‘বাতিল হচ্ছে চালের আমদানি শুল্ক’

চলমান সংকট মোকাবেলায় চালের উপর আমদানি শুল্ক বাতিলের কথা সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মিদ দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘চলমান সংকট মোকাবেলায় চালের উপর আমদানি শুল্ক বাতিলের কথা ভাবছে সরকার। তাছাড়া বর্তমানে ৫২ হাজার মেট্রিকটন চাল আমদানি করা হচ্ছে। যে-কোন দিন খালাস হয়ে যাবে। ফলে চালের দাম কমে যাবে।’

এসময় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম, আইএমইডি সচিব মফিজুল ইসলাম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কে এম মোজাম্মেল হক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এ এন সামমুদ্দিন আজাদ চৌধুরী প্রমুখ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে এখনো আমরা পিছিয়ে আছি। কেননা গত বছরের ১ জুলাই হলি আর্টিজার্নে জঙ্গি হামলার কারণে অনেক প্রকল্প থেকে বিদেশীরা চলে গিয়েছিল। কিন্তু এখন তারা ফিরে এসেছে। আশা করছি সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী অর্থবছর মেগাপ্রকল্পগুলো দৃশ্যমান হবে।’

আগামী বাজেট বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাজেটে মানুষের মধ্যে আশংকার কারণ হচ্ছে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন এবং আবগারি শুল্কের বিষয়টি। এ দুটি বিষয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী এমন কিছু করবেন না যাতে মানুষ কষ্ট পায়। সরকারের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মানুষের সেবা করা, মানুষকে কষ্ট দেওয়া নয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি বিনিয়োগ হচ্ছে না এ কথা ঠিক নয়। বিনিয়োগ বাড়ছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিনিয়োগ হয়েছে জিডিপির ২৮ দশমিক ৮৯ ভাগ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৯ দশমিক ৬৫ ভাগ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩০ দশমিক ২৭ ভাগ। গত আট বছরে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ ১ শতাংশও নিম্নমুখী হতে দেখিনি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাজেটের আকার নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। বাজেটের আকার কোন সমস্যা নয়। মূল সমস্যা হচ্ছে বাজেটে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানো হবে কিনা, ব্যাংকে টাকা রাখলে শুল্ক দিতে হবে কিনা, চালের শুল্ক থাকবে কিনা এগুলো মূল সমস্যা। এখন এগুলোই আলোচনা হচ্ছে।’

সিপিডির সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এশিয়ান টাইগারের চামড়া নয়, এশিয়ান টাইগারই হবো। আগামীতে আমরা নতুন ভিত্তিবছর ধরে জিডিপি প্রবৃদ্ধিও হিসাব করবো। এখন সেটি নিয়ে কাজ চলছে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জনলেস গ্রোথ হচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে যেখানে অনেক বড় প্রকল্প করা হয় তখন কর্মসংস্থান হবে না। কর্মসংস্থান হবে পড়ে। কেননা বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয় অনেক। ফলে প্রবৃদ্ধি বাড়ে। এখন কর্মসংস্থান হবে না। আমাদের পরিসংখ্যান ঠিকই বলছে, যারা পর্যালোচনা করেছে তারা ঠিক করেনি।’

তিনি বলেন, ‘সপ্তম পঞ্চববার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিবছর ২০ লাখ মানুষ কর্মের বাজারে আসে। তাই সেই তুলনায় বেশি কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা রয়েছে। গত ৫ বছর প্রায় ১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে। চলতি বছরে আশা করছি ১ কোটি ২৯ লাখ কর্মসংস্থান হবে। কর্মসংস্থান কমেনি। এডিপির বাস্তবায়ন ভাল হয়েছে।’


খবরটি পঠিত হয়েছে ২৩৪০ বার

‘আ. লীগকে স্মার্ট সংগঠন হিসেবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে একটি স্মার্ট সংগঠন হিসেবে
বিস্তারিত
শাকিব-আজিজ নিষিদ্ধ
ঢাকায় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার
বিস্তারিত
দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি
দেশের জনগণের সেবা করার জন্য আওয়ামী লীগকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান
বিস্তারিত
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
দেশের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক জলপ্রপাত ও দ্বিতীয় বৃহত্তম ইকোপার্ক মাধবকুণ্ডে পর্যটক প্রবেশে
বিস্তারিত
‘ঈদে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা
এবারের ঈদে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশ
বিস্তারিত
‘সময়মত ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন, সন্তুষ্ট
কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীরা
বিস্তারিত