ডিজিটাল পেমেন্টে আগ্রহ বাড়ছে

প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশনে অন্যান্য দেশের মতোই সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে এ দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৪ কোটির বেশি, সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮ কোটি, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহার করছেন প্রায় ৬ কোটি গ্রাহক এবং ৩ কোটির মতো আছেন ফেইসবুক ব্যবহারকারী। তবে অনলাইন কেনাকাটায় ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে উন্নত দেশ, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায়ও যথেষ্ট পিছিয়ে বাংলাদেশ। 
বেটার দ্যান ক্যাশ অ্যালায়েন্সের গবেষণা বলছে, রিটেল পেমেন্ট খাতের মোট লেনদেনের মাত্র ১ শতাংশ হচ্ছে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে। তবে জরিপ বলছে, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ডিজিটাল পেন্টের গ্রহণের ব্যাপারে বেশ আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে। ভিসা পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশই ডিজিটালি পেমেন্ট করতে আগ্রহী। 
সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও খাত-সংশ্লিষ্টদের ধারণা অনুসারে বাংলাদেশের অনলাইন বাজারের ব্যাপ্তি প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার মতো। যেখানে ১ হাজার ই-কমার্স এবং ৮ হাজার ফেইসবুকভিত্তিক অনলাইন শপ (এফ-কমার্স) প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে। তবে ই-কমার্স বা এফ-কমার্স পুরোটা প্রাতিষ্ঠানিক বা পদ্ধতিগত হয়ে উঠেনি। অনেকেই শখের বসে অল্প কিছুদিন এ ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেন বা পেমেন্ট নিয়ে ঠিকমতো ডেলিভারি দেন না বা পণ্যের গুণাগুণ ঠিক থাকে না। ফলে এমএফএস পেমেন্টের মূল অংশীদার গ্রাহক নির্ভরতার জায়গাটি পায় না এবং ক্যাশঅন ডেলিভারি পেমেন্টই পণ্য কিনতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। 
অনলাইন প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব, মোবাইল পেমেন্টের সুযোগ না থাকা, মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহারে অনভ্যস্ততা, বেশ ক’টি ধাপ অনুসরণ করে পেমেন্ট সম্পন্ন করার দীর্ঘসূত্রতা, নিরাপত্তাসহ নানা কারণকে মোবাইল পেমেন্ট প্রত্যাশিত মাত্রায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না। ক্রেতারাও অনলাইন ঝামেলাবিহীন সহজ অনলাইন পেমেন্টের সর্বোচ্চ সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ খাতের বিক্রেতা এবং ক্রেতা উভয়ই এমএফএস সম্প্রসারণের সঙ্গে এ অনলাইন বাজার সম্প্রসারণের সম্পৃক্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। 
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি অ্যাপভিত্তিক এমএফএস সেবা চালু করে, কিউআর কোডের মতো সহজ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে মোবাইল পেমেন্টের হার বাড়বে। ভারত ও চীনের বাজারের উদাহরণ দিয়ে তারা বলেন, কিউআর কোড ও অ্যাপভিত্তিক মোবাইল পেমেন্ট চালু হওয়ায় বিক্রি বহুগুণ বেড়েছে। বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকরাও কিউআর কোড বা অ্যাপভিত্তিক মোবাইল পেমেন্টের পক্ষে মত দেন। বাংলাদেশের ই-কমার্স বা এফ-কমার্সের ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয় প্রান্তেই নারীদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণ পর্যালোচনায় খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখাতে উদ্যোক্তা বা ক্রেতার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই নারী। যাদের আবার বড় অংশ গৃহিণী বা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা ক্যাশঅন ডেলিভারি সেবা নিচ্ছেন। আবার অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বাংলাদেশের প্রচলিত শর্ত পূরণ করতে না পারায় পেমেন্টের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং সুযোগ রাখতে পারছে না। ফলে তারা ক্যাশঅন ডেলিভারিকেই উৎসাহিত করে। 
এমএফএস পেমেন্ট অ্যাপভিত্তিক হলে তারা অনলাইন পেমেন্টে আরও আকৃষ্ট হবে, এমন মত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কিউআর কোড, অ্যাপভিত্তিক হলেই ডিজিটাল পেমেন্ট হার বাড়বে। আর অ্যাপের ক্ষেত্রে বাংলা ব্যবহার করা গেলে তা হবে সোনায় সোহাগা। 


জাতিসংঘের ডব্লিউএসআইএস ফোরামের চেয়ারম্যান হলো
বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের বহুমাত্রিক অংশীদারদের প্ল্যাটফর্ম ডব্লিউএসআইএস ফোরাম-১৯-এর চেয়ারম্যান হয়েছে বাংলাদেশ।
বিস্তারিত
হয়ে গেল শিশুদের রকেট তৈরির
বাচ্চাদের রকেট তৈরির কর্মশালার আয়োজন করেছে যৌথভাবে নাসা সায়েন্টিফিক প্রব্লেম
বিস্তারিত
চিকিৎসকদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘হ্যালো ডাক্তার
চিকিৎসকদের বিশেষ সুবিধায় যাত্রা শুরু করেছে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘হ্যালো ডাক্তার
বিস্তারিত
ঢাবিতে সাইবার অপরাধ বিষয়ক সেমিনার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদের ব্যবস্থাপনায়
বিস্তারিত
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে পুরুষের চেয়ে
বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে ১৩ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। অন্যদিকে মোবাইল
বিস্তারিত
জিমেইল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপ বিদায়
অনলাইনে বিভিন্ন সেবা বা অ্যাপ ব্যবহার করতে নিবন্ধন করতে হয়।
বিস্তারিত