'লিজা নার্সারি' পরিবারে এনেছে সচ্ছলতা

মহানগরীর শাহমুখদুম থানার পোস্টাল একাডেমিসংলগ্ন পবা নতুনপাড়া এলাকার তাজরুল ইসলামের লিজা নার্সারিতে এখন ফুলের চারা বিক্রির হিড়িক পড়েছে। প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে হরেক রকমের ফুলগাছ। এ নার্সারির মাধ্যমে পরিবারে এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা।

তাজরুল ইসলাম রাজশাহী সিটি করপোরেশনে চাকরি করেন। তার স্ত্রীর নাম লিজা। নার্সারির নামকরণও করা হয়েছে মেসার্স লিজা নার্সারি। নার্সারির সার্বিক দেখভাল করেন তাজরুলের স্ত্রী লিজা। সাত কর্মচারী নিয়ে এ নার্সারি পরিচালনা করেন তিনি। আলোকিত বাংলাদেশকে লিজা জানান, ১৯৯৭ সালে গুটিকয়েক ফলগাছের চারা নিয়ে আমরা এ নার্সারি শুরু করি। ২০ বছর ধরে এ নার্সারি করছি। বর্তমানে এখানে ফুলের চারা বেশি উৎপন্ন হয়। প্রায় ২০ কাঠা জায়গায় ফুল ও ফল মিলে নার্সারিতে এখন তিন শতাধিক প্রজাতির ফুলের চারাগাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে সাতজন কাজ করছেন নার্সারিতে। নার্সারি করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। বলেন, প্রতিনিয়ত নগরীর বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও বাসাবাড়ির জন্য চারা ক্রয় করেন বৃক্ষপ্রেমীরা। শখ থেকে শুরু করলেও এটি এখন ব্যবসাসফল হয়েছে। শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ বাদে নার্সারি থেকে মাসে অনেক টাকা আয় হয়। দুই ছেলের পড়াশোনার খরচ চলে এখান থেকে। সাত শ্রমিকের বেতন নিয়মিত দেয়া হয়। তাদের মধ্যে রেজাউল ইসলাম নামে একজনকে ম্যানেজার করেছেন লিজা। রেজাউল জানান, ১৩ বছর ধরে এ নার্সারিতেই আমি চাকরি করছি। এখান থেকেই আমার পরিবারেও সচ্ছলতা ফিরেছে।

লিজা আরও জানান, আমার নার্সারি থেকে বছরে দুই ধরনের ফুলের চারা বিক্রি করা হয়। একটি হলো মৌসুমি চারা; অন্যটি স্থায়ী চারা। স্থায়ী চারা বছরের যে কোনো সময় পাওয়া যায়। আর মৌসুমি ফুলগাছের চারা শীত মৌসুমে বেশি বিক্রি হয়। মৌসুমি ফুলগাছের মধ্যে রয়েছে স্টার ফুল, ইনকা গাঁদা, স্যালেশিয়া, দোঁপাটি, ম্যাস্টোশিয়াম, ভারবিনা, গার্জেনিয়া, সিলভিয়া, কসমচ, পিটুনিয়া, রুবেনিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, স্নো-বল, ডালিয়া, জিনিয়া, প্লাস্টিক, পপি, গ্লাডিওলাস, নয়নতারা প্রভৃতি। এছাড়া স্থায়ী ফুলগাছের মধ্যে রয়েছে জবা, বেলি, গন্ধরাজ, জুঁই, কামিনি, হাসনাহেনা, শিউলি, রঙ্গন, গোলাপ, টগর, অ্যান্ডোনিয়াম, অ্যালামন্ডা, মাধবীলতা, কৃষ্ণচূড়া, অপরাজিতা, পাতাবাহার, বোতলপাম্প, রাবিশপাম্প, তালপাম্প, মন্দির ঝাউসহ বিভিন্ন ধরনের ইনডোর-আউটডোর ফুলের চারাগাছ। আম, পেয়ারা, লিচু, মালটাসহ বিভিন্ন ধরনের ফলগাছের চারাও রয়েছে নার্সারিতে।

দেশি ফুলের চারা বাসায় বীজের মাধ্যমে উৎপাদন করি। আর বিদেশি ফুলের চারাগাছ ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। নার্সারিকে ঘিরেই স্বপ্ন দেখেন তিনি। বর্তমানে হাজার হাজার ফুলের চারা বিক্রি হচ্ছে। নগরীর এম এ কাইউম নামে এক বৃক্ষপ্রেমী লিজা নার্সারিতে ফুলের চারা ক্রয় করার সময় কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ৫ বছর আগে এ নার্সারি থেকে গোলাপের চারা ক্রয় করেছিলাম। এখনও বাসায় গোলাপ ফুলের গাছ আছে। এ বছর আরও ফুলের চারা ক্রয় করার জন্য এখানে এসেছি। ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে টবে গোলাপ ফুলের চারা কিনলাম। আশা করি, ভালো হবে। অন্যকেও এখান থেকে ফুলের চারা কিনতে উৎসাহীত করেন তিনি।


মতলব উত্তরে আখের বাম্পার ফলন
মতলব উত্তর উপজেলায় এ বছর চিবিয়ে খাওয়া আখের বাম্পার ফলন
বিস্তারিত
রংপুরে সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ
রংপুরে সড়ক-মহাসড়কগুলোতে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে অবৈধ নছিমন, করিমন, মুড়িরটিন, মোটরসাইকেল,
বিস্তারিত
দেশের চাহিদা পূরণ করে রপ্তানির
রংপুর বিভাগে পোলট্রি শিল্পের ১১ বছরে প্রসার হয়েছে ১১ গুণের
বিস্তারিত
জগন্নাথপুরে আমন রোপণে কোমর বেঁধে
আর ১৫ দিন পরেই শেষ হচ্ছে ভাদ্র মাস। ভাদ্র মাসের
বিস্তারিত
এবার রংপুরে বেশি পশু
রংপুর বিভাগে এবার ঈদে বেশি পশু কোরবানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর
সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের হাটগুলোয় প্রচুর কোরবানির পশু উঠেছে। গতবারের চেয়ে
বিস্তারিত