ক্যারিয়ারের উন্নতিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার

সমাজ ও পৃথিবী প্রতিনিয়ত উন্নতির পথে অগ্রসর হচ্ছে। সেই সঙ্গে আমরা সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপরও খুব বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। এখানে আমাদের সময় কাটাতে খুব ভালো লাগে, আমরা নিজেদের ভালোলাগা-মন্দলাগা সবকিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করি। অনেকের আবার অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। কিন্তু সবার মুখে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপকারিতা ও বিরূপ প্রভাবের কথা শোনা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া যদি আপনার ক্যারিয়ারের গ্রাফ ঊর্ধ্বগামী করে, বিশ্বাস করবেন আপনি?

আজকের ফিচারে জানানো হবে কোন কোন উপায় অনুসরণ করলে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেও আপনি দিনের পর দিন ক্যারিয়ারের গতি ত্বরান্বিত করতে পারবেন। চলুন, তা জেনে নিই। 
১. সোশ্যাল মিডিয়ার তো বিভিন্ন ধরন আছে। ক্যারিয়ার উন্নত করার জন্য কোনটি আপনার জন্য উপযোগী সেটি খুঁজে বের করুন যেন নিয়োগকারীরা আপনাকে কোনোরকম ঝক্কি ছাড়াই খুঁজে পান। 
২. ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া খুব পছন্দনীয় আমাদের কাছে। নিয়মিত আপডেট করতেও সবাই ভালোবাসি। কিন্তু প্রতিদিন দুইটির বেশি আপডেট না করাই ভালো, এতে আপনার অনুসারীরা বিরক্ত বোধ করেন। 
৩. আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কিন্তু অনেকটা আহ্বানকারীর মতো। যে কোনো সাফল্য, অগ্রগতি এবং প্রশংসা সময়মতো আপডেট করতে ভুলবেন না। সেগুলো দিয়েই কিন্তু আপনার কর্মক্ষমতা বিচার করা হয়ে থাকে।
৪. আপনার যদি অনলাইনভিত্তিক কোনো ব্যবসা থাকে তবে অবশ্যই একটি স্পেশাল পেজ তৈরি করে রাখুন। ব্যক্তিগত প্রোফাইলের সঙ্গে ব্যবসা মিলিয়ে ফেললে একটা হ-য-ব-র-ল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫. সোশ্যাল মিডিয়াকেন্দ্রিক আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব ও অনুসারী থাকে। আমরা অনেকে তো আবার কার কতজন অনলাইন বন্ধু আছে সেটি নিয়েই তর্কবিতর্কে মেতে যাই। বাস্তব জীবনের মতোই সামাজিক মাধ্যমে বন্ধু পছন্দ করার সময় সতর্ক হোন। এমন বন্ধুদের সঙ্গেই সংযুক্ত হোন যারা আপনার নেটওয়ার্কের মান বাড়াবে ও ওজনদার করবে। 
৬. আপনার সামাজিক মাধ্যমের পুরোটাই খাবারের ছবি দিয়ে ভরিয়ে ফেলা; কিন্তু মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়! আপনি যদি ফুড ব্লগার না হয়ে থাকেন তবে ঘন ঘন খাবারের ছবি আপলোড করা এক ধরনের বোকামিই বটে। 
৭. আগেই বলা হয়েছে যে, বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু বিভিন্ন রকম উদ্দেশ্যে সাধন করে। যেমনÑ ফেসবুক ও টুইটার মূলত নেটওয়ার্কিং বা যোগাযোগের জন্য ইনস্টাগ্রামে প্রধানত জাঁকজমকপূর্ণ ছবি আপলোড করা হয়। আবার লিংকড ইন প্রফেশনাল কাজে ব্যবহারের জন্যই অধিক প্রচলিত। এর সঠিক ব্যবহারগুলো আপনাকে পরিপূর্ণভাবে জানতে হবে। ইনস্টাগ্রামে চাকরির আবেদন খুঁজলে আবার লিংকড ইনে প্রিয় বেড়ালের ছবি দিয়ে ভরে ফেললে চলবে না একদম।
৮. সোশ্যাল মিডিয়ায় যদি আপনার কোনো ব্র্যান্ড তৈরি করার মনোকামনা থেকে থাকে তবে ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কিছু সেখানে শেয়ার না করাই ভালো। এতে ভারিক্কি একটা ভাব থাকবে আপনার প্রোফাইলে। ব্র্যান্ডিং করতে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হবে না। 
৯. পরিশেষে মনে রাখবেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার অ্যাকাউন্ট নিতান্তই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেখানে কেউ যদি আপনাকে ন্যূনতম বিরক্ত কিংবা উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করে, তাহলে কোনো বাকবিত-া ছাড়াই মানুষটিকে ‘ব্লক’ করে দিন। এতে কার্পণ্য করার কোনো মানে নেই।
সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম শুধু সময়ই অপচয় করে না। আপনি যদি ভালোমতো কাজে লাগাতে পারেন সুযোগগুলো, তাহলে আপনি এগুলোর মাধ্যমের ক্যারিয়ারে সমূহ উন্নতি করতে পারবেন। আপনার কাছে কোনো কিছুকেই আর বাধা বলে মনে হবে না।


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত