গ্যাটকো: খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ জুলাই

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৮ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন সব আসামিকে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে ৫ এপ্রিল বেগম খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন আদালত। ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের দেয়া আদেশের কপি নথি নিম্ন আদালতে আসে।
২০১৫ সালের ৫ আগস্ট সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপি চেয়ারপারস বেগম খালেদা জিয়ার নামে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করেন হাইকোর্ট। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন।
মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।
মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনের অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো।
এর তিন দিন পর খালেদা ও কোকোর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দেন হাইকোর্ট। মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনের অন্তর্ভুক্ত করা কেনো ‘বেআইনি ও কর্তৃত্ব বহির্ভূত’ ঘোষণা করা হবে না -তা জানতে চাওয়া হয় ওই রুলে। তবে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়।
দুদক আইনে গ্যাটকো মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৮ সালে আরেকটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তার আবেদনে হাইকোর্ট আবারও মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় এবং মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেয়া হবে না- এ মর্মে রুল জারি করেন।
এ ছাড়া মামলা জরুরি ক্ষমতা বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৭ সালে করা আলাদা একটি রিট আবেদন করা হলে সেটিতেও রুল জারি করেন হাইকোর্ট। দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর দুদক মামলাটি সচলের উদ্যোগ নেয়। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল শুরু হয় রুলের শুনানি।
বিগত চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম শামসুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামীও এ মামলার আসামি।
মামলার ২৪ জন আসামির মধ্যে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান, বিএনপির সাবেক মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া মারা যাওয়ায় এখন আসামির সংখ্যা ২১ জনে দাঁড়িয়েছে।

 

 


‘ইটস আওয়ার ইন্টারনাল মেটার’
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ
বিস্তারিত
খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ল এক
মানহানির দুটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ এক
বিস্তারিত
খোকনের সঙ্গে সাক্ষাৎ তাপসের
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
বিস্তারিত
ফখরুলের কাছে ভোট চাইলেন আতিক
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে ভোট ও দোয়া
বিস্তারিত
অত্যাধুনিক ঢাকা গড়ে তুলতে ১৪৪
বাসযোগ্য অত্যাধুনিক ঢাকা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন
বিস্তারিত
সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা
নৌকার গণজোয়ার দেখে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষের ভরাডুবির
বিস্তারিত