নাইকো দুর্নীতি: অভিযোগ গঠনের শুনানি ৭ জুন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৭ জুন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম।
দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।
বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় সকালে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর করে আদালত নতুন দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিজস্ব দুটি আবিষ্কৃত গ্যাস ফিল্ডকে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন উল্লেখ করে পরিত্যক্ত গ্যাস ফিল্ড হিসেবে ঘোষণা করে তৎকালীন সরকার। নাইকো রিসোর্সেস বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি অদক্ষ বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বিনা টেন্ডারে এবং সরকারি নিয়মনীতি বহির্ভূতভাবে ছাতক ও ফেনী গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলনের সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে সেখানে মজুদ ২৭৬২ বিসিএফ গ্যাসের মধ্য থেকে উত্তোলনযোগ্য ১৭৪৪ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলনের অবৈধ সুযোগ দিয়ে রাষ্ট্রের ন্যূনতম ১০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিসাধন করে তৎকালীন বিএনপি সরকার।
২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলাম ও নাইকো রিসোর্সেস বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
২০০৮ সালের ৫ মে তৎকালীন দুদকের সহকারী পরিচালক সাহিদুর রহমান খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের ‍বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং দুদকের ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।
অভিযোগপত্রের অপর আসামিরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব খন্দকার শাহিদুল ইসলাম, নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেড দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসেন, বাপেক্সের সাবেক ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক কোম্পানি সচিব মো. শফিউর রহমান, ওয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম ভূঁইয়া।
২০০৮ সালের ১৫ জুলাই নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিতাদেশের মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়।

 


আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, গত নির্বাচনে
১৪ দলের অন্যতম শরিক ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান
বিস্তারিত
সাঈদের সঙ্গে আরো ১৬ কাউন্সিলর
স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন আইনে বলা হয়েছে, মেয়র অথবা কাউন্সিলর
বিস্তারিত
জামায়াতকে তালাক দিতে বললেন জাফরুল্লাহ
২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে তালাক (বাদ) দিয়ে বিএনপিকে রাস্তায়
বিস্তারিত
যুবলীগের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে
যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে আগামী রোববার গণভবনে বৈঠকে বসছেন আওয়ামী লীগ
বিস্তারিত
ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদককে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ২০শে নভেম্বর হাজির হতে নির্দেশ
বিস্তারিত
যে কারণে গণভবনে প্রবেশ নিষেধ
যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেস ২৩ নভেম্বর। কংগ্রেস সামনে রেখে সংগঠনটির
বিস্তারিত