হুমায়ূন আহমেদের একাত্তর ও শহীদ পিতা

জাতীয় জীবনের দুর্যোগের পটভূমিকায় পারিবারিক বিপর্যয়ের চিত্র পিতৃহারা হুমায়ূন রচনা করলেন কোনো সাহিত্যিক অভিপ্রায় ছাড়া, ভবিষ্যৎ  গ্রন্থপ্রকাশের অভিলাষ থেকেও নয়, দুঃখভার নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়ার এক পারিবারিক চেষ্টা হিসেবে। সেই ব্যক্তিগত খাতাটি খুঁজে পাওয়া গেছে প্রায় চার দশক পর, হুমায়ূন আহমেদ তখন লোকান্তরিত, তবে ইতিমধ্যে সৃজনকর্ম দ্বারা এককভাবে পাল্টে দিয়েছেন বাংলাদেশের সাহিত্য ও সাহিত্যপাঠকের মানস ও চারিত্র্য
পিতার করুণ মৃত্যুকাহিনী যে ভাষায় যেভাবে লিখে গেছেন হুমায়ূন আহমেদ সেটা আলাদা বিবেচনার দাবি করে। হুমায়ূন আহমদের এই দীর্ঘ রচনায় কোথাও কোনো কাটাকুটি নেই, মনে হয় যেন কী লিখবেন কীভাবে লিখবেন সেটা তার খুব ভালোভাবে জানা আছে। ভেতর-গোঁজা স্বভাবের একজন মানুষ নিজ পিতা ও পরিবারের কথা বলছেন পরম মমত্ব নিয়ে, তুচ্ছাতিতুচ্ছ নানা বিবরণীর মধ্য দিয়ে পরিবারের সবার আন্তরিক ছবি ফুটে উঠেছে নিবিড়ভাবে এবং ঘটনাধারা সবাইকে যেন টেনে নিয়ে যায় অমোঘ নিয়তির দিকে
গোটা জাতি যখন ভয়ংকর নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়, দেশজুড়ে চলে নৃশংস বর্বরতা, আন্তর্জাতিক আইনের ভাষায় যা চিহ্নিত হয় জেনোসাইড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে, সেসব হত্যা ও রক্তস্রোতের মধ্যে একজন শহীদ, তার সংসার, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা, আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী-স্বজনের বৃত্ত, সেখানে মৃত্যু তো কোনো তথ্য নয়, সংখ্যা নয়, একেবারে রক্ত-মাংসের সজীব কিংবা বলা যায় আকস্মিক সজীবতা-হরণের বাস্তবতা নিয়ে উপস্থিত হয়, তখন সেই নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতার মোকাবিলা কীভাবে সম্ভব হতে পারে? সম্ভব না হলেও সেটা সম্ভব করে তুলতে হয়, মানুষ নানাভাবে সে চেষ্টা করে, চেষ্টাগুলো ঘুরপাক খায় নিজ নিজ জীবন-পরিধিতে, মৃতের সৎকার সেখানে বয়ে আনে এক ধরনের সান্ত্বনা, ধর্মের আচার আরেকভাবে জোগায় আশ্রয়, একের সঙ্গে অপরের ভাব-বিনিময় বুকের গভীর বোঝা হালকা করতে সাহায্য করে। কিন্তু গণহত্যার বর্বরতার মধ্যে কোনো কার্যকরণ ছাড়াই শুধু বাঙালিত্বে বিশ্বাসী অথবা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ার জন্য যখন কোনো গোষ্ঠীর সাধারণ নারী-পুরুষ-শিশুদের আক্রমণের শিকার হতে হয়, সে মৃত্যুর বেদনা বহন করা বড়ই কষ্টের। এদেশের লাখ লাখ পরিবার তো একাত্তরের মৃত্যু-মিছিলের সেই কষ্ট বয়ে নিয়ে চলেছে যার যার মতো করে, আবার বড় অর্থে একইরকমভাবে।
