মৃত বাবার সঙ্গে ১২ বছর!

মৃত মানুষ নাকি চা-কফি-সিগারেট গ্রহণ করেন, এমনকি টয়লেটেও যান! হ্যাঁ, শুনতে বিস্ময়কর মনে হলেও ইন্দোনেশিয়ার তোরাজান এলাকার মানুষ এটাই বিশ্বাস করে। তাইতো তারা মানুষের দেহকে বছরের পর বছর বাড়িতে রাখেন। তাকে প্রতিদিন নিয়মিত খবর দেন, দৈনন্দিন জীবনের সকল আচারে তাকে নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

বিবিসির প্রতিনিধি শেহের জানডের প্রতিবেদনে এমন সব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এলাকায় মৃত্যুকে জীবনের শেষ বলে মনে করা হয় না। এখানে মৃত্যু মানে অপর আরেক জীবনের শুরু।

তোরাজানবাসী মৃত মানুষকে অসুস্থ মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে। সেখানে বসবাস করা অর্ধেকের বেশি মানুষ মনে করে মৃত্যুর পরও অনেকে জীবিত থাকে। তারা মৃত মানুষের শরীরের সাথে এমন কিছু কার্যকলাপ করে যে, আপনি দেখলে ভয় পাবেন।

এমনি এক পরিবারকে নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, মামাক লিসা যিনি প্রায় ১২ বছর ধরে মৃত বাবা পাউলো সিরিনডার সঙ্গে বাস করছেন। তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হলো আপনার বাবা কোথায়? তখন তিনি বলেন, আমার বাবা অসুস্থ ওই ঘরে রয়েছে? একটি ঘর দেখিয়ে দিয়ে বলেন।

প্রতিবেদক বলেন, ঘরটি বেশ রঙ করা জাঁকজমক। তবে একটি খাটিয়া ছাড়া আর কিছু নেই। যেখানে একটি মৃত মানুষ শুয়ে আছেন। বাড়ির ছোট ছেলেরা নানার পাশে খেলা করছে!

লিসা বলেন, আমার বাবা বেশ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। কিন্তু তাতে কি? আমরা মৃত দেহের সঙ্গে বাস করে অভ্যস্ত। ভয়ের কিছু আজও দেখনি। 

ওই এলাকার প্রথা অনুযায়ী, প্রায় ৫০ জন পুরুষ বাঁশ দিয়ে একটি কফিন তৈরি করে। এরপর সেই কফিনে লাশ রেখে আসে। তখন সেই কফিনের ওপর বিভিন্ন ধরণের খাবার ও সিগারেট রেখে আসেন। পরে কফিনসহ সেই লাশ পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হয়।


খবরটি পঠিত হয়েছে ১১১০০ বার

‘কেউ কেউ আমাকে বিয়ে করতেও
বিশ্ব মিডিয়ার আগ্রহের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বাংলাদেশী এক ঔপন্যাসিক। সম্প্রতি
বিস্তারিত
এবার কৃত্রিম গর্ভ তৈরি করল
কৃত্রিম গর্ভ তৈরি করেছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। তারা
বিস্তারিত
কৃষ্ণচূড়া ফুলে লাল হয়েছে লোহাগড়ার
‌‘গাছে গাছে কৃষ্ণচূড়ায় সময়ের শিহরণ, গ্রীষ্মের খরতাপে রক্তিম জাগরণ’। গ্রীষ্ম
বিস্তারিত
জীবন নিয়ে কে কি ভাবেন?
গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস জীবনকে মনে করতেন মৃত্যুর চেয়েও কঠিন। দুঃখ-কষ্ট
বিস্তারিত
হাওরবাসীর চোখে জল নেই!
হাওরের দুঃখ কোথায়? মানুষের ব্যবহারে। সখিনার দুঃখ কোথায়? বুকের গহীনে।
বিস্তারিত
ভূগর্ভের ৪৫ ফুট নিচে বাড়ি!
পারমাণবিক শক্তিধর দেশেগুলোর মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে। যেকোনো সময়
বিস্তারিত