টানা তৃতীয় জয় পেল কুমিল্লা

বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংসকে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জস বাটলার ও ইমরুল কায়েসের ব্যাটে ৬ উইকেটে হারিয়েছে মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের শিষ্যরা। ফলে যৌথ ভাবে ঢাকা ডায়ামাইটস ও সিলেট সিক্সার্সের সঙ্গে শীর্ষে উঠে এলো দলটি। এর আগে সিলেট পর্বে চিটাগংকে ৮ উইকেটে হারিয়েছিল কুমিল্লা।

তবে চিটাগংয়ের দেয়া ১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি কুমিল্লা। ইনজুরি কাটিয়ে এদিনই মাঠে ফিরেছিলেন দলের আইকন খেলোয়াড় তামিম ইকবাল। তবে হতাশ করেছেন দলকে। দিলশান মুনাবিরার বলে শর্ট থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ৪ রানে সাজঘরে ফেরেন এ ওপেনার।

এরপর ইমরুল কায়েসকে নিয়ে দলের হাল ধরেন আরেক ওপেনার লিটন কুমার দাস। ৩২ রানের ছোট একটি জুটিও গড়েন।  ব্যক্তিগত ২১ রানে মুনাবিরার দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ১৯ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ২১ রান করেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

লিটনকে হারানোর পর উইকেটে আসেন ইংলিশ রিক্রুট জস বাটলার। ইমরুলের সঙ্গে ৭৪ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন তিনি। মূলত এ জুটিতে ভর করেই জয়ের ভিত্তি পেয়ে যায় কুমিল্লা। সানজামুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন ইমরুল। ৩৬ বলা মোকাবেলা করে ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ইমরুলের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি বাটলার।

৩১ বলে ৪৪ রান করে সানজামুলের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ ইংলিশ ব্যাটসম্যান।  এরপর মারলন স্যামুয়েলসের ১৭ রানে ৬ উইকেট ও ১১ বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় দলটি। চিটাগংয়ের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মুনাবিরা ও সানজামুল।

এর আগে মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চিটাগংকে প্রথমে ব্যাটিং করতে আমন্ত্রণ জানান কুমিল্লার অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই আগ্রাসী ভঙ্গীতে ব্যাট চালাতে থাকেন রনকি। মাত্র ১৯ বলে করেন ৩১ রান। ৫টি চারের সঙ্গে ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। তবে কুমিল্লার তরুণ তুর্কি সাইফউদ্দিনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পরে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।

রনকির বিদায়ের পর সৌম্য সঙ্গে জুটি বাঁধেন মুনাবিরা। স্বভাবসুলভ ব্যাটিং ছেড়ে এদিন কিছুটা ধীর গতিতে ব্যাটিং করেন সৌম্য। মুনাবিরার সঙ্গে গড়েন ৩৭ রানের জুটি। এরপর আফগান রিক্রুট রশিদ কাহ্নের বলে বোল্ড হয়ে যান সৌম্য। ৩২ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩০ রান করেন এ ওপেনার।

সৌম্যর বিদায়ের পর কচ্ছপ গতিতে আগাতে থাকে চিটাগং। ছয় ওভারে কোন বাউন্ডারিই মারতে পারেনি দলটি। শেষ দিকে সিকান্দর রাজার ২০, মিসবাহর ১৬ ও ক্রিস জর্ডানের ১৬ রানে ভর করে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান করে দলটি। কুমিল্লার পক্ষে ১টি করে উইকেট পান নবি, সাইফউদ্দিন, রশিদ ও ব্রাভো।


আফগানিস্তানকে ২৫০ রানের লক্ষ্য দিল
এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে এই আফগানিস্তানের কাছে খুবই বাজেভাবে হেরেছিল
বিস্তারিত
বিসিবি’র প্রধান নির্বাচক নান্নুর বাসায়
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর বাসায়
বিস্তারিত
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশের মেয়েরা
এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে ‘এফ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে
বিস্তারিত
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন নোয়াখালী পৌরসভা
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জেলা পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
বিস্তারিত
ইমরুল-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
ওপেনিং জুটি আগের মতোই। আফগানিস্তানের বিপক্ষেও দীর্ঘস্থায়ী হলো না এ
বিস্তারিত
সাকিব-মুশফিককে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ
ওপেনিং জুটি আগের মতোই। আফগানিস্তানের বিপক্ষেও দীর্ঘস্থায়ী হলো না এ
বিস্তারিত