পিরোজপুরের মহকুমা পুলিশ অফিসার ফয়জুর রহমানকে পাকিস্তান বাহিনী হত্যা করে শহরে প্রবেশের পরপর। তার পুত্র-কন্যারা সবে জীবনে বিকশিত হতে শুরু করেছে, দুই পুত্র ও এক কন্যা পড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, আরেক কন্যা কুমিল্লায় থেকে পড়ছে ফরিদা বিদ্যানিকেতনে, কনিষ্ঠরা আছে বাবা-মায়ের সঙ্গে। এমন সময় আসে ২৫ মার্চ, নারকীয় হত্যাযজ্ঞের মুখোমুখি হয় বাঙালি জাতি, তখন প্রতিদিনের অনেক তুচ্ছাতিতুচ্ছ ঘটনা ও জাতির জীবনের মহাসংকট মিলেমিশে কল্লোলিত রক্তস্রোত হয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায় স্নেহপ্রবণ পিতা, প্রেমময় স্বামী, মমত্ব ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন নিষ্ঠাবান পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমানকে। মে মাসের গোড়ায় কর্নেলের ডাকে তার দপ্তরে গিয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি, তার লাশেরও সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্বাধীনতার পর শনাক্ত করা গিয়েছিল মাটিতে পুঁতে রাখা লাশ, সৎকার করে যথাযথ কবরের ব্যবস্থাটুকু অন্তত করা গিয়েছিল তখন।
পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পরপর পরিবারের জ্যেষ্ঠ সন্তান হুমায়ূন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স সমাপনী বর্ষের ছাত্র, স্থির করেছিলেন এই হত্যা-বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করে রাখবেন। তখনও চারপাশে মৃত্যুকাতরতা, এর মধ্যে হত্যার শিকার একজন শহীদের বিবরণী তিনি লিখে ফেললেন একটানে, কোনো কাটাকুটি ছাড়া, অন্তরের রক্তক্ষরণ ও আলোড়নের সামান্যতম প্রকাশ ব্যতীত। জাতীয় জীবনের দুর্যোগের পটভূমিকায় পারিবারিক বিপর্যয়ের চিত্র পিতৃহারা হুমায়ূন রচনা করলেন কোনো সাহিত্যিক অভিপ্রায় ছাড়া, ভবিষ্যৎ  গ্রন্থপ্রকাশের অভিলাষ থেকেও নয়, দুঃখভার নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়ার এক পারিবারিক চেষ্টা হিসেবে।
সেই ব্যক্তিগত খাতাটি খুঁজে পাওয়া গেছে প্রায় চার দশক পর, হুমায়ূন আহমেদ তখন লোকান্তরিত, তবে ইতিমধ্যে সৃজনকর্ম দ্বারা এককভাবে পাল্টে দিয়েছেন বাংলাদেশের সাহিত্য ও সাহিত্যপাঠকের মানস ও চারিত্র্য। এই হুমায়ূন আহমেদ কিছুটা লাজুক মুখচোরা তরুণ, মূল স্রোতের বাইরে থাকেন, তবে জীবন পর্যবেক্ষণ করে চলেন নিবিড়ভাবে, লেখালেখির চেষ্টা করছেন, ছোট এক উপন্যাস লিখে পিতার হাতে তুলে দিয়েছেন পড়ার জন্য, সেই মধ্যবিত্ত পরিবারে আকস্মিক নেমে আসে ফাঁড়া, ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাওয়া জীবনচিত্র আঁকতে গিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন আরেক মাত্রার মানুষ, মুক্তিযুদ্ধ ও পিতার শাহাদতবরণ তাকে যেন রাতারাতি পরিণত করে অন্যতর চরিত্রে, পরিণত লেখকে।
পিতার মৃত্যুর পরপর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সেই মৃত্যুকথা লিখে রাখার যে প্রয়াস নিয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ, খুব আশ্চর্যজনকভাবে, সেখানে বুকচেরা আর্তনাদ বিশেষ নেই, আছে ঘটনাধারার নিস্পৃহ পরিচয়, প্রকৃতির অসাধারণ পরিমিত বর্ণনা, নিজের মনের ভেতর তোলপাড় করা শঙ্কা ও ভীতি এবং পিতার আচার-আচরণ-উৎকণ্ঠার কথা। বাঁধভাঙা আবেগের উচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়ে নয়, ঔপন্যাসিক যেমন পৌঁছতে চান জীবনের সারসত্যে, তেমনিভাবে হুমায়ূন আহমেদ প্রায় ভূতগ্রস্তের মতো লিখেছেন মার্চ-এপ্রিল-মে মাসের ঘটনাধারা। মে মাসের ৫ তারিখ গ্রামের এক