নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না জামায়াতের ‘চিহ্নিত নেতারা’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ‘চিহ্নিত নেতাদের’ গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের দণ্ড হওয়ার পর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। এ কারণে দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত নেতারা। সর্বশেষ জামায়াত নেতারা স্বতন্ত্র কিংবা ২০ দলীয় জোটের প্রধান বিএনপির হয়ে কোনো কোনো আসনে নির্বাচন করতে পারে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি একথা বলেন।

হাইকোর্টের আদেশে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের অনেকের বিচার হয়েছে। তো তাদের যদি কোনো সংসদ সদস্য বা কোনো নেতা অন্য কোনো দলে বা স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে আসে সেটা গ্রহণ করবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা আমি কেমন করে বলবো। তবে জামায়াতে ইসলামীর চিহ্নিত যারা আছে তাদেরকে আমরা নির্বাচনে গ্রহণ করবো না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র হিসেবেও যদি জামায়াতের কেউ নির্বাচনে আসতে চায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের মিটিংয়ে তাদেরকে ইন্ডিভিজুয়ালি, তাদের বিষয়টা বিচার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবো। একজন একটা ধোঁয়া তুলে দিলো এটা জামায়াতের লোক, তাহলে সেটার বিষয়ে আমি কেমন করে বলব। কোনো অভিযোগ পেলে সেটি কমিশন আগে পর্যালোচনা করে দেখবে। জামায়াতের সবাইতো চিহ্নিত না। যারা চিহ্নিত তাদেরকে অবশ্যই নির্বাচনে গ্রহণ করা হবে না যোগ করেন তিনি।

রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচন সস্পর্কে তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য হাই প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ টিম গঠন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে স্বয়ং নির্বাচন কমিশনাররাই নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করবেন। এমনকি জনসভাগুলোতেও উপস্থিত থাকবেন তারা।

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম, প্রার্থীদের জনসভাসহ অন্যসব প্রচারণা ও কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করা হবে। এক্ষেত্রে কারো বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কিংবা কেউ ইচ্ছাকৃত আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।

আমরা চার নির্বাচন কমিশনার ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে এ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করবো। প্রত্যেকেই প্রার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেবেন। এক্ষেত্রে আমরা অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছি।

প্রসঙ্গত, রসিক(রংপুর সিটি করপোরেশন) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২২ নভেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন ২৫ ও ২৬ নভেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ২৭-২৯ নভেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর।

এছাড়া মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থীরা ৪ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন।


‘কী পেলাম, কী পেলাম না,
কী পেলাম, কী পেলাম না, সে হিসাব মিলাতে আসিনি আমার
বিস্তারিত
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার চুক্তি হতে
রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রত্যাশা নিয়ে
বিস্তারিত
ট্রাম্পকে ফোন করলেন পুতিন
সিরিয়ায় উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের পতনের পর দেশটির চলমান সংকট
বিস্তারিত
১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু এসএসসি
আগামী বছরের (২০১৮) মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার
বিস্তারিত
‌‘সরকারের প্রচেষ্টায় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্তর্জাতিক মহলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যে
বিস্তারিত
আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নিতে হবে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের
বিস্তারিত