গ্রন্থমেলায় শিশু সংগঠন নিষ্ক্রিয়তা ও শিশুর সাংস্কৃতিক বিকাশ নিয়ে আলোচনা

 শিশু সংগঠনের নিষ্ক্রিয়তার পেছনে শিশুর অভিভাবকদের
নিষ্ক্রিয়তাও বহুলাংশে দায়ী। সেই সঙ্গে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা শিশুর ওপর যে বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে, সেটাও শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য শিশু সংগঠনগুলো 
যেমন সক্রিয় করা প্রয়োজন, তেমনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে
আনন্দ নিকেতন করে তুলতে হবে

গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে অনুষ্ঠিত হয় শিশু সংগঠন নিষ্ক্রিয়তা ও শিশুর সাংস্কৃতিক বিকাশ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মোহিত কামাল। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সুব্রত বড়–য়া, দিলারা হাফিজ এবং হাসান শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্পী হাশেম খান।
প্রাবন্ধিক বলেন, নানা সমস্যার বিলুপ্ত কিংবা নিষ্ক্রিয় হতে থাকা শিশু সংগঠনগুলোকে চাঙ্গা করতে হবে। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, দ্বন্দ্ব-সংঘাত শনাক্ত ও তা সমাধান করে সাংগঠনিক শক্তিকে জোরদার করতে হবে। এর সঙ্গে সরকারি আর্থিক প্রণোদনার তো প্রয়োজন আছেই। তবে কেবল তার ওপর ভর করে থাকলে চলবে না। শিশু সংগঠনগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য অর্থযোগের ব্যবস্থাও থাকতে হবে, প্রকল্প থাকতে হবে হাতে। 
শিশু সংগঠনের সক্রিয় কার্যক্রমের পাশাপাশি শিশুর সংস্কৃতি বিকাশে খ-িত নয়, সামগ্রিক বিষয়কে মূল্যায়ন করতে হবে। শিশু সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত মনস্বী জাতীয় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্র থেকে দেশজুড়ে শাখা সংগঠনে সফর বাড়াতে হবে, যেমনটি করতেন রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই প্রমুখ। এভাবে মৃতপ্রায় সংগঠনগুলো জাগিয়ে তুলতে পারি আমরা। বিশ্বসংস্কৃতির শুভকে গ্রহণ করে অশুভ আগ্রাসনের এ প্রতিকূল সময়েও শিশুর সংস্কৃতি বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারি। 
আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশেও একসময় শিশু সংগঠনগুলো শিশুর জীবন গঠনে প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেছে। বর্তমানে নগরায়ণের প্রভাবে খোলামেলা পরিবেশে শিশুর বেড়ে ওঠার সুযোগ প্রায় নেই বললেই চলে। আজ শিশুর বিনোদন কম্পিউটার গেমস, মোবাইল ও ইন্টারনেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের জীবনযাত্রা সহজ করলেও এর অপব্যবহার ও ব্যবহার-অজ্ঞতা শিশুর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সেই সঙ্গে আমরা আজ খুব বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। ফলে শিশুর জীবন বিকাশের সংগঠনের প্রায়োজনীয়তা উপেক্ষিত হয়ে পড়ছে। আমাদের সমাজের তথা দেশের মঙ্গলের জন্যই শিশু সংগঠনগুলোকে আবার ব্যাপকভাবে সক্রিয় করা প্রয়োজন। 
সভাপতির বক্তব্যে শিল্পী হাশেম খান বলেন, শিশু সংগঠনের নিষ্ক্রিয়তার পেছনে শিশুর অভিভাবকদের নিষ্ক্রিয়তাও বহুলাংশে দায়ী। সেই সঙ্গে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা শিশুর ওপর যে বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে, সেটাও শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য শিশু সংগঠনগুলো যেমন সক্রিয় করা প্রয়োজন, তেমনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আনন্দ নিকেতন করে তুলতে হবে। 


ভাইয়ের ভালোবাসা
রুহানকে ভাইয়ের ভালোবাসা বোঝানোর জন্যই মামার এই কৌশল। এ কথা
বিস্তারিত
শরৎ সাজ
শরৎ সাজ পাই খুঁজে আজ শিউলি ফোটা ভোরে পল্লী গাঁয়ের মাঠে
বিস্তারিত
মশারাজ্যে
প্যাঁপো লাফাতে লাফাতে বলল, ‘আমি আগেই সন্দেহ করেছিলাম, আপনি বিদেশি
বিস্তারিত
আবার শরৎ এলো
নদীর ধারে শাদা ফুলের দোলা,
বিস্তারিত
জাতীয় কবি
ছোট্টবেলায় বাবা মারা যান অসহায় হন ‘দুখু’ সংসারে তার হাল ধরা
বিস্তারিত
বিদ্রোহী নজরুল
চুরুলিয়ার সেই ছেলে তুমি  কবিতার নজরুল, রণাঙ্গনের বীর সৈনিক প্রাণেরই বুলবুল। কেঁদেছো তুমি দুখীর
বিস্তারিত