বিত্তবানের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া পরিবারের সবাইকে ছেড়ে ফয়জুর রহমান যখন পিরোজপুর গেলেন কাজে যোগ দিতে, সেই কালযাত্রা অবধি এসে হুমায়ূন আহমেদের বৃত্তান্ত শেষ হয়েছে। খাতার বড় অংশ অর্থাৎ ৬৬ পৃষ্ঠা অবধি তার হাতে লেখা ভাষ্য। এর পরের ১৬ পৃষ্ঠা অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবালের বর্ণনা, পিতার এই শেষযাত্রায় শরিক হয়েছিলেন তিনি, মর্মান্তিক পরিণতির বয়ান তাই তার পক্ষেই দেয়া সম্ভব ছিল। দুই ভাই মিলে একই খাতায় এভাবে লিখে রেখেছিলেন তাদের পিতার শহীদ হওয়ার বিবরণ, পিতার লাশ না মিললেও তিনি যেন কোনোভাবে হারিয়ে না যান সেজন্য পুত্রদ্বয়ের অকিঞ্চিৎকর প্রয়াস ছিল এটা।
তারপর জীবনের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন তারা, সেই পারিবারিক খাতা কবে কোথায় কীভাবে হারিয়ে গেল, বিস্মৃতিতে তলিয়ে গেল কেউ হদিস করে দেখেননি। এরপর দাদাভাই হুমায়ূন আহমেদের আকস্মিক মৃত্যু পরিবারটিকে আবার টলিয়ে দিলে পুরনো স্মৃতির মতো জেগে ওঠে পুরনো সেই খাতা। সময় প্রকাশন খাতার প্রতিলিপি-সমেত বের করেছে গ্রন্থ- ‘একাত্তর এবং আমার বাবা’। হুমায়ূন আহমেদ যে আকস্মিক আঘাতে পরিপূর্ণ লেখক হয়ে উঠলেন তার সাক্ষ্য হয়ে রইল এই পাণ্ডুলিপি, প্রকাশিত হওয়ার জন্য তা রচিত হয়নি বটে, তবে এই রচনা আমাদের জন্য প্রকাশ করে অনেক কিছু, আমরা যেন আরও নিবিড়ভাবে বুঝতে পারি হুমায়ূন আহমেদকে, অপরিসীম বেদনা অন্তর-চাপা দিয়ে অন্যতর ভাষায় অন্যতর শৈলীতে পাঠকের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ গড়ে তুলতে পারেন যে-লেখক তা সহজিয়া রূপ পেয়েছে এ রচনায়।
পিতার করুণ মৃত্যুকাহিনী যে ভাষায় যেভাবে লিখে গেছেন হুমায়ূন আহমেদ সেটা আলাদা বিবেচনার দাবি করে। হুমায়ূন আহমদের এই দীর্ঘ রচনায় কোথাও কোনো কাটাকুটি নেই, মনে হয় যেন কী লিখবেন কীভাবে লিখবেন সেটা তার খুব ভালোভাবে জানা আছে। ভেতর-গোঁজা স্বভাবের একজন মানুষ নিজ পিতা ও পরিবারের কথা বলছেন পরম মমত্ব নিয়ে, তুচ্ছাতিতুচ্ছ নানা বিবরণীর মধ্য দিয়ে পরিবারের সবার আন্তরিক ছবি ফুটে উঠেছে নিবিড়ভাবে এবং ঘটনাধারা সবাইকে যেন টেনে নিয়ে যায় অমোঘ নিয়তির দিকে। স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা রয়েছে দূরের নিরাপদ আশ্রয়ে, আর্মি পিরোজপুর এসেছে তাই এসডিপিও বা মহকুমা পুলিশ অফিসার ফয়জুর রহমান সরে আছেন অন্যত্র। গ্রামের আশ্রয়ে থাকা সবাই তার জন্য উদ্বিগ্ন, খোঁজ করছে ইতিউতি, এমন সময় বিভিন্ন সূত্রে খবর পেয়ে পিতা এলেন পরিজনের সঙ্গে দেখা করতে। হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন- ‘আব্বা আসলেন সন্ধ্যা নাগাদ। সে ছবিটা খুব স্পষ্ট মনে আছে। খোঁচা খোঁচা দাড়িগোঁফ, উদভ্রান্ত দৃষ্টি, পাগলের মতো চাহনি, মুখ শুকিয়ে কালো হয়ে উঠেছে। ক্লান্ত আর অবসন্ন পায়ে তিনি উঠে আসলেন। সঙ্গে নাজিম ভাই আর দুইজন বন্দুকধারী জোয়ান। আব্বা বিছানায় বসে হাঁপাতে লাগলেন। গলগল করে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে তার কপাল বেয়ে। ঘন ঘন জিব বের করে ঠোঁট ভেজাচ্ছেন। কাছে বসে মোবারক খান অসংখ্য অসংলগ্ন প্রশ্ন করে আব্বাকে বিরক্ত করতে লাগল। তিনি ক্লান্ত গলায় প্রতিটির জবাব দিতে লাগলেন। আম্মা একটা পাখা নিয়ে তাকে হাওয়া করতে লাগলেন। আমি তাকে বিশ্রাম দেয়ার জন্যই মামাকে সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে চলে গেলাম। মনটা অনেক হালকা।’
