রোজার আগে ভাস্কর্য সরানোর দাবি

রমজান মাসের আগে ভাস্কর্য অপসারণ করা না হলে ১৭ রমজান দেশব্যাপী জেলায় জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাওসহ দুই দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।

তিনি বলেন, ‘রমজান মাসের আগে ভাস্কর্য অপসারণ করা না হলে ১৭ রমজান দেশব্যাপী জেলায় জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। তারপরও যদি ভাস্কর্য অপসারণ করা না হলে রমজান মাসের পর ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাও করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ও জাতীয় ঈদগার পাশে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য স্থাপন করে এদেশের মুসলিম নাগরিকদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এখানে ভাস্কর্য কীভাবে এলো তিনি জানতেন না। তাহলে এটা কি প্রধান বিচারপতির একক সিদ্ধান্তে হয়েছে নাকি সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিরাও ভাস্কর্য স্থাপনে একমত ছিলেন।’

কওমী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানিয়ে রেজাউল করিম বলেন, ‘বহুদিনের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে সম্প্রতি সরকার কওমী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদের স্বীকৃতি ঘোষণা করেছেন। দেশের আলেম সমাজের দাবি মেনে নিয়ে সনদের স্বীকৃতি ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। এ নিয়েও ইসলাম বিদ্বেষী একটি শ্রেণি অপপ্রচার শুরু করেছে। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, কওমী মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতির বিরোধিতা যারা করছে তারা গণবিচ্ছিন্ন।’

তিনি আরো বলেন, ‘সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করেছেন। ভারত সফরে তিনি দেশের জন্য কি অর্জন করেছেন তা দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার নয়। বহু কাঙ্ক্ষিত তিস্তার পানি বাংলাদেশ পায়নি তা তিনি নিজেই বলেছেন। কিন্তু ভারতকে তিনি কি দিয়ে এসেছেন তা তিনি বলেননি। ভারতের সাথে অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রতিরক্ষা সমোঝতার বিষয়ে কি আছে দেশবাসী তা জানতে চাই। এ নিয়ে লুকোচুরি করার পরিণতি ভালো হবে না।’

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম, অধ্যাপক মাওলানা সৈয়দ মেছাদ্দেক বিল্লা আল মাদানি, মাহাসচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা ইউনুচ আহমেদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, হাফেজ মাওলানা এ বি এম হেমায়েত উদ্দিন প্রমুখ।


খবরটি পঠিত হয়েছে ৪৬৬০ বার

‘ক্ষমতার ক্ষেত্রে আমিই বড় ভাববেন
গরিবদের আইনী সহায়তার জন্য প্রত্যেক জেলায় লিগ্যাল এইড অফিস করার
বিস্তারিত
প্রেমিকাসহ শাহাবুদ্দীন নাগরী কারাগারে
সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা ও কবি শাহাবুদ্দীন নাগরী (৬২) ও তার
বিস্তারিত
হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত আড়াই লাখ হেক্টর
বর্ষা মৌসুমের অনেক আগেই এবার পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের হাওরের পানি
বিস্তারিত
‘বিজয়ী হওয়ার জন্য অনেক কিছুই
‘নির্বাচনের আগে সব দলই কৌশল অবলম্বন করে বলে মন্তব্য করে
বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসে হুমকি: তৌসিফ ৩
ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসে হুমকি দেয়ার ঘটনায় গুলশান থানায় তথ্যপ্রযুক্তি ও
বিস্তারিত
‘ওয়ানডে নয় টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে
আগামী আগস্টে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল বাংলাদেশ সফরে আসবে বলে জানিয়েছেন
বিস্তারিত