প্রতি পৃষ্ঠায় প্রকৃতির গল্প

স্বাধীনতা-পরবর্তী এক হতাশার আবর্তে ঘুরপাক খেতে থাকা কিছু চেনা মুখ, কিছু চেনা চরিত্রÑ যারা রৌদ্রালোকে নিজেদের চিনে নিতে হয়েছে ব্যর্থ। দায় ঝেড়ে ফেলার কোনো তাগিদ তাদের নেই। সেসব পথের ধারের কিছু চরিত্র নিয়ে সেখ ইসমাইল হোসেনের গল্পগ্রন্থ ‘পথের ধারে বন’। এবারের গ্রন্থমেলায় আলোঘর প্রকাশনা গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে। এটি লেখকের সপ্তম গ্রন্থ। গ্রন্থটিতে ৮টি ছোটগল্প স্থান পেয়েছে। গল্পগুলোর শব্দসংখ্যা সীমিত। অর্থাৎ চার-পাঁচ পৃষ্ঠার একেকটি গল্প। গ্রন্থের ভাষাও বেশ ঝরঝরে।
লেখকের প্রকৃতি দেখার আলাদা একটি চোখ আছে, তাছাড়া লেখক নিজেও একজন আলোকচিত্রী। এ দুইয়ে মিলেই তিনি লেখায় প্রকৃতিকে তুলে এনেছেন নিখুঁতভাবে। যেমন ‘অচেনা পথ’ গল্পে লেখক বর্ণনা করেন, ‘সমুদ্রের মাঝখান থেকে বড় বড় ঢেউ তীরের কাছে এসে ছোট ছোট হয়ে ভেঙে পড়ছে। আর তার ফেনিল ভগ্নাংশগুলো মর্মর ধ্বনি তুলে তোমার পায়ের পাতা ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। দূরে একঝাঁক গাঙচিল নীল পানিতে ভেসে ভেসে ঢেউয়ের দোলায় দুলছে। তুমি একাকী হাঁটছ।’ এ বর্ণনায় লেখক পাঠককে সমুদ্রের একান্ত কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এতে তিনি পাঠকের এক ধরনের ভালোলাগার অনুভূতি তৈরি করতে চেয়েছেন।  গ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ। দাম ২২০ টাকা। 


পরমানন্দ মূল : জন ডান
শয্যার পরে রাখলে বালিশ দেখায় যেমন মাটির ঢিবি তেমনি একটি
বিস্তারিত
কোনোদিন কথা হয়নি
  লাল কাঁকড়ার পদচিহ্ন খুঁজে খুঁজে হাঁটি পথ বালিচরে নগ্ন পা,
বিস্তারিত
গাঁয়ের বধূ
বড়ালের পাড়ে তরুণী বধূটি, তাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো।
বিস্তারিত
আমাদের গল্প অল্প
তোমাদের গল্প, আমাদের গল্প এক নয়, এক হতে পারে না 
বিস্তারিত
কবিতা ও ভাবনা
কবিতা একটি শিল্প, যা শুধু উপলব্ধি করার বিষয়। গভীর চিন্তাভাবনার
বিস্তারিত
হেমন্তিকা
সবুজ পাতার খামের ভেতর হলুদ গাঁদা চিঠি লেখে কোন পাথারের
বিস্তারিত