শেকড়ে ফেরার গল্প

উত্তরবঙ্গের মঙ্গা নিয়ে বেশ কয়েকটি লেখা হয়েছে; সেটা নাটকেই হোক বা গল্প-উপন্যাসে। সে অবহেলিত জনপদের অকৃত্রিম আদি মানুষের কথা মনে উঠলে বা তাদের নিয়ে লেখা পড়লে পাঠকের ভেতরটা ভিজে ওঠা স্বাভাবিক। এ প্রসঙ্গে আনিসুল হকের টিভি নাটক লাল পিরানের কথা মনে পড়তে পারে পাঠকের। কাছাকাছি পটভূমিতে লেখা সৈয়দ নূরুল আলমের লেখা ‘আগুনরঙা মেয়ে’ উপন্যাস। এটি এবারের একুশের গ্রন্থমেলায় আলোঘর প্রকাশনা থেকে বের হয়েছে। কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছে সংযুক্তা নামের একটি মেয়ে, যাকে মঙ্গাপীড়িত উত্তরবঙ্গ থেকে কুড়িয়ে আনেন এক ফাদার। এসওএস হোমে বেড়ে ওঠে মেয়েটি। তাই মেয়েটির মুখ দিয়ে যখন লেখক বলান, ‘জানেন আমি কখনও আকাশ দেখিনি। অন্ধকার দেখিনি। এগুলো যে দেখার বিষয়, তাই বুঝিনি কোনো দিন। এসওএস হোমে মানুষ হয়েছি। অই চার দেয়ালের মধ্যেই আমার বেড়ে ওঠা।’ অথবা সংযুক্তা যখন বলে, ‘এদের মধ্যে যদি কেউ একজন আমার বাবা হন। হতেই তো পারে। আমি জানি না কে আমার বাবা। কে আমার মা। আমার কোনো ভাইবোন আছে বা কখনও ছিল? জানেন এ নিয়ে আমি অনেক ভাবি। ভেবে ভেবে অনেক রাতে দুই চোখের পাতা এক করতে পারি না।’ সংযুক্তার এ কথায় উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কবিরের ভেতরটা যেমন ভিজে যায়। সংযুক্তার অনুভূতি আমাদেরও স্পর্শ করে থাকে বহুক্ষণ। এখানেই সৈয়দ নূরুল আলমের সার্থকতা। তার লেখার শিল্পমান পাঠককে সূক্ষ্ম ভাবনার তাড়না দিয়ে যায়। 
পাঁচ ফর্মার বইটির দাম ১৫০ টাকা। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ। 


দীপা
পহেলা ফাল্গুন। বইমেলায় শাড়ি পরিহিতা সুশ্রী একজন লেখিকা ৩০১ নম্বর
বিস্তারিত
মেঘ শুধু মেঘ নয়
মেঘ শুধু মেঘ নয়; খুঁজেছো কি মেঘে তুমি কিছু  শাদা
বিস্তারিত
আলো অন্ধকারে যাই
ভ্যান থেকে যখন নামল সে, বহু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। সন্ধ্যা
বিস্তারিত
চেতনা বিকাতে পারি
  যিনি চেতনাবাজ হয়ে বেঁচে আছেন এক মেরদ-ী শিক্ষকের কথা বলি যিনি
বিস্তারিত
টুপটুপ রক্ত ঝরছে
কপালে লাল টিপ সেঁটে দৌড়ে ছুটছে লাল ষাঁড় শিং ছুঁয়ে
বিস্তারিত
মায়ের শরীরের একাংশ আমি
আমার অস্তিত্বের অঙ্কুরোদগম হয়েছিল এক মায়াবী নারীর গূঢ় কর্ষিত জঠরে
বিস্তারিত