আল কোরআনে শাসনকাজ

শাসনকাজ কে পরিচালনা করবে, কীভাবে করবে, কে করতে পারবে নাÑ এমন নানা প্রশ্নের জবাব দেওয়া আছে আল কোরআনে। নিচে সেগুলোর কিছু আলোচনা করা হলোÑ 

মধ্যস্থতা
‘আর যদি ঈমানদার লোকদের মধ্য থেকে দুটি দল পরস্পর লড়াইয়ে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তাহলে তাদের মধ্যে সন্ধি করে দাও। পরে যদি তাদের মধ্য থেকে একটি দল অন্য দলের প্রতি বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘনমূলক আচরণ করে, তাহলে সীমালঙ্ঘনকারী দলটির সঙ্গে লড়াই করো। যতক্ষণ না সে দলটি আল্লাহর নির্দেশের কাছে ফিরে আসে। অতঃপর যদি ফিরে আসে, তাহলে তাদের মাঝে সুবিচার সহকারে সন্ধি করে দাও। আর ইনসাফ করো। আল্লাহ তো ইনসাফকারী লোকদের পছন্দ করেন। মোমিনরা তো পরস্পরের ভাই। অতএব তোমাদের ভাইদের পারস্পরিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করে দাও। আর আল্লাহকে ভয় করো। আশা করা যায়, তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করা হবে।’ (সূরা হুজুরাত : ৯-১০)। 

মিথ্যা শপথ
‘আল্লাহর নাম এমন সব প্রতিজ্ঞার কাজে ব্যবহার করো না, যার উদ্দেশ্য হবে নেক কাজ, আল্লাহর ভয় ও আল্লাহর বান্দাদের প্রতি কল্যাণকর করা থেকে বিরত থাকা। বস্তুত আল্লাহ তোমাদের সব কথাই শুনছেন এবং তিনি সবকিছুই জানেন। যেসব অর্থহীন প্রতিজ্ঞা তোমরা বিনা ইচ্ছায় করে ফেল, সেজন্য আল্লাহ তোমাদের শাস্তি দেবেন না। কিন্তু যেসব প্রতিজ্ঞা তোমরা স্বেচ্ছায় করে থাক, সে সম্পর্কে আল্লাহ নিশ্চয় জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল ও সহিষ্ণু।’ (সূরা বাকারা : ২২৪-২২৫)। 
সরকার তথা কাকে মান্য করা হবে

‘হে ঈমানদাররা, আর অনুগত্য করো আল্লাহর, আনুগত্য করো রাসুলের এবং সেসব লোকেরও যারা তোমাদের মধ্যে সামগ্রিক দায়িত্বসম্পন্ন। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যদি কোনো ব্যাপারে মতবৈষম্যের সৃষ্টি হয় তবে তাকে আল্লাহ ও রাসুলের দিকে রুজু করো, যদি তোমরা প্রকৃতই আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনে থাক। 
এটাই সঠিক নীতি, এটাই পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।’ (সূরা নিসা : ৫৯)। 
কে শাসন করবে
‘তোমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক থাকতেই হবে, যার নেকি ও মঙ্গলের দিকে ডাকবে। ভালো ও সৎকাজের নির্দেশ দেবে এবং পাপ ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখবে। যারা এই কাজ করবে, তারাই সফল হবে। তোমরা যেমন সেসব লোকের মতো হয়ো না, যারা বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে গেছে এবং স্পষ্ট ও প্রকাশ্য নির্দেশ পাওয়ার পরও মতবিরোধে লিপ্ত হয়ে রয়েছে। যারা এরূপ আচরণ করে, তারা সেদিন               কঠোর শাস্তি ভোগ করতে বাধ্য                হবে।’ 
(সূরা আলে ইমরান : ১০৪-১০৫)। 
শাসকের বৈশিষ্ট্য
‘হে নবী, এটা আল্লাহর বড় অনুগ্রহের বিষয় যে, আপনি এসব লোকের জন্য খুবই নম্র স্বাভাবের লোক হয়েছেন। অন্যথায় আপনি যদি উগ্র স্বভাব ও পাষাণ হৃদয়ের অধিকারী হতেন, তবে এসব লোক আপনার চতুর্দিক থেকে দূরে সরে যেত। অতঃপর এদের অপরাধ মাফ করে দিন। এদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করুন এবং দ্বীন ইসলামের কাজকর্মে এদের সঙ্গে পরামর্শ করুন। বস্তুত আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন, যারা তার ওপর ভরসা করে কাজ করে।’ (সূরা আলে ইমরান : ১৫৯)। 


বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতের সময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম
বিস্তারিত
জুমাতুল বিদা আজ
আজ মাহে রমজানুল মোবারকের ২৮ তারিখ। আজ জুমাবার। এটাই এ
বিস্তারিত
চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে
চলছে পবিত্র রমজান মাস। সিয়াম-সাধনার এ মাস জুড়েই রয়েছে রহমত,
বিস্তারিত
কাল পবিত্র লাইলাতুল কদর
হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত পবিত্র 'লাইলাতুল কদর'। মহিমান্বিত এ
বিস্তারিত
১০ বার কোরআন খতমের সওয়াব
একে একে শেষ হয়ে যাচ্ছে রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের দিনগুলো।
বিস্তারিত
মাগফিরাতের ১০দিন শুরু এবং আমাদের
আজ থেকেই শুরু হবে মাগফিরাতের ১০ দিন। দুনিয়ার সকল গোনাহগার
বিস্তারিত