দ্বিতীয় একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী

মুঈদ খন্দকারের ‘হৃদয়ে কুমিল্লা’

ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিল্প-সাহিত্য, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য কুমিল্লার রয়েছে বিশ্বজোড়া সুনাম। ইংরেজ শাসন আমল থেকেই শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার দিক দিয়ে এক ধাপ এগিয়ে যায় কুমিল্লা।

মানচিত্র ও পতাকা অর্জনের আগেই শিক্ষা-সংস্কৃতিতে বিপ্লব ঘটিয়েছিল কুমিল্লা। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সবকিছুর অংশীদার কুমিল্লা। ভৌগোলিক ও উপনিবেশগত কারণেই এই জনপদ দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় একটু বেশি অগ্রসরমান।

আর সেই কুমিল্লাকে নিয়ে ফটোসাংবাদিক মুঈদ খন্দকারের দ্বিতীয় একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘হৃদয়ে কুমিল্লা’র উদ্বোধনীতেও এই জনপদের অগ্রসরমানতার প্রমাণের ছিঁটেফোঁটা মিলেছে।

জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনের লবিজুড়ে রয়েছে এই আলোকচিত্রীর ক্যামেরার শিল্পের নিপুণ ছোঁয়া। নবাব ফয়জুন্নেছার ইতিহাস বিজড়িত বাড়ি ও মসজিদ, জাতীয় কবির বাসস্থান, বিস্তৃত শালবন ও বৌদ্ধ বিহার, ময়নামতি, ধর্মসাগর, রানীর দিঘী, রানীর কুটির, ছোটরা ইংরেজ কবরস্থান, ঐতিহাসিক থমছন ব্রিজ, শাহসুজা মসজিদ, কুমিল্লা বার্ড, লালমাই পাহাড়, ভিক্টোরিয়া কলেজ, চন্ডী মন্দির, বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড ইত্যাদিসহ কুমিল্লার নৈসর্গিক ও ইতিহাস বিজড়িত ১১৯টি আলোকচিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে ‘হৃদয়ে কুমিল্লা’ শীর্ষক তিনদিনের এই প্রদর্শনী।

রিফ্লেক্ট মিডিয়া কমিউনিকেশন ও হক ফাউন্ডেশন, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। কাল ২০ এপ্রিল শেষ হবে তিনদিনের এই প্রদর্শনী।

সোমবার বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বার্ড-এর সাবেক মহাপরিচালক খায়রুল কবীর, আব্দুল কুদ্দুছ, ইন্টান্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আফতাব-উল-ইসলাম মঞ্জু, কুমিল্লার যুবলীগ নেতা তারিকুল ইসলাম ও বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মীর আহম্মেদ মিরু।

প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন,  কুমিল্লার জন্য মুঈদের এই প্রদর্শনীটি একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ। এই প্রদর্শনীর ছবিগুলো আমাকে শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। আমি নষ্টালজিক হয়ে পড়ছিলাম। কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করাতে মুঈদ খন্দকারকে অভিনন্দন জানাই। 

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে গিয়ে ড. মীজানুর রহমান বলেন, কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথই পাকিস্তান এসেম্বলিতে রাষ্ট্রভাষার দাবীতে প্রথম প্রস্তাব রাখেন। কুমিল্লার সন্তান হিসেবে আমি নিজেও গর্বিত।

এ সময় তিনি বৃহত্তর কুমিল্লার সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র কথা তুলে ধরে বলেন, কুমিল্লার সন্তান ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’ই সঙ্গীতের মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে কুমিল্লাকে তুলে ধরেছেন।

কুমিল্লার কো-অপারেটিভ বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা তুলে ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আরও বলেন, আমি যখন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম তখন সেখানকার প্রফেসররা আমাকে বলেছিলো কো-অপারেটিভ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে কুমিল্লা হচ্ছে রোল মডেল। 


শিল্পকলা একাডেমিতে কবিতায় বঙ্গবন্ধু
দেশের বিশিষ্ট বাচিক শিল্পীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
বিস্তারিত
কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, লেখক ও সাংবাদিক শামসুর
বিস্তারিত
হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো
আমেরিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯শে জুলাই মারা যান বাংলাদেশের
বিস্তারিত
কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী
বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান কথাশিল্পী, চলচ্চিত্র-নাটক নির্মাতা হুমায়ুন আহমেদের
বিস্তারিত
সৌন্দর্যের অপ্সরী শিল্পাচার্য জয়নুল ও
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরঘেঁষা ময়মনসিংহ শহর। শিশু জয়নুল খেলে করে বেড়াতেন
বিস্তারিত
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭১ তম
ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কবির পৈত্রিক বাড়ির
বিস্তারিত