রাজধানীতে বাড়ছে হোল্ডিং ট্যাক্স

ভাড়াটিয়ার প্রাণ ওষ্ঠাগত হবে না তো?

আলোকিত বাংলাদেশে প্রকাশ, রাজধানীতে বাড়ছে হোল্ডিং ট্যাক্স। যদিও সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হোল্ডিং ট্যাক্স আগের মতো ১২ শতাংশই থাকছে। শতাংশের হিসাবে না বাড়লেও মোট টাকার অঙ্কে যে সেটা বাড়ছে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সংবাদে বলা হয়েছে, আগে বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স নেয়া হতো বাড়ির দামের ওপর নির্ভর করে; এখন সেটা নেয়া হবে ভাড়ার ওপর নির্ভর করে। কর বৃদ্ধির প্রভাব সবসময় সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে; এবারও সে প্রভাব শুধু ভাড়াটিয়াদের ওপর পড়বে কিনা, তা ভেবে দেখা উচিত।

১৯৯০ সাল থেকে একজন বাড়ির মালিক তার বাড়ির দামের ওপর নির্ভর করে ট্যাক্স প্রদান করে আসছেন। সিটি করপোরেশনের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাড়িভাড়ার ওপর নির্ভর করে এখন সে ট্যাক্স আদায় করা হবে। শতাংশের হিসাব অনুযায়ী সেটার কোনো তারতম্য হয়নি; কিন্তু মোট টাকার অঙ্কে আগের থেকে এখনকার টাকার অঙ্কে যে সেটা বিশাল ফারাক তৈরি করবে, তা সহজেই অনুমেয়। এখানে প্রথম প্রশ্ন হলো সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কি জানে, কোন বাড়ির মালিক কার কাছ থেকে কত টাকা ভাড়া আদায় করছেন? সবাই ওয়াকিবহাল যে, ভাড়াটিয়ারা দীর্ঘদিন থেকে বাড়িভাড়া নির্ধারণের ব্যাপারে দাবি জানিয়ে আসছেন। এ নিয়ে পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখিও হচ্ছে। বাড়িভাড়াসংশ্লিষ্ট সরকারের একটি নীতিমালা থাকলেও বাড়ির মালিকরা তা উপেক্ষা করে যথেচ্ছ ভাড়া বাড়িয়ে চলছেন। অন্যদিকে বাড়ির মালিকরা ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে কত টাকা নিচ্ছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর যথাযথ কোনো রসিদ নেই। তাহলে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের ভিত্তি কী হবে? ভাড়াসংক্রান্ত যে জরিপের কথা বলা হয়েছে, সেটা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে সচেতন মহলের।
এ ট্যাক্সের বোঝা যে সাধারণ ভাড়াটিয়াদের ওপর পুরোটাই বর্তাবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঢাকা শহরে নানা উসিলায় প্রতি বছর নিয়ম করে বাড়ির মালিকরা ভাড়া বাড়ান। হোল্ডিং ট্যাক্সের নামে সম্ভবত তারা আরেক দফা ভাড়া বাড়ানোর মওকা খুঁজবেন। 

মুদ্রাস্ফীতির কারণে এ শহরের সাধারণ মানুষের আর্থিক জীবন এমনিতেই বিপর্যস্ত। সেখানে এ কর ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হবে কিনা, সেটা বিবেচনা করতে হবে। এরপরও সরকার যদি কর বাড়ায়, সেক্ষেত্রে বাড়ির মালিক, ভাড়াটিয়া ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে; অনেকটা গণশুনানির মতো। একই সঙ্গে বাড়ি ভাড়ার বিষয়টি স্বচ্ছ হতে হবে। একজন ভাড়াটিয়া কত টাকা ভাড়া প্রদান করছেন, সেটা সরকারের নীতিমালার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কিনা, সে সম্পর্কিত সঠিক তথ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে থাকতে হবে। হোল্ডিং ট্যাক্সের চাপ যাতে সাধারণ ভাড়াটিয়ার ওপর না পড়ে, সেদিকে সরকার দৃষ্টি দেবে বলে আশা করি। 


চৌগাছায় সাড়ে ৬’শ বছরের তেতুল
যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মিয়া বাড়ির সামনে রয়েছে দৃষ্টি
বিস্তারিত
ভূমিকম্প নিয়ে বিস্ময়কর ১২টি তথ্য
প্রায়ই বিশ্বের কোথাও না কোথাও বড় বড় ভূমিকম্প আঘাত হানে।
বিস্তারিত
ভাসমান বীজতলা ও শাকসবজি চাষে
শেরপুরের নকলা উপজেলায় জলাশয়ে শাকসবজি চাষ করাসহ ধানের বীজতলা তৈরি
বিস্তারিত
সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোতে উপচে পড়া
সিলেটের জাফলং, লালাখাল, রাতারগুল, বিছনাকান্দি, পাংথুমাইকে ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ সারা
বিস্তারিত
মাচার উপরে শীতলাউ, নিচে আদা
শেরপুর জেলার নকলার ব্রহ্মপুত্র নদসহ অন্যান্য নদীর তীরবর্তী এলাকায় বছরের
বিস্তারিত
ভাড়ায় ‘আংকেল’!
অনেক সময় মনে হয় নিজের সমস্যাগুলো কাউকে বলতে পারলে মনটা
বিস্তারিত