ১০ বছরে ২০ লাখ শিশু মারা গেছে যুদ্ধবিগ্রহ ও সহিংসতার কারণে। মেয়ে শিশু ও নারীর ওপর নির্যাতনের হারও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি পাঁচজন নারীর মধ্যে একজন কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে শিশু-কিশোর-যুবাদের, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম থেকে মুক্ত করা, নির্যাতন থেকে রক্ষা করা, স্বাভাবিক জীবনের নিরাপত্তা প্রদান ও তাদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৬ সালে ভারতের শিশু অধিকার কর্মী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী কৈলাস সত্যার্থীর উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একযোগে গৃহীত হয়েছে 100 MILLION for 100 MILLION ’ অর্থাৎ ‘১০০ মিলিয়ন ফর ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের জন্য আমরা ১০ কোটি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন। যে ১০টি দেশের সিভিল সোসাইটি এখানে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে, তাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ।
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যারা নেতৃত্ব দেবে, সেই তরুণ সম্প্রদায়ের ১০ কোটি সদস্যকে সম্পৃক্ত করে তাদের সহযোগিতায় সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর ১০ কোটি শিশু-কিশোর-যুবাদের জীবনমান উন্নয়নে উদ্যোগী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করবে এ ক্যাম্পেইন। তাদের উন্নয়ন প্রয়াস আরও জোরদার করার জন্য দেশে দেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আহ্বান জানাবে এ তরুণ সমাজ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে এ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে গণসাক্ষরতা অভিযান। দেশের সুবিধাবঞ্চিত ৬০ লাখেরও বেশি শিশুকে সুস্থ জীবন ও শিক্ষায় ফিরিয়ে আনা, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী শিশু-যুবাদের শিক্ষা ও উন্নয়নে যুক্ত করা এবং শিশু-কিশোর-যুব নারীদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশেও এ ক্যাম্পেইন পরিচালনার উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের তরুণ সম্প্রদায়ের ৬০ লাখ সদস্যকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানা গেছে।
২ এপ্রিল রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদ গেটের সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক তরুণ শিক্ষার্থী সমাবেশে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন কৈলাস সত্যার্থী। এ সময় তিনি সমাবেশে উপস্থিত হাজারও তরুণকে শপথবাক্য পাঠ করান। সেই শপথবাক্য হলো, ‘আমি শপথ করছি যে, আমরা সাধ্যমতো শিশুশ্রম নিরসনের চেষ্টা করব। সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাব। শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ করব। শিশু-কিশোর-নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ জীবন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেব। আমাদের ভবিষ্যৎ আমরাই গড়ব।’
এ সময় তরুণদের উদ্দেশে কৈলাস সত্যার্থী বলেন, তারুণ্যের শক্তির সঙ্গে আর কোনো শক্তির তুলনা হয় না। তারুণ্যের শক্তিই সবার ওপরে। আজ একটি বিশেষ দিন। বিশ্বের সবাই দেখছে বাংলাদেশী তরুণরা ইতিহাস করতে যাচ্ছে আর সেটা হচ্ছে আজকের এ কর্মসূচির মাধ্যমে। এ সময় তিনি উপস্থিত তরুণদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা কি ইতিহাস সৃষ্টি করতে যাচ্ছ? তখন উপস্থিতিরা ‘হ্যাঁ’ বলে জবাব দেন।
তিনি বলেন, পুরো বিশ্ব দেখছে আজ, বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। অনেক রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। ১৯৭১ সালে যখন আমি তরুণ বালক ছিলাম তখন তাদের মুখে শুনেছি, ‘আমার বাংলা সোনার বাংলা।’ আজ আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ আমার ‘সেকেন্ড হোম’। 
তিনি বলেন, বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের আর তরুণদের সেই শক্তিটা রয়েছে। তরুণরাই বাংলাদেশের মূলশক্তি। ভারতই প্রথম দেশ, যেখানে 100 MILLION for 100 MILLION ক্যাম্পেইন চালু হয়েছে। এরপর ইউরোপ-আমেরিকার কোনো দেশ নয়, প্রথমই বাংলাদেশেই চালু হয়েছে এ কর্মসূচি। আমার ‘সেকেন্ড হোম’ বাংলাদেশে এটি চালু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মিলিয়ন মিলিয়ন শিশু শিক্ষা-স্বাস্থ্য-স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তরুণদের সময় এসেছে তাদের পাশে দাঁড়ানোর। 
সমাবেশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ দেশ সৃষ্টি হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। আমরা বঞ্চিত মানুষের ক্ষোভ এবং যন্ত্রণা থেকেই এ দেশের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের অঙ্গীকার হলো, এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সব বাধাকে পেছনে ফেলে নিশ্চয় এগিয়ে যাবে এ দেশ। 
পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, তরুণদের নিয়ে কৈলাস সত্যার্থী যে উদ্যোগটা নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা সবাই এ উদ্যোগের পাশে থাকব। আমি তরুণদের উদ্দেশ করে বলব, যারা সমাজে শিশুশ্রমে জড়িত রয়েছে তাদের বাঁচাতে হবে, তোমরা এগিয়ে আস। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। 
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক বলেন, ২০০১ সাল পর্যন্ত ৩৪ লাখ শিশু শিশুশ্রমে নিয়োজিত ছিল। সেখান থেকে ২০১৩ সালে সেটা নেমে এসেছে ১৭ লাখে। সরকারের পক্ষ থেকে শিশুশ্রম কমানোর জন্য অনেক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন করব এবং ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসন করব। বাংলাদেশের খ্রিস্টান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও বলেন, ১০ কোটি মানুষের জন্য আমরা ১০ কোটি লোক আছি। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আমরা কাজ করব।
অর্থনীতিবিদ ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ বলেন, তরুণরাই পারে এ উদ্যোগকে সফল করতে। আমাদের এখন এই সময় নেই। তবে আমরা তোমাদের পাশে থাকব সব সময়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা যারা সমাজের সুবিধাভোগী তারা সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াব। আর যেই মানুষটি এ উদ্যোগটি নিয়েছে কৈলাস সত্যার্থী, উনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরাও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। আজকের অনুষ্ঠানে যেসব তরুণ উপস্থিত রয়েছে তারা যদি এ উদ্যোগটা বুঝতে পারে, তাহলেই কৈলাস সত্যার্থীর উদ্যোগটা সার্থক হবে বলে মনে করি।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণসাক্ষরতা অভিযানের চেয়ারম্যান কাজী রফিকুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হক প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি নীতিনির্ধারণী ব্যক্তি, নাগরিক সমাজের নেতা এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের হাজারও শিক্ষার্থী ও তাদের শিক্ষক-অভিভাবকরা। গণসাক্ষরতা অভিযান এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জানা যায়, ২০১৪ সালে তালেবান হামলায় বেঁচে যাওয়া পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল লাভ করেন ভারতের শিশু অধিকার কর্মী কৈলাস সত্যার্থী। ২০১৬ সালে তার উদ্যোগে চালু হয় 100 MILLION for 100 MILLION ’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন কর্মসূচি। গেল বছরের ১১ ডিসেম্বর ভারতে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এ ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, আগামী প্রজন্মের জন্য যুবসমাজের নেতৃত্বে ও অংশগ্রহণে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সাক্ষর সমাজ গঠন; শিশুশ্রম, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণ, বিদ্যালয়ে ভর্তিসহ সার্বিক সাক্ষর সমাজ প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনসচেতনতা তৈরি, জন অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্যোগী করে তোলা; যুবসমাজের উদ্যোগে সারা বিশ্বের ১০ কোটি সুবিধাবঞ্চিত যুবসমাজের শিক্ষা ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দারিদ্র্য প্রশমনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত অগ্রসর যুবসমাজকে উদ্যোগী করে তোলা; ১০ কোটি শিশু-কিশোর-তরুণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নীতিনির্ধারকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহায়ক আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আগ্রহী করে তোলা। 
এ ক্যাম্পেইনের স্লোগান হচ্ছে, ‘সকল প্রকার নির্যাতন থেকে শিশু ও যুবসমাজকে রক্ষা করা; শিশুশ্রম থেকে শিশুদের মুক্ত করা; শিশু ও যুবাদের শিক্ষা কার্যক্রম ও দক্ষতা উন্নয়নে যুক্ত করা। বাংলাদেশে এ ক্যাম্পেইনের প্রস্তাবিত সেøাগান হচ্ছে ‘100 MILLION for 100 MILLION  (১০ কোটি শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের জন্য আমরা ১০ কোটি। আমাদের ভবিষ্যৎ আমরাই গড়ব।’
ভারতে যারা শিশু অধিকার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন কৈলাস সত্যার্থী তাদের অন্যতম। ১৯৫৪ সালের ১১ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশব-কৈশোরে বেশকিছু উদ্যোগের পর ১৯৮০ এর দশকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে পুরোদমে শিশু অধিকারের আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন কৈলাস। ১৯৯০-এর দশক থেকে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ব্যাপকভাবে সক্রিয় হন। গড়ে তোলেন ‘বাচপান বাঁচাও’ আন্দোলন, যে সংগঠনটি সারা ভারতে এ পর্যন্ত ৮০ হাজারেরও বেশি শিশুকে শ্রমের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে পুনর্বাসন আর শিক্ষাও নিশ্চিত করেছে।
শুধু ভারত নয়, কৈলাস বিশ্বব্যাপী নানা সামাজিক কর্মকা-েও নিজেকে জড়িয়েছেন। গ্লোবাল মার্চ অ্যাগেইনস্ট চাইল্ড লেবার, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অন চাইল্ড লেবার অ্যান্ড এডুকেশনের পাশাপাশি গ্লোবাল ক্যাম্পেইন ফর এডুকেশনের সঙ্গেও কাজ করে যাচ্ছেন। কম্বল ও কার্পেট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোয় শিশুদের শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে সনদ দেয়ার জন্য কৈলাস গড়ে তোলেন ‘রাগমার্ক’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা বর্তমানে ‘গুডউয়েভ’ নামে পরিচিত। তার এ সংগঠন ১৯৮০ এবং ’৯০-এর দশকে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে কারখানায় শিশুশ্রম ব্যবহারের বিষয়ে ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার চালায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে কার্পেট প্রস্তুত ও সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। শিশুশ্রমকে একটি মানবাধিকার ‘ইস্যু’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি একে কল্যাণ ও সেবামূলক বিষয় হিসেবে তুলে ধরতেও সক্ষম হন কৈলাস।


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত