ইসলামি দৃষ্টিকোণে বাইয়ে সালাম

‘সালাম’ আরবি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ প্রদান করা, অর্পণ করা। একে ‘বাইয়ে সালাফ’ও বলা হয়। ‘সালাফ’ অর্থ বিগত, পূর্ববর্তী। ইমাম সারাখসি (রহ.) বলেন, এ লেনদেনে ক্রেতা অগ্রিম মূল্য প্রদান করে বলে একে ‘বাইয়ে সালাম’ এবং মূল্য প্রদানের সময় গত হওয়ার পর ভবিষ্যতে পণ্য সরবরাহ করা হয় বলে একে ‘বাইয়ে সালাফ’ বলে অভিহিত করা হয়। যে পদ্ধতিতে ক্রেতা পণ্যের মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করে তার ভিত্তিতে একে পারিভাষিক অর্থে বাইয়ে সালাম বলা হয়। আর বিক্রেতা পণ্য সরবরাহ বা হস্তান্তর করে একটি নির্ধারিত মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর। এই ভবিষ্যৎ মেয়াদের সময়সীমা নির্ধারিত হয় ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে। 

বাইয়ে সালামের ইতিবৃত্ত
অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা যে দিন তাদের প্রত্যাশিত মুনাফা এবং ভোক্তারা তাদের সুবিধা ও উপকার লাভ করার প্রয়াস পায়, সে দিন থেকে বাইয়ে সালামের অবকাঠামো ও রূপরেখার উন্মেষ ঘটে এবং ব্যবসায়ী মহলে তা সমধিক গুরুত্বপূর্ণ ও সমাদৃত হয়। প্রসঙ্গত বলা যায়, ঐতিহাসিক ও প্রাগৈতিহাসিক যুগের কোনো শতাব্দী বা সহস্রাব্দে বাইয়ে সালামের সূচনা হয়, তা নির্ভুলভাবে বলা অনেকটা দুরূহ ব্যাপার। তবে বিশুদ্ধ হাদিস ও ঐতিহাসিক বর্ণনানুযায়ী তৎকালীন আরবে, বিশেষ করে মদিনার কৃষক সমাজে বাইয়ে সালামের ব্যাপক প্রচলন ছিল। তারা খেজুর ও মৌসুমি ফসলের ক্রয়-বিক্রয়ে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করত। মদিনায় ক্ষুদ্রে ব্যবসায়ীরা তাদের স্বল্পপুঁজি অগ্রিম বিনিয়োগ করত এবং নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে কৃষক ও বাগানের মালিক থেকে সস্তা মূল্যে পণ্যসামগ্রী সংগ্রত করত। অন্যদিকে বিক্রেতারা ওই লব্ধমূল্য ফসল ও ফল উৎপাদনে ব্যয় করে উৎপাদন খরচ অনেকটা লাঘব করতে সক্ষম হতো। এভাবে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় শ্রেণি বাইয়ে সালাম পদ্ধতি অবলম্বন করে বেশ লাভবান ও উপকৃত হতো। তবে সেকালে বাইয়ে সালাম শুধু খেতের ফসল আর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলোর মধ্যে সীমিত ছিল। বর্তমানে তা ওই সীমানা পেরিয়ে বহুদূর সম্প্রসারিত হয়েছে। 

ইসলামি আইনে বাইয়ে সালাম
মানুষের বহুবিধ কল্যাণ ও সুবিধার কথা বিবেচনায় এনে ইসলামি শরিয়া বাইয়ে সালামকে বৈধতার সনদ প্রদান করেছে। যেখানে পণ্য বিদ্যমান থাকার পরও তাতে পরিমাণগত বা গুণগত কোনো রূপ অস্পষ্টতা থাকলে সে পণ্যের বেচাকেনা নিষিদ্ধ, সেখানে বাইয়ে সালামের পণ্য সরাসরি অবিদ্যমান ও অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাকে সম্পূর্ণ হালাল ও বৈধ সাব্যস্ত করা হয়েছে। ইসলামি আইন শাস্ত্রের মৌলিক চার উৎসÑ কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের মধ্যে প্রথম তিনটিতে বাইয়ে সালামের বৈধতার চমৎকার প্রমাণ পাওয়া যায়। 

আল কোরআন থেকে 
‘হে মোমিনরা! তোমরা যখন একে অন্যের সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের জন্য ঋণের আদান-প্রদান করো, তখন তা লিপিবদ্ধ করে রাখো।’ (সূরা বাকারা : ২৮২)। ইবন আব্বাস (রা.) বলেন, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি, বাইয়ে সালাম সম্পর্কে কোরআনে এক নাতিদীর্ঘ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তিনি উপরোক্ত আয়াতটি তেলাওয়াত করেন। বাইয়ে সালামে মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করা হয় এবং পণ্য বিলম্বে হস্তান্তর করা হয়। সুতরাং এক্ষেত্রে মূল্য পরিশোধ করা হলো কি না, তা কী পরিমাণ এবং মূল্য কী কোনো বস্তু না মুদ্রা, মুদ্রা হলে কোন দেশীয় মুদ্রা, অনুরূপভাবে প্রদত্ত মূল্যের বিনিময়স্বরূপ পরবর্তী সময়ে হস্তান্তরযোগ্য যে পণ্য ধার্য হয়েছে তার পরিমাণ কত ও কোথায় প্রদান করা হবে এবং কত দিনের মেয়াদ নির্ধারিত হবেÑ এজাতীয় সবকিছু কাগজেকলমে লিখে রাখার সুপরামর্শ দিয়েছে কোরআনের এ আয়াত। 

হাদিস থেকে 
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন মদিনায় পদার্পণ করেন, তখন মদিনাবাসী এক, দুই ও তিন বছর মেয়াদে বিভিন্ন ধরনের ফল অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয় করত, তা দেখে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয় করবে, সে যেন নির্ধারিত পরিমাপ, নির্ধারিত ওজন এবং নির্ধারিত মেয়াদের জন্য করে। (বোখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ)। আবদুল্লাহ ইবন আবু আউফা (রা.) বলেছেন, আমরা নবী (সা.) এর যুগে, আবু বকর (রা.) এর যুগে ও ওমর (রা.) এর যুগে বাইয়ে সালাম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) করতাম।

ইজমার আলোকে বাইয়ে সালাম 
এ ব্যাপারে আগের ও পরের সব ইসলামি ফকিহ এবং মুজতাহিদ ইমামরা মতৈক্যে উপনীত হয়েছেন যে, বাইয়ে সালাম বৈধ ও হালাল। আল্লামা ইবনে কুদামা (রহ.) বলেন, ‘এতে একদিকে বিক্রেতা অগ্রিম মূল্য দ্বারা নিজের পরিবার ও উৎপাদনের ব্যয়ভার বহনে সমর্থ হয়, অন্যদিকে ক্রেতা ও সুবাদে অপেক্ষাকৃত স্বল্পমূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। সুতরাং এ উপকারী ব্যবসা অবশ্যই হালাল বিবেচিত হবে।’ হাদিস ও ফিকহের সব নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে বাইয়ে সালামের বৈধতার ব্যাপারে উম্মতের ইজমা বা ঐক্যের কথা বিধৃত হয়েছে। 

