বইমেলায় এম.উমর ফারুকের যে রাতের দিন হয় না

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় পাওয়া যাচ্ছে লেখক ও সাংবাদিক এম.উমর ফারুকের উপন্যাস ‘যে রাতের দিন হয় না’।  বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রী মেঘলা। এক অশুভ ঝড়ে তার জীবনের সোনালী ভবিষ্যত অন্ধকারে পরিণত হয়। লেখাপড়ার মাঝপথে ছাড়তে হয় বিশ্ববিদ্যালয়কে। মেঘলা হয় যৌনপল্লীর বাসিন্দা। কেটে যায় দিন সপ্তাহ মাস বছর। অন্ধকার জীবন থেকে বেড়িয়ে আলোর সন্ধান করে। কিন্তু যে ডালে ভর করে সেই ডাল ও ভেঙ্গে যায়। বষয়ের ভাড়ে মেঘলার ঠিকানা হয় বৃদ্ধাশ্রমে। মরণ ব্যধির সঙ্গে কিছু সময় পার করে চলে যায় অন্ধকারের শেষ ঠিকানায়। শরীর শিউরে ওঠার মত ঘটনা নিয়ে সাজানো বইটি প্রকাশ করেছে দেশ পাবলিকেশন্স। বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেশ পাবলিকেশন্সের  ৪০৭ ও ৪০৮ নং স্টলে পাওয়া যাবে বইটি। ৬৪ পৃষ্ঠার বইটির প্রচ্ছদ করেছেন মোস্তাফিজ কারিগর। বইটির মুল্য-১২০ টাকা।

কথাসাহিত্যিক এম.উমর ফারুক ১৯৯৭ সালে কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন।১৯৯৮ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলাতে সাংবাদিকতা শুরু করেন। ২০০৪ সালে চিলমারী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক জনপ্রাণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা বার্তা সম্পাদক ও পরে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এক পর্যায়ে ২০০৫ সালে ঢাকায় দৈনিক যুগান্তরের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন।এর পর বিভিন্ন দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক মানবকণ্ঠ, দৈনিক সংবাদ,দৈনিক জনতায় কাজ করেন। সর্বশেষ দৈনিক আজকের পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। উপন্যাস ছাড়াও তিনি ছড়া,কবিতা, গল্প,প্রবন্ধ, গানও নাটক লেখেন নিয়মিত। তার লেখা একাধিক নাটক টিভিতে প্রচারিত হয়েছে। তার লেখা গানের বেশ কয়েকটি এ্যালবামও প্রকাশ পেয়েছে।
লেখক এর আগেও ঢাকা রির্পোটাস ইউনিটি লেখক সম্মাননা- ২০১৫,২০১৪,২০১৩ও২০১১ পেয়েছেন। জাতীয় মানবাধিকার পদক-২০১২ হাছন রাজা স্মৃতি স্বর্ণ পদক-২০১০পান। চিলমারী পাবলিক লাইব্রেরী লেখক সংবর্ধনা পান। ছান্দসিক সাহিত্য সেরা কবি ২০০৮ ও বাংলাদেশ সাহিত্য পরিষদ হতে ছান্দসিক কবি পদক-২০০২ লাভ করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংষ্কৃতিক সংগঠণ থেকে সংবর্ধিত হন। লেখক সৃজন সাহিত্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বেলা অবেলা’র সম্পাদক।
এম.উমর ফারুক ১৯৮৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাদুল্যা তেলীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি মো. গোলাম হোসেন সরকার ও আনোয়ারা বেগমের চার সন্তানের
মধ্যে সবার বড়। লেখক ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এল এল বি অনার্স ও এল এল এম পাশ করেন।

 


এনাম রাজুর তিনটি কবিতা
এনাম রাজুর তিনটি কবিতা এক যদি পূর্ণবার ঘর থেকে বের হয়ে দেখি
বিস্তারিত
ফখরুল হাসানের দুটি কবিতা
ফখরুল হাসানের দুটি কবিতা  জানালাহীন মাটির ঘর জগৎখ্যাত সার্চ লাইট দিয়ে খুঁজে
বিস্তারিত
ধৈর্যের ফল
ফারুক হোসেন নীরব নিস্তব্ধ রাত। বাতাস বইছিল ঝিরি ঝিরি।
বিস্তারিত
একটি মানবিক আবেদন
    কবি জাহাঙ্গীর কবির গানের কলি দিয়েই বলি  “মানুষ মানুষের
বিস্তারিত
'তবু আমারে দেব না ভুলিতে'
'আমি চিরতরে দূরে চলে যাব/তবু আমারে দেব না ভুলিতে'- লিখেছিলেন
বিস্তারিত
আমাদের চলচ্চিত্রে একজন জহির রায়হান
জহির রায়হান। একাধারে একজন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী, মুক্তিযোদ্ধা। আরও
বিস্তারিত