‘খালেদা জিয়ার বক্তব্য ভূতের মুখে রাম নাম’

বিএনপির ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের’ সমাবেশে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে একে ভূতের মুখে রামনাম বলে অভিহিত করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে নবনির্মিত শেখ হাসিনা ছাত্রীনিবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘গতকালকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খালেদা জিয়া বিএনপির জনসভায় যে বক্তব্য রেখেছেন সেগুলোর বেশির ভাগই অসত্য। সত্যের অপলাপ। অসত্য তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশে খালেদা জিয়া যেভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছেন, উনি সেখানে বলছেন যে আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। এই যে নির্লজ্জ মিথ্যাচার, এটা জাতি কখনো গ্রহণ করে নাই।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশের জনগণ জানে ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মকর্তাদের জোর করে অবসর দিয়েছিল। যারা আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, বা হয়তো আত্মীয়স্বজন, দূরসম্পর্কের যেটাই হোক না কেন সেই সমস্ত সরকারি কর্মকর্তাদের তারা একে একে চাকরি থেকে অপসারণ করেছিল, বরখাস্ত করেছিল। তো এটা তো প্রতিহিংসার রাজনীতির চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেই খালেদা জিয়ার মুখে প্রতিহিংসা নয়, এ কথা একেবারেই হাস্যকর, ভূতের মুখে রামনাম।’ 

ভোট দেয়া সহজ করতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ভোটে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে। কারচুপি করে ক্ষমতায় যেতে খালেদা জিয়া এক কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়েছিলেন। ইভিএম হলে তো ওই ভোট কাজে আসবে না, তাই তিনি এর বিরোধিতা করছেন। উনি জালিয়াতির পথ চান।’

নির্বাচনের ব্যাপারে হানিফ বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধানের আলোকেই হবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তবে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (বিচারিক ক্ষমতা) দেওয়ার বিধান আগেও কখনো ছিল না। এটা যৌক্তিক বলে মনে করছি না। এই সরকারের অধীনে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সবগুলোই অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।’

পরে ২০১৭-১৮ সালের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাহবুব-উল-আলম হানিফ। কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর কাদিরের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা হাজি রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


দাওয়াত নিয়ে আইভীর কাছে সেলিম
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নগরভবনে গিয়ে
বিস্তারিত
‘মায়াকান্না করছে বিএনপি’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতু ও সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী
বিস্তারিত
‘রাজাকারদের বন্ধু খালেদাকে ক্ষমতায় যেতে
আগামী নির্বাচনে কোনো অবস্থাতেই রাজাকারদের বন্ধু খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় যেতে
বিস্তারিত
‘শেখ হাসিনা এখন সারা বিশ্বের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতার নেত্রী উল্লেখ করে তাকে এখন সারা
বিস্তারিত
‘যেখানে খালেদা জিয়া থাকে, সেখানে
বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমান ছাড়া হবে
বিস্তারিত
‘আ. লীগকে নামানোর ক্ষমতা কোনো
আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামানোর ক্ষমতা বাংলাদেশের দ্বিতীয় কোনো
বিস্তারিত