বাইয়ে সালামের পণ্যসামগ্রী
বাইয়ে সালাম একটি লেনদেন প্রক্রিয়া। তাই যে পণ্যদ্রব্য ও বস্তুসামগ্রীর ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেন বৈধ হয় বাইয়ে সালামও সেগুলোর ক্ষেত্রে বৈধ হবে। তবে এক্ষেত্রে পণ্য বিলম্বে সরবরাহ করা হয় বলে তাতে বিতর্ক সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় শুধু সেসব বস্তুকেই বাইয়ে সালামের পণ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলোর পরিমাণ, বৈশিষ্ট্য, অবস্থা, প্রকৃতি ও ধরন নির্ধারণ করা সম্ভব। যেমনÑ ওজনযোগ্য দ্রব্য : চাল, ডাল, লবণ, চিনি, রড, সিমেন্ট ইত্যাদি। পরিমাপযোগ্য দ্রব্য : তেল, পানি, গ্যাস, দুধ, মধু ইত্যাদি তরল ও দাহ্য পদার্থ, গণনাযোগ্য দ্রব্য, যেমনÑ কলা, কমলা, ডিম, লিচু, ইত্যাদি। উল্লেখ্য গণনাযোগ্য দ্রব্যের পরিমাণ ও গুণগতমানের উল্লেখ হওয়া জরুরি। উল্লিখিত মান ও পরিমাণে অধিক ব্যবধান থাকলে বাইয়ে সালাম বৈধ হবে না। গজ, ফুট বা মিটার দ্বারা পরিমাপিত দ্রব্য। যেমনÑ কাপড়, তার, চট, কারপেট, জমি, প্লট, ফ্ল্যাট ইত্যাদি।
উল্লিখিত পণ্যদ্রব্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা যায় সহজেই। সুতরাং এগুলোয় বাইয়ে সালাম বৈধ হবে। স্মর্তব্য, পরিমাণ নির্ধারণের পাশাপাশি দ্রব্যগুলোর বৈশিষ্ট্য ও ধরন উল্লেখপূর্বক তার পরিচয় ক্রেতার সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে হবে। তবে স্বর্ণ-রৌপ্য ওজনযোগ্য দ্রব্যসামগ্রী হলেও এগুলোর দাম সর্বদা ওঠানামা করে। তাই মূল্য নির্ধারণে অস্পষ্টতা অনিবার্য হয়ে পড়ে। সুতরাং ওগুলোয় বাইয়ে সালাম বৈধ হবে না। স্বর্ণ-রৌপ্যের মতো মণিমুক্তার বিধানও অনুরূপ।
কিছু দ্রব্য আছে, যেগুলোর পরিমাণ মাপা হয় না এবং পরিমাণ করা উদ্দেশ্যও হয় না। বরং বৈশিষ্ট্য, আকৃতি ও ধরন এবং গুণগতমান উল্লেখ করলেই তার পুরো পরিচয় ফুটে ওঠে। যেমনÑ গাড়ি, ফ্রিজ, এসি, ফ্যান, কম্পিউটার, মেশিন, দরজা-জানালা, চেয়ার-টেবিল, বই, কলম, জগ, বালতি, ব্যাগ, ঘড়ি ও তৈরি পোশাক ইত্যাদি। এ জাতীয় দ্রব্যগুলো বাইয়ে সালামের পণ্য হিসেবে বিক্রি হতে পারে। তবে এর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি এমনভাবে তুলে ধরতে হবে, যেন ক্রেতার সামনে তা স্পষ্ট হয়ে যায়। যেসব পণ্য সরাসরি না দেখলে তার পরিমাণ, বৈশিষ্ট্য ও মান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না শুধু বর্ণনার ভিত্তিতে ক্রয় করলে তাতে বিস্তর তফাত দেখা দেয় এবং তার জের ধরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়, সেসব পণ্যের বাইয়ে সালাম বৈধ নয়। যেমনÑ জীবজন্তু, তরমুজ, কাঁঠাল, গণনায় বিক্রীত বড় মাছ, শাকসবজির আঁটি ও ছোট মাছের ভাগা। ধাতব মুদ্রা বা কাগজি মুদ্রাকে পণ্য নির্ধারণ করে বাইয়ে সালাম বৈধ হবে না। কেননা বাইয়ে সালামে মূল্য নগদ ও পণ্য বাকিতে পরিশোধ করা হয়। অথবা মুদ্রার বিনিময়ে মুদ্রা লেনদেন করলে পণ্য ও মূল্য উভয় নগদ হওয়া শর্ত। নগদ-বাকি হলে তা সুদে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে সহজ উপায় হলো ক্রয়-বিক্রয় হিসেবে না করে ঋণ হিসেবে আদান প্রদান করা, যা বাকিতে পরিশোধ করা বৈধ। তবে উভয়ের প্রাপ্যের পরিমাণ সমান সমান হতে হবে। কম-বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ সুদ হবে। নির্ধারিত কোনো অঞ্চল বাগান বা খেতের ফল ও ফসলের ক্ষেত্রে বাইয়ে সালাম বৈধ হবে না। কেননা হতে পারে সেই খেত, বাগান বা অঞ্চলের পণ্য আদৌ মার্কেটে নেই এবং উল্লিখিত খেত ও বাগানে কোনো ফল হয়নি। তবে বর্তমানে প্রচলিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বড় বড় কোম্পানির পণ্য নির্ধারণ করে বাইয়ে সালাম করলে তা বৈধ হবে। কারণ তা সর্বদা ও সর্বত্র পাওয়া যায়।