এটাই ছিল পরিবারের সঙ্গে ফয়জুর রহমানের শেষ রাত্রিযাপন। পরদিন তিনি সবার সঙ্গে কথা বলে আরেক পুত্র জাফর ইকবালকে নিয়ে ফিরে গেলেন পিরোজপুর, এরপর তার আর এই জীবনে ফেরা হলো না। সেদিন সকালে পিরোজপুরের ওসি-র চিঠি নিয়ে একটা ছেলে এসেছিল, ১২টার মধ্যে সবাই কাজে যোগ দেবে এমন বার্তা ছিল চিঠিতে। হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন :
‘বারোটার আগে জয়েন করতে হলে সময় নেই, আম্মা আব্বাকে ডেকে তুললেন। আব্বা চিঠি পড়েন আর জিগ্যেস করেন, কিরে যাব পিরোজপুর? সবাইকেই এক প্রশ্ন। আমরা সবাই বলি, কোনো ভয় নাই, যান। মিলিটারি এডমিনিস্ট্রেশন চালু করতে চাইছে, কাউকে কিছু বলবে না। আব্বা নিজেও বলেন, ঠিকই তো, কই পালাব? আজ পালালে ছেলেপেলেসহ কালই ধরিয়ে দেবে। আব্বা আশা আর আশঙ্কায় দুলতে দুলতে সেভ করলেন। চিড়া খেলেন। কাপড় পরলেন। নৌকা ঠিক হলো। আব্বার মুখ দেখে মনে হলো সাহস পাচ্ছেন। আব্বাকে সাহস দেবার জন্য ইকবাল চলল সঙ্গে।’
এখানেই হুমায়ূনের জবানি শেষ, এরপর শুরু হয় ইকবাল বা অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবালের ভাষ্য। তবে উদ্ধৃতি দিয়ে এই বইয়ের কথা বুঝিয়ে বলা যাবে না, পাঠগ্রহণ ব্যতীত আর কোনোভাবে এর বেদনার পরিমাপ গ্রহণ সম্ভব নয়। সবার প্রতি তাই অনুরোধ রইবে এই বইয়ের পাঠগ্রহণের, একান্ত ব্যক্তিগত, একেবারে পারিবারিক, সেই সঙ্গে সর্বাঙ্গীণভাবে সর্বজনীন এই গ্রন্থ একজন শহীদের জীবনের ট্র্যাজেডি, তবে সেই সঙ্গে ধারণ করতে চাইছে ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর বেদনাবোধ। নিঃসন্দেহে এই গ্রন্থ একাত্তরের গণহত্যার একটি চিত্র, একই সঙ্গে তা হয়ে উঠেছে জেনোসাইডের টেস্টিমনি, গণহত্যার সর্বজনীন ছবি। 


শিল্পকলা একাডেমিতে কবিতায় বঙ্গবন্ধু
দেশের বিশিষ্ট বাচিক শিল্পীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
বিস্তারিত
কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, লেখক ও সাংবাদিক শামসুর
বিস্তারিত
হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো
আমেরিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯শে জুলাই মারা যান বাংলাদেশের
বিস্তারিত
কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী
বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান কথাশিল্পী, চলচ্চিত্র-নাটক নির্মাতা হুমায়ুন আহমেদের
বিস্তারিত
সৌন্দর্যের অপ্সরী শিল্পাচার্য জয়নুল ও
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরঘেঁষা ময়মনসিংহ শহর। শিশু জয়নুল খেলে করে বেড়াতেন
বিস্তারিত
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭১ তম
ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কবির পৈত্রিক বাড়ির
বিস্তারিত