কাউনিয়ায় স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা, দেখার কেউ নেই

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোর একটিতেও ডাক্তার নেই। কাগজে কলমে একজন করে মেডিকেল অফিসার নিযুক্ত থাকলেও কেউ সেখানে রোগী দেখেন না। তারা জেলা সদর হাসপাতালে অথবা উপজেলা হাসপাতালে ডেপুটেশনে কর্মরত আছেন। ফলে গরীব অসহায় রোগীরা সরকারী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এসব যেন দেখার কেউ নেই।

গ্রামীন জনপদে স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে এমবিবিএস ডাক্তার ও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করার সিদ্ধান্ত থাকলেও কাউনিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের চারটিতে অবকাঠামো এবং একটিতেও ডাক্তার নেই। সরকারী সিদ্ধান্ত মতে প্রতিটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন এমবিবিএস ডাক্তার, একজন ফার্মাসিস্ট, একজন উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও একজন অফিস সহায়কের পদ রয়েছে। কিন্তু বেশীরভাগ উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট নেই।

সরেজমিনে উপজেলা উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, এমবিবিএস ডাক্তারের পদ থাকলেও একটিতেও ডাক্তার নেই। কুর্শা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী চিকিৎসক সপ্তাহে ২/১দিন রোগী দেখেন।এ কেন্দ্রে  আধুনিক অবকাঠামো বিদ্যুৎ সংযোগ ও আধুিুনক যন্ত্রপাতি নেই। অনুমানের উপর নাড়ি ও জ্বিহবা দেখে ঔষধ দেয়া হয়। সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী নতুন নিয়োগকৃত মেডিকেল অফিসারদের প্রথম যোগদান ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হওয়ার কথা। সেখানে দুইবছর বাধ্যতামূলক থাকার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বদলী করার কথা বলা হয়েছে। অথচ এসব নিয়ম কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত ডাক্তাররা তদবির করে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে ডেপুটেশনে চাকুরি করছেন।

টেপামধুপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডাঃ মুকুল জানান, এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট না থাকায় তাদের দায়িত্ব তাকে একাই পালন করতে হচ্ছে। এখানে প্রতিদিন গড়ে ৫০/৬০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। মেডিকেল অফিসার না থাকায় তাকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হচ্ছে। এ ছাড়াও এই উপ-স্বাস্থ কেন্দ্রের সঙ্গে একটি বড় মিল চাতাল থাকায় সেই চাতালের ধোঁয়া ও ছাইয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও চিকিৎসকদের ভোগান্তির অন্ত নেই। 

কাউনিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নবিউর রহমান জানা,ন ডাক্তার সংকটের কথা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানান হয়েছে। ডাক্তার না পেলে আমার করার কিছুই নাই। ডাক্তার সংকটের কারণে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হওয়ার কথা স্বীকার করে সিভিল সার্জন জানান উপজেলায় ডাক্তার কম থাকায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এমবিবিএস ডাক্তারদের নিয়ে আসা হয়েছে তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের শুন্যপদ পূরণ সাপেক্ষে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে ডাক্তার দেয়া হবে।দুই বছরের জন্য যে সব ডাক্তার দেয়া হয়েছিল তাদের অনেকেই প্রশিক্ষনে আছেন। সরকার নতুন করে ডাক্তার নিয়োগ দিলে উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ডাক্তার দেয়া হবে।


‘প্রথমে ছেলে, পরে বাপ আমার
বাংলাদেশে একটি হাসপাতালে ১২শ’ টাকা বেতনে কাজ করতেন ময়না বেগম।
বিস্তারিত
জানাজায় অংশ নেবার পথে যুবককে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে হুমায়ুন কবীর (২৭)
বিস্তারিত
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৌরবিদ্যুৎ দিচ্ছে আইএমও
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) কক্সবাজারের কুতুপালং ও বালুখালিতে রোহিঙ্গা
বিস্তারিত
রোগীর পেট কাটলেন ডাক্তার!
কেরানীগঞ্জের সাজেদা হাসপাতালে প্রেসনেন্সি টেষ্ট করাতে গিয়েছিলেন গৃহবধূ ফাতেমা আক্তার
বিস্তারিত
কেরানীগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক সম্রাট নিহত
ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুক যুদ্ধে’ আল আমিন (৩২)
বিস্তারিত
মাথা ন্যাড়া করার শর্তে এসএসসির
চাঁদপুরে মাথা ন্যাড়া করার শর্তে আল-আমিন একাডেমীতে ৯৩জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর
বিস্তারিত