আধুনিক ব্যাকিংয়ে বাইয়ে সালাম 
প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকগুলো বাইয়ে সালাম পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয় করার শর্তে পণ্যের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করে বিক্রেতার কাছে (গ্রাহককে) অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করে থাকে। অতঃপর বিক্রেতা (গ্রাহক) ভবিষ্যতে একটি নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকের কাছে পণ্য সরবরাহ করে থাকে। সাধারণত কৃষি, শিল্প, পশুপালন, হাঁস-মুরগির খামার ইত্যাদি প্রকল্পের খাতে ব্যাংক এ পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করে থাকে। এতে কৃষক ও শিল্পপতি ব্যাংক থেকে অগ্রিম মূল্য নিয়ে তার উৎপাদন বাড়ায় এবং পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, এ পদ্ধতিতে ব্যাংক কাউকে ঋণ প্রদান করে না। বরং পণ্য ক্রয় করার জন্য অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করে। পরবর্তী সময় ব্যাংক তার ক্রয়কৃত পণ্য বাজারে বিক্রি করে। বিক্রয় মূল্য যদি ক্রয়মূল্য থেকে বেশি পায়, তাহলেই মুনাফা অর্জিত হয়। সালাম পদ্ধতিতে ব্যাংকের এ বিনিয়োগ ইসলামি শরিয়ার দৃষ্টিতে তখনই বৈধ হবে, যখন চুক্তিপত্রে পণ্যের নাম, পরিমাণ, মূল্য, প্রকৃতি, সরবরাহের তারিখ, স্থান, পরিবহণ খরচ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

বাইয়ে সালামের শর্ত
চুক্তিপত্রে পণ্যের বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত হতে হবে। মূল্য নগদ অর্থে কিংবা পণ্যের দ্বারা পরিশোধ করা যাবে। মূল্য পণ্যের দ্বারা পরিশোধ যোগ্য হলে, তা পরিমাপযোগ্য, না ওজনযোগ্য, না গণনাযোগ্য তার বিবরণ এবং পরিমাণ চুক্তিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। মূল্য নগদ অর্থে পরিশোধযোগ্য হলে তা কোনো মুদ্রায় তার উল্লেখ থাকতে হবে। চুক্তিপত্রে বিক্রীত পণ্যের গুণাগুণ, শ্রেণি, প্রজাতি, পরিমাণ, অবস্থা, ধরন, সরবরাহের তারিখ, স্থান সময় ও পরিবহণ খরচ ইত্যাদি স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে, যেন ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে কোনো অস্পষ্টতা না থাকে, যা পরে বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে। অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতা কর্তৃক বিক্রেতাকে যে অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করা হবে, তা বিক্রেতা কর্তৃক ক্রেতার কাছে পণ্য হস্তান্তর না করা পর্যন্ত ঋণ হিসেবে গণ্য হবে। চুক্তি সম্পাদনের সময় হতে পণ্য হস্তান্তরের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাজারে চুক্তিবদ্ধ পণ্য সহজ লভ্য থাকতে হবে। চুক্তিপত্রে ইসলামি শরিয়ার পরিপন্থি কোনো শর্তারোপ করা যাবে না। অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রয় মূল্য পরিশোধের বিপরীতে বিক্রেতার কাছ থেকে Security হিসেবে কোনো জিনিস বন্ধক (Mortgage)  রাখা যাবে।


মহানবী (সা.) এর প্রতি আদব
মহানবী (সা.) এর প্রতি এ আদব প্রদর্শন যেভাবে তাঁর বরকতপূর্ণ
বিস্তারিত
রমজানরে আলোয় কাটুক সারা বছর
জুহদ ও তাকওয়া র্অজনরে, সওয়াব ও নকেি কামানোর বসন্তকাল রমজানুল
বিস্তারিত
চিকিৎসাবজ্ঞিানে মুসলমি অবদান
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুসলিম মনীষীদের আবিষ্কার এবং অবদান অনস্বীকার্য। এক্ষেত্রে
বিস্তারিত
পশুপাখির অধিকার রক্ষায় ইসলাম
আমরা যদি পবিত্র কোরআন ও হাদিসে দৃষ্টিপাত করি তাহলে দেখতে
বিস্তারিত
শাওয়ালের ছয় রোজা ও ‘অশুভ’ প্রসঙ্গ
মাহে রমজান ইবাদতের মাস। এ সময় মুসলমানরা দীর্ঘ এক মাস
বিস্তারিত
রমজানপরবর্তী মুসলিমের কাম্য জীবন
মুসলমান রমজানকে বিদায় জানায়, যার রজনীগুলোতে ছিল মধুরতা, দিবসগুলোতে ছিল
বিস্তারিত