শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে মিঠাপুকুরের এতিম উন্নয়ন ফাউন্ডেশন

রংপুরের মিঠাপুকুরে এক পরিশ্রমী যুবক ফরিদুল ইসলাম। শিক্ষার জন্য ঢাকায় রিক্সা চালানোসহ কঠোর পরিশ্রম করে শিক্ষিত হয়েছেন। সেই শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে  অসহায় এতিম ও আদিবাসী হাজারও শিশুদের মাঝে।
 
স্ব উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন সান্ধ্যকালীন বিদ্যালয়। এছাড়া ঐ উপজেলার ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়মিত শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও তাদের উচ্চ শিক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়াও সরকারের ভিশন নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইসিটি প্রি-ক্যাডেট কিণ্ডারগার্টেন খুলে সাড়া ফেলেছেন এলাকায়।

যমুনেশ্বরী নদী বেষ্টিত রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়া মাসিমপুর গ্রামের মৃত চৌধুরী আব্দুল হালিমের ছেলে ফরিদুল ইসলাম ফরিদ। স্কুল জীবনে পিতৃহীন হয়ে অনেক কষ্ট করে ঢাকায় রিক্সা চালিয়ে, শ্রমিকের কাজ করে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে বেশ কয়েক বছর ভালো বেতনে একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করলেও বিবেকের তাড়নায় এলাকার অন্য এতিম শিশুদের কথা চিন্তা করে চাকরি ছেড়ে চলে আসেন নিজ এলাকায়। নিজের অর্জিত কিছু অর্থ ও কয়েকজন সহপাঠী নিয়ে ২০১৩ সালে গড়ে তোলেন এতিম উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও সোনার বাংলা ভিশন সান্ধ্যকালীন পাঠশালা।

বর্তমানে উপজেলার এতিম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৬৫ জন শিক্ষার্থীকে নিয়মিত বই,খাতা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে তাদের উচ্চশিক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছেন। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পড়াশুনা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এছাড়া সমাজ উন্নয়নে ২০১৫ সালে পেয়েছেন ইয়াং বাংলা পুরস্কার।

দুর্গম এই এলাকার বাঁশ ও বেতের উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং স্কুল থেকে ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষিত করতে অবিরাম কাজ করছে এই সংগঠন। বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরন ও পড়াশুনার সুযোগে খুশি অনেকে।

নতুন প্রজন্মকে শুরু থেকে ডিজিটাল শিক্ষা প্রদান করে শিক্ষিত জাতি গড়ার লক্ষ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে আইসিটি প্রি-ক্যাডেট কিণ্ডারগার্টেন স্কুল এবং এতিম শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষায় বিনামুল্যো শিক্ষা উপকরণ বিতরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম ফরিদ ।

তিনি আরো জানান ২০১৩ সালে ২৪ জন এতিম শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও আজ তাদের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬৫ জন। দিন দিন ক্রমেই বাড়ছে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা। সরকারী পৃষ্টপোষকতা পেলে শুধু  মিঠাপুকুর উপজেলা নয় এ ফাউন্ডেশনের সকল কাজ গোটা জেলায় ছড়িয়ে পড়বে প্রত্যাশা সদস্যদের।

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ফিরোজ কবির জানান ,নিজে এতিম হয়েও সমাজের অবহেলিত মানুষের মাঝে ছড়িয়ে যাচ্ছে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও তথ্য প্রযুক্তির আলো। তার মত যুবকরা  সমাজের বিত্তবানদের পৃষ্টপোষকতাও সরকারী সহযোগিতা পেলে সামনের দিনে তাদের কাজ-কর্ম আরোও বিস্তার লাভ করবে বলে এলাকাবাসীর আশা।


আপনিও চাননি আপনার বাবা চুরি
শমী কায়সার, আপনার বাবা শ্রদ্ধেয় শহীদ বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক শহিদুল্লাহ কায়সার।
বিস্তারিত
রিকশার কারণে যান চলাচলের গতি
সিলেটের যানজটের অন্যতম একটি কারণ হলো রিকশা। রিকশা নিয়ন্ত্রণ করতে
বিস্তারিত
ঢাবির টিএসসিতে যৌন হয়রানি, গণধোলাই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আড্ডা দিতে এসে বিপত্তির শিকার হয়েছেন বেসরকারি
বিস্তারিত
যে শহরের সুন্দরী ধনী মেয়েরা
জানেন কি বিশ্বের কোনো একটি দেশে এমন একটি শহর রয়েছে,
বিস্তারিত
৩৫০ জনকে নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ
৩৪টি বেসামরিক পদে ৩৫০ জনকে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
বিস্তারিত
তদবিরবাজি করলে রাজনীতি করছি কেন?
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সদ্য পদত্যাগকারী সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি
বিস্তারিত