কুমড়োবড়িতে আত্মনির্ভরশীল কেশবপুরে গৃহবধূরা

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঘরে ঘরে এখন কুমড়োবড়ি তৈরির ধুম পড়েছে। এ বড়ি তৈরি করে অজপড়াগাঁয়ের গৃহবধূরা খুঁজে পেয়েছেন আত্মনির্ভরশীলতার পথ। শুধু গৃহবধূরাই নন, স্কুল-কলেজপড়ুয়া মেয়েরাও কুমড়োবড়ি তৈরি করে তাদের লেখাপড়ার খরচ জোগাচ্ছেন। আর তাদের তৈরি কুমড়োবড়ি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতি বছর শীত মৌসুমে গৃহবধূ ও স্কুল-কলেজপড়ুয়া মেয়েরা চালকুমড়োর সঙ্গে মাষকলাই ও বিভিন্ন সবজি মিশিয়ে তৈরি করেন কুমড়োবড়ি। এ কাজে তারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করেন।

সরেজমিন উপজেলার ব্রহ্মকাটি, রামচন্দ্রপুর, ব্যাসডাঙ্গা, সুজাপুর, মাগুরখালী, পাঁজিয়া, কর্ন্দপপুর, গৌরিঘোনা, কলাগাছি, ময়নাপুর, আড়ুয়া, কাটাখালী, দেউলি, বাগদাহ, সাবদিয়া, কুশুলদিয়া, শ্রীফলা, ভান্ডারখোলা, হাসানপুর, বগা, সাগরদাঁড়ি, ধর্মপুর, ফতেপুর, প্রতাপপুর, শিকারপুর, ভালুকঘর, শ্রীরামপুর, বায়সা, জাহানপুর, সাতবাড়িয়া, ত্রিমোহিনী, বরণডালি, মূলগ্রাম, বেগমপুর, মধ্যকুল, হাবাসপোল, বালিয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, ওইসব গ্রামের গৃহবধূদের পাশাপাশি স্কুলপপড়ুয়া মেয়েরা কুমড়োবড়ি তৈরি করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 চিংড়া গ্রামের গৃহবধূ আমেনা বেগম জানান, প্রতি বছর শীত এলে চালকুমড়ো আর মাষকলাই মিশিয়ে তৈরি করা হয় কুমড়োবড়ি। ফতেপুর গ্রামে আছিয়া বেগম বলেন, চালকুমড়োর বড়ি খেতে খুবই মজা। এখানকার গৃহবধূদের তৈরি কুমড়োবড়ি নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়।

গড়ভাঙ্গা গ্রামের রুমিছা বেগম বলেন, নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে সকাল-সন্ধ্যা কুমড়োবড়ি তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছি।

বাগদাহ গ্রামের আকলিমা বেগম বলেন, প্রতি বছর শীত মৌসুমে কুমড়োর সঙ্গে মাষকলাই ও বিভিন্ন সবজি রাতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে বড়ি তৈরি করি। এ বড়ি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি করে সংসারে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছি।

জাহানপুর গ্রামের আলেয়া বেগম বলেন, রাতভর মাষকলাই ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে বেঁটে পেস্ট করে চাল কুমড়োর পেস্টের সঙ্গে মিশিয়ে পরিষ্কার কাপড়ের ওপর ছোট ছোট করে বসিয়ে দেন। পরে তা রোদে শুকিয়ে খুব যত্ন করে রেখে দেন পাত্রে ভরে। এ বড়ি ব্যাপক পুষ্টিগুণ থাকায় শহরের লোকজন খেতে খুব ভালোবাসেন। তাই স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে যাচ্ছে এখানকার গৃহবধূদের তৈরি কুমড়োবড়ি। এ বড়ি এখানকার গৃহবধূদের আত্মনির্ভশীলতার পথ দেখাচ্ছে।

 


মোহিত কামালের টুকরো গল্প ‘উপকার’
একা একা ঘাস আর গাছের  কচি কচি লতাপাতা খাচ্ছিল জেব্রা।
বিস্তারিত
তামাক ও নিকোটিন থেকে তরুণদের
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষিত বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস আজ ৩১
বিস্তারিত
রক্ত জমাট বাঁধা: করোনায় মৃত্যুর
পঞ্চাশ বয়সের একজন ভদ্রলোক হাসপাতালে ভর্তি হন কভিড ১৯ পজিটিভ
বিস্তারিত
উন্নয়ন আর পরিবেশ রক্ষা, দুটি
উন্নয়ন আর পরিবেশ রক্ষা- দুটি কি একই সাথে সম্ভব? যদি
বিস্তারিত
করোনা প্রতিরোধে অন্তরের অসুখ নিরাময়
মানুষের অসুস্থতা প্রধানত দুই প্রকার, শারীরিক ও মানসিক। বিশ্বস্বাস্থ সংস্থা
বিস্তারিত
আমাদের চার পাশে হাজারো দু’পায়ের
আপনি পবিত্র রমজান মাসে কতজন লোককে সাহায্য করেছেন? একজন? দুইজন?
বিস্